ট্যাগ রহস্যময় কাহিনী

চারুলতা | পর্ব ৩ | নাগিনের রহস্য ও চারুলতার সুপ্ত শক্তি

চারুলতা জঙ্গলে অজ্ঞাত আক্রমণকারীদের হাত থেকে এক সুন্দরী মেয়েকে উদ্ধার করে। মেয়েটি নিজেকে ইচ্ছাধারী নাগিন মৃধা বলে পরিচয় দেয়। চারুলতার চোখে খুনের সময় জ্বলে ওঠা অগ্নি লাভা ও গলায় উল্টো তীরচিহ্ন দেখে মৃধা বুঝতে পারে তার মধ্যে শুভ শক্তি নিহিত আছে। চারুলতা নিজের পরিচয় ও শক্তি নিয়ে বিস্মিত হয়।

কনফিউশন | পর্ব ২২ | কাব্যর রহস্যময় স্বপ্ন ও আরশির লাল শাড়ি

কাব্য আরশির সাথে বনে হাঁটার রহস্যময় স্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে চমকে ওঠে। স্বপ্নের প্রতিটি দৃশ্য বিশ্লেষণ করে সে আশঙ্কা করে আসন্ন দূর্ঘটনার। আরশির লাল শাড়ি ও গর্তে পতনের ইঙ্গিত তাকে নাড়া দেয়। তিরা যাদিদের পাশে শেষ রাত কাটায়, মন খারাপ হয়ে যায় বিদায়ের আগে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩৭ | অভির প্রতিশোধ, বিদ্যার আত্মঘাতী পদক্ষেপ ও রহস্যময় সাপের আবির্ভাব

অভি রক্তচোষা মহিলাকে আগুনে দগ্ধ করে শক্তি কেড়ে নেয়। বিদ্যা মানসিক চাপে নদীতে ঝাঁপ দেয়, কিন্তু এক রহস্যময় সাপ তাকে উদ্ধার করে। অভি বিদ্যাকে বাঁচায় এবং বাড়িতে ফিরে সবাই বিদ্যার অদৃশ্য হওয়ায় আতঙ্কিত হয়। পরদিন বিদ্যার জ্ঞান ফেরে, সামনে দেখে অপুর মা দেবকীকে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৮ | অভির প্রেম স্বীকার, বিদ্যার ভালোবাসা ও ঋষির আক্রমণ

অভি বিদ্যাকে প্রেমের পরীক্ষায় ফেলে কান্নায় ভাসায়, কিন্তু বিদ্যা আবেগে ভেঙে পড়ে ভালোবাসা স্বীকার করে। ঋষি অভিকে আক্রমণ করে, অভি তাকে শক্তিতে পরাজিত করে। বিদ্যার মাথায় আঘাত লাগে, আর রত্না সান্যাল চিহ্ন দেখে আতঙ্কিত হয়। বিদ্যার রুমে অগ্নিকুন্ডে শুরু হয় রহস্যময় যজ্ঞ।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২৭ | অভির আক্সিডেন্ট, বিদ্যার কান্না ও রহস্যময় গিফট

নতুন বস ঋষি সান্যাল বিদ্যাকে হত্যার পরিকল্পনা করে, কিন্তু তাকে দেখেই মুগ্ধ হয়। বিদ্যা অপুর কবর রক্ষার জন্য ঈমামকে সতর্ক করে। অফিসে ঋষির সাথে তার প্রথম সাক্ষাত। রহস্যময় গিফটে সিঁদুরদানী পায় সে। বাইক রেসে অভির আক্সিডেন্টে বিদ্যা ভেঙে পড়ে, আর অভি চোখ মেলে তাকে বুকে জড়িয়ে নেয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১৬ | অভির রহস্যময় প্রকাশ, বিদ্যার প্রশ্ন ও ইনার ভিডিও কল

অভি বিদ্যার সামনে রহস্য উন্মোচন এড়ায়, তার পায়ের ব্যথা সারানো ও ছবি দেখে ভালোবাসা ঘোষণার পর বিদ্যা প্রশ্ন করে। অভি হ্যাকার হিসেবে ল্যাপটপে কাজ করে এবং ইনা থেকে ভিডিও কল পায়, যে তাকে বিপদের সতর্কতা দেয়। অভি হঠাৎ মিলিয়ে যায়, আর বিদ্যা তার আইডি লগইন দেখে অবাক হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১০ | অভির আগমন, বিদ্যার সন্দেহ ও রসগোল্লার ডাক

বিদ্যার বাড়িতে হাজির হয় অভি, যার চেহারা তাকে অপুর কথা মনে করিয়ে দেয়। বিদ্যার মায়ের সন্দেহ জাগে তার রক্তের পিপাসা নিয়ে। রাতে এক রহস্যময় অবয়ক তাকে ডাকে। রাস্তায় বাইক চালকের ধাক্কায় বিদ্যা বাঁচে। অভি তাকে রসগোল্লা বলে ডাকতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৩ | বিদ্যার রহস্যময় আঘাত, সাপের হামলা ও রহস্যময় বামনের আবির্ভাব

বিদ্যা বৌদির আহ্বানে গাছতলায় গিয়ে রহস্যময় সাপের হামলার শিকার হয়, রক্তাক্ত হয়ে জ্ঞান হারায়। রক্তলাল মহিলা তাকে উদ্ধার করে অপুর বাড়িতে ছুড়ে দেয়। বিদ্যার বাবা-মা এসে সিঁদুর মুছতে চায়, কিন্তু রঘুনাথ বাবু বাধা দেন। রাতে বিদ্যা জানালা দিয়ে রহস্যময় নারী ছায়া ও সাপের দেখা পায়, যেখানে এক পাখাওয়ালা বামন ডিম ধ্বংস করে। বিদ্যা টর্চ নিয়ে ছুটে যায়, আলোর বলয়ে অদৃশ্য হয়ে বামনের কাছে পৌঁছয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১২ | রাজের ব্ল্যাকমেইল, সামান্তার বিপদ ও আদির রোমাঞ্চকর উদ্ধার

রাজ নিশির চেঞ্জিং ভিডিও দিয়ে সামান্তাকে ব্ল্যাকমেইল করে গোপন জায়গায় নিয়ে যায়। সামান্তা গোপনে রেকর্ডিং চালিয়ে রাখে। আদি লোকেশন ট্র্যাক করে ছুটে আসে, রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তাকে থাপ্পড় মারে, কিন্তু পরে সব শুনে ভেঙে পড়ে। রাজকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আদি বেরোয়, কিন্তু সামান্তা আটকায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৮ | রাজের ফোন, আদির ভালোবাসা ও রহস্যময় অপহরণ

রাতে রাজের অপ্রত্যাশিত ফোনে বিপদে পড়ে সামান্তা। আদি ছাদে ভালোবাসা স্বীকার করে, কিন্তু সামান্তা মোহ বলে উড়িয়ে দেয়। পরদিন রাতে কে যেন সামান্তাকে অপহরণ করে। আদি না রাজ? রহস্য ঘিরে রাখে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষা।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৭ | চৈত্রিকার সত্য উন্মোচন, সাফারাতের ভালোবাসা ও সিনথিয়ার রহস্য ফাঁস

চৈত্রিকা সচেতন হয়ে উঠে সিনথিয়াকে দেখে বিচলিত হয়। সাফারাতের কাছে ক্ষমা চায়, কিন্তু সাফারাত তাকে জানায় তার প্রতি গভীর ভালোবাসা। সিনথিয়া ফাঁস করে দেয় সে কখনও সাফারাতের বউ ছিল না, বরং আয়ানের স্ত্রী। অতীতের সব রহস্য উন্মোচিত হয়, আর চৈত্রিকা বুঝতে পারে সে সত্যিকারের ভাগ্যবতী।