লেখক শারমিন আঁচল নিপা

চারুলতা | পর্ব ১ | মামার শয়তান পূজা ও ভাগ্নীর নরক যন্ত্রণা

চারুলতা মামার কালো জাদু ও শয়তান পূজার সাক্ষী। বাবা-মায়ের হত্যার পর তার উপর নেমে আসে নরকের যন্ত্রণা। পিশাচী দেবীর আদেশে মামা তাকে বিয়ে করে নগ্ন অবস্থায় আটকে রাখে। পনেরো দিন পর চন্দ্রগ্রহণের সময় তাকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

চারুলতা | পর্ব ২ | নারিকেল গাছের পেছনে লুকোনো ও মামার ভয়ংকর বলি

চারুলতা নারিকেল গাছের পেছনে লুকিয়ে মামার ভয়ংকর বলি দেখে। নবজাতক শিশু ও ১৬ বছরের তরুণীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পিশাচ দেবীকে উৎসর্গ করে মামা। অদৃশ্য কণ্ঠস্বর তাকে সতর্ক করে পালাতে, কারণ শুধু চারুলতাই এরিকের ধ্বংস ঘটাতে পারবে।

চারুলতা | পর্ব ৩ | নাগিনের রহস্য ও চারুলতার সুপ্ত শক্তি

চারুলতা জঙ্গলে অজ্ঞাত আক্রমণকারীদের হাত থেকে এক সুন্দরী মেয়েকে উদ্ধার করে। মেয়েটি নিজেকে ইচ্ছাধারী নাগিন মৃধা বলে পরিচয় দেয়। চারুলতার চোখে খুনের সময় জ্বলে ওঠা অগ্নি লাভা ও গলায় উল্টো তীরচিহ্ন দেখে মৃধা বুঝতে পারে তার মধ্যে শুভ শক্তি নিহিত আছে। চারুলতা নিজের পরিচয় ও শক্তি নিয়ে বিস্মিত হয়।

চারুলতা | পর্ব ৪ | সুরঙ্গের ভয়াবহ রহস্য ও মাথাবিহীন লাশের আক্রমণ

চারুলতা ও মৃধা জঙ্গলের মধ্যে এক ভয়াবহ সুরঙ্গে ঢুকে পড়ে। অক্সিজনের অভাবে চারুলতার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, আর মাথাবিহীন লাশ তাদের গলা চেপে ধরে। হাত মুচড়ে আক্রমণ থেকে মুক্তি পেয়ে তারা দৌড়ে পালায়, কিন্তু সুরঙ্গের রহস্য এখনও অনুসন্ধানের অপেক্ষা রাখে।

চারুলতা | পর্ব ৫ | কাটা মাথার রাজ্য ও রক্তের কুয়োতে তলিয়ে যাওয়া

চারুলতা ও মৃধা কাটা মাথার জীবন্ত সমারোহ পেরিয়ে রক্তপূর্ণ কুয়োতে পড়ে। নীচ থেকে অদৃশ্য শক্তি তাদের পা টানছে, আর কালো একচোখা প্রাণীরা কুয়োর দেয়ালে উঠছে। প্রাণ বাঁচানোর শেষ সম্ভাবনা ম্লান হয়ে আসে যখন তারা পচা রক্তের স্রোতে তলিয়ে যায়।

চারুলতা | পর্ব ৬ | গভীরে তলিয়ে যাওয়া ও ভবিষ্যতের অশুভ সন্তান

চারুলতা ও মৃধা রক্তের কুয়োতে তলিয়ে গিয়ে অজানা জায়গায় পৌঁছায়। মৃধা জানায়, চারুলতার গর্ভে এরিক ধ্বংসের জন্য এক কদাকার সন্তান আসবে, যা রাহুগ্রস্ত সময়ে জন্মালে শুভ শক্তির হবে। চারুলতা বিস্মিত ও ভীত হয়, কিন্তু বাড়ির দিকে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয়।