লেখক মৌরি মরিয়ম

নাইওরি | পর্ব ৭ | সালিশের আগে জেসমিনের সাহসী স্বীকারোক্তি

রঞ্জুকে গাছে বাঁধা অবস্থায় সালিশের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। জেসমিনকে ঘরে বন্দি করা হয়েছে। সালিশে ডাকা হলে সে সাহস নিয়ে ঘোষণা করে, রঞ্জু তাকে উত্যক্ত করেনি, তারা পরস্পরকে ভালোবাসে। এই স্বীকারোক্তিতে গোটা উপস্থিত সালিশ ও পরিবার চমকে যায়।

নাইওরি | পর্ব ৮ | সালিশের পর বিয়ের প্রস্তাব ও রঞ্জু-জেসমিনের মুহূর্ত

সালিশে জেসমিনের সাহসী ভালোবাসা স্বীকারোক্তির পর হারুন ব্যাপারী রঞ্জু-জেসমিনের বিবাহের প্রস্তাব দেন। সকলের সমর্থনে বিয়ে স্থির হয়, আর রঞ্জুকে গাছে বাঁধা থেকে জামাই আদর করা হয়। রাতে তাদের জন্য কয়েক মুহূর্ত একা থাকার সুযোগ হয়, যখন জেসমিন অপরাধবোধ নিয়ে কাঁদে, আর রঞ্জু তাকে শান্ত করে।

নাইওরি | পর্ব ৯ | ঝড়ের রাতে কবিতা ও অন্ধকারের গান

জেসমিনকে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর পর রঞ্জুর বাড়িতে বউ দেখার ভিড় নামে। ঝড়ের রাতে জেসমিন কামিনী ফুলের গাছ দেখতে চায়, রঞ্জু আটকালে অভিমান করে। রঞ্জু তাকে কবিতা শোনায়, অভিমান মিটে যায়। অন্ধকারে হারিকেন নিভিয়ে রঞ্জু ফিসফিস করে, “চলো দেখাই তুমি আমার কেমন অন্ধকারের গান”।

নাইওরি | পর্ব ১০ | মসলা বাটার প্রথম দিন ও জমির দ্বন্দ্ব

জেসমিন শ্বশুরবাড়িতে মসলা বাটতে বাধ্য হয়, রঞ্জু তাকে সাহায্য করে। রঞ্জু ঢাকায় চলে যাওয়ার পর জেসমিন কেশবপুরে আসে। হারুন ব্যাপারী জয়নাল মির্জাকে কালিসুরির জমি নিয়ে কথা তোলে, কিন্তু চেয়ারম্যান সূক্ষ্ম হুমকি দিয়ে বিষয়টি ঘুরিয়ে দেন। হারুন বুঝতে পারেন, বিয়েটি ছিল ভুল সিদ্ধান্ত।

নাইওরি | পর্ব ১১ | জমির মামলা ও জেসমিনের বাড়িতে অপেক্ষা

জয়নাল মির্জার বিরুদ্ধে জমির মামলা দায়ের করেছেন হারুন ব্যাপারী। আদালতের সমন পেয়ে জয়নাল মির্জা উকিল আলমগীর মৃধার কাছে যান, কিন্তু উকিল তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে বলেন হারার বিনিময়ে। এদিকে, জেসমিন রঞ্জুকে চিঠিতে বাড়িতে অপেক্ষার ডাক দেয়, কামিনী ফুলের গাছের মতো তার ভালোবাসাও ফুটবে না বলে আবেগঘন আহ্বান জানায়।

নাইওরি | পর্ব ১২ | উকিল আলমগীরের মৃত্যু ও জমির আদালত রায়

উকিল আলমগীর মৃধার রহস্যময় মৃত্যুর পর হারুন ব্যাপারী আদালতে তার রেখে যাওয়া প্রমাণ নিয়ে হাজির হন। বিবাদী পক্ষ অনুপস্থিত থাকায় কালিসুরির জমি আদালত হারুনের নামে ঘোষণা করে। এদিকে, জেসমিন রঞ্জুর কবিতার চিঠি পায় এবং তার ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়।

নাইওরি | পর্ব ১৩ | রঞ্জুর জন্য জেসমিনের হুক্কা ছোঁড়া

জেসমিন শুনল তার বাবা ও ভাইয়েরা রঞ্জুকে খুন করার পরিকল্পনা করছে। তাকে কাচারি ঘরে বেঁধে রাখা হলে সে হুক্কা ছুঁড়ে রঞ্জুর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে, কিন্তু রঞ্জু জালালের সাথে মাছ ধরতে চলে যায়। জেসমিন আশাহত হয়ে কাঁদে, তার ভেতরে বাচ্চার খবর রঞ্জু জানতে পারল না।

নাইওরি | পর্ব ১৪ | রঞ্জুর মৃত্যু ও জেসমিনের পলায়ন

রঞ্জুকে ময়নার বিলে খুন করা হয়, জেসমিন তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে। গর্ভবতী জেসমিন মায়ের সাহায্যে পালায়, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে হারুন ব্যাপারীর ভয়ানক হুমকি শুনে আবার পালায়। চিঠি আঁকড়ে ধরে সে নদীর ঘাট থেকে নৌকায় উঠে অজানা গন্তব্যে চলে যায়, সন্তান নিয়ে নিরাপদ জীবনের আশায়।

কনফিউশন | পর্ব ১ | কাব্যর প্রথম দেখা ও তিরার ক্রাশ

তিরা আরশির বাড়িতে এসেছে বিশ্রাম নিতে। চায়ের দাওয়াতের আগেই সে নিচতলার নতুন ভাড়াটিয়া কাব্যের সাথে ধাক্কা খায়। প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয় তিরা। কাব্যর চোখ, হাসি, নাম—সব মিলিয়ে তার মন জয় করে নেয়। সে আরশিকে জোর দিয়ে কাব্যর নম্বর চুরি করতে বলে, কিন্তু আরশি প্রত্যাখ্যান করে। তিরার প্রেমের শুরু হয় এক কনফিউশনের মধ্যে দিয়ে।

কনফিউশন | পর্ব ২ | তিরার চা ও বইয়ের প্রেম

তিরা কাব্যর সাথে পরিচিত হতে আরশির সাথে তার ফ্ল্যাটে যায়। কাব্য চা বানায়, তিরা তার চায়ে মুগ্ধ হয়। আরশি কাব্যর বইয়ের আলমারি থেকে 'ফ্রিডম এট মিডনাইট' ধার নেয়। কাব্য-তিরার মধ্যে আলাপ জমে, কিন্তু আরশি নীরব থাকে। তিরা কাব্যকে ফেসবুক আইডি দেয়, কিন্তু আরশিরটি জানা হয় না।

কনফিউশন | পর্ব ৩ | তিরার ক্রাশ ও আরশির বিষন্নতা

তিরা আরশির সাথে রান্নাঘরে সময় কাটায় এবং কাব্যকে নিয়ে উত্তেজিত হয়, কিন্তু আরশি তার সিগারেট খাওয়া ও গালের দাগ নিয়ে সতর্ক করে। কাব্য আরশির ছাদে দাঁড়ানো দৃশ্যে মুগ্ধ হয় এবং ফেসবুকে তিরার রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করে, কিন্তু আরশির বিষন্ন ছবি দেখে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়।

কনফিউশন | পর্ব ৪ | কাব্যের চা ও তিরার রান্নার প্রস্তাব

কাব্য তিরা ও আরশির বাসায় কাজের লোক নিয়ে কথা বলতে আসে। আরশির বানানো চা খেয়ে মুগ্ধ হয় সে এবং চা বানানোর রেসিপি শেখে। তিরা কাব্যকে রান্না করে দেওয়ার মজার প্রস্তাব দেয়, কিন্তু কাব্য হেসে উড়িয়ে দেয়। আরশির প্রতি আকর্ষণ আর তিরার আগ্রাসন কাব্যের জন্য জটিলতা তৈরি করে।