সিরিজ সুখের নেশায়

সুখের নেশায় | পর্ব ১ | চৈত্রিকার ভালোবাসার পুনর্মিলন ও অপমান

চৈত্রিকা বয়সের দোহাই দিয়ে পাত্রপক্ষের কাছ থেকে অপমানিত হয়, কিন্তু তাদের সাথে থাকা সাফারাতকে দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। অতীতের ভালোবাসার মানুষটিকে খুঁজে পেয়ে তার সাথে যোগাযোগের জন্য অফিসে যায়, কিন্তু সাফারাত তাকে চিনতে অস্বীকার করে এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ২ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রাগ ও ফুলের গোপন উপহার

চৈত্রিকা সাফারাতের বাড়িতে অপমানিত হয় এবং জেরিনের থাপ্পড়ে ভেঙে পড়ে। সাফারাত রাগে জেরিনকে বাড়ি থেকে তাড়ায়। বাড়ি ফিরে কাঁদে চৈত্রিকা। পরদিন সকালে মিম তাকে অজানা প্রেরকের পাঠানো জারবেরা ফুল ও একটি কাগজ দেয়, যেখানে শুধু লেখা থাকে 'চৈত্রিকা'।

সুখের নেশায় | পর্ব ৩ | চৈত্রিকার রহস্যময় ফুল, সাফারাতের আবির্ভাব ও বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত

চৈত্রিকা রহস্যময়ভাবে জারবেরা ফুল পায়, যা তার অতীতের স্মৃতি জাগায়। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাসস্ট্যান্ডে হঠাৎ সাফারাতের আবির্ভাব হয়, যার হিম স্পর্শ ও উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে চমকে ওঠে সে। এদিকে সাফারাত পরিবারের সাথে তিক্ততা ও বাবার ফোন এড়ায়, আর চৈত্রিকার বাবা তাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে চলেছেন।

সুখের নেশায় | পর্ব ৪ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রহস্যময় কথা ও বাবার দুর্ঘটনা

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে সাফারাতের কাছ থেকে জ্যাকেট নেয়, যার ঘ্রাণে অতীতের স্মৃতি ফিরে আসে। সাফারাত রহস্যময় ভাবে বলে, 'অপমান আঁকড়ে ধরে রাখলে সুখ পালিয়ে যাবে'। চৈত্রিকা চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু বাড়ির দারোয়ান জানায় তার বাবাকে গাড়ি চাপা দিয়েছে। এদিকে সাফারাত রেগে পৃথককে মারতে থাকে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৫ | চৈত্রিকার বাবার অপারেশন, অজানা সাহায্যকারী ও মেহুলের স্মৃতি

চৈত্রিকার বাবার গাড়ি দুর্ঘটনার পর অপারেশনের টাকা অজানা এক ব্যক্তি জমা দেয়, যাকে দেখে চৈত্রিকার মনে সাফারাতের কথা ভাসে। হাসপাতালে মিমের প্রশ্নে ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা, আর মেহুলের মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়। এদিকে সাফারাত পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, দিহানের চাচাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৬ | সাফারাতের গোপন শত্রু, পৃথকের অপরাধ ও চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনা

সাফারাত জানতে পারে চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনার পিছনে তার চাচাতো ভাই পৃথকের হাত আছে। পুলিশের কাছে প্রমাণ জমা দেয় সে। চৈত্রিকা বাবার ওষুধ কিনতে ফার্মেসীতে যায়, হঠাৎ শরীরে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। সাফারাতের মনের গভীর ব্যথা ও প্রতিশোধের আগুন উন্মোচিত হয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৭ | চৈত্রিকার আঁচড়, সাফারাতের রাগ ও হাসপাতালের উত্তেজনা

চৈত্রিকাকে হয়রানির চেষ্টা হয়, সাফারাত তাকে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাফারাত তার কাঁধের আঁচড় দেখে রেগে আগুন, দিহানকে ছেলেদের খুঁজে বার করতে নির্দেশ দেয়। লিফটে চৈত্রিকার ওড়না সরিয়ে আঁচড়ের কারণ জানতে চায়, উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৮ | চৈত্রিকার জ্বর, সাফারাতের কোলে ভর, নার্সের প্রশ্ন ও মিমের রাগ

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে কাঁপছে, সাফারাত তাকে কোলে তুলে হাসপাতালে নিয়ে আসে। নার্স জিজ্ঞাসা করে সাফারাত কি তার স্বামী, চৈত্রিকা লজ্জায় বলে সে বেস্ট ফ্রেন্ড। মিম দিহানকে দেখে ক্ষুব্ধ হয়, আর সাফারাত রাতভর নিচে দাঁড়িয়ে তাকে আশ্বাস দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৯ | চৈত্রিকার তৃষ্ণা, অজানা ভাইয়ের উপহার ও রাতের অপেক্ষা

গরমে কাতর চৈত্রিকা পথে হাঁটতে হাঁটতে এক বাচ্চাকে পাঁচ টাকা দেয়, যার জবাবে অজানা ভাইয়ের মাধ্যমে পায় পানি ও ভর্তা। বাসায় ফিরে জানে বাড়িওয়ালার হুমকির কথা। রাতে হঠাৎ ফোন আসে সাফারাতের, যে তাকে চা নিয়ে আসতে বলে গেটের বাইরে অপেক্ষা করছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১০ | চৈত্রিকার রাতের যাত্রা, সাফারাতের জ্বরের ঘোর ও বিয়ের প্রস্তাবের চাপ

চৈত্রিকা রাতের শীতে সাফারাতের সাথে রিকশায় যাত্রা করে, যেখানে জ্বরে জ্বলছে সাফারাত। স্বপ্নে তাকে দেখার কথা বলে তাকে নিয়ে যায় নদীর পাড়ে। কাঁদে চৈত্রিকা তার বুকে, আর দুই দিন পর মিম জানায়—বিয়ের প্রস্তাব এসেছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১১ | চৈত্রিকার বিয়ের চাপ, তাহাফের আগমন ও জারবেরার রহস্য

চৈত্রিকার মায়ের চাপে তাহাফের সাথে বিয়ের প্রস্তাব এগিয়ে যায়। আংটি পড়ানো হয়, কিন্তু চৈত্রিকা মনে মনে সাফারাতকে ভালোবাসে। তাহাফের আত্মবিশ্বাস ও রূঢ়তা চৈত্রিকাকে ভীত করে, আর শুকনো জারবেরা ফুল দেখে সে আশঙ্কা করে তাহাফই হতে পারে তার গোপন প্রেমিক।

সুখের নেশায় | পর্ব ১২ | মিমের রোদে হাঁটা, দিহানের লিফট ও চৈত্রিকার গেইটে অপেক্ষা

রোদে হাঁটা মিমকে দেখে দিহান গাড়ি ঘুরিয়ে লিফট দেয়, তার রাগ-ভাবনা আর অস্বস্তি নিয়ে। বাড়ি ফিরে চৈত্রিকা দেখে অপরিচিত মেয়েকে ঢুকতে নিষেধ করা হচ্ছে, আর সাফারাত তাকে নীরবে ডাকেন বারান্দা থেকে। উত্তেজনা আর প্রশ্ন ঘিরে থাকে চৈত্রিকাকে।