সিরিজ তোর শহরে ভালোবাসা

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১ ও ২ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদিলের অজানা অনুভূতি

সামান্তা বিয়ের পরপরই আদিলের ঘরে ঢুকতে অস্বীকার করে প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা করে। আদিল তাকে অবহেলা করলেও সামান্তা নিজেকে লুকিয়ে রাখে। দুই মাস পর, আদিল তাকে ছাদে দেখে রাগে ফেটে যায়। সামান্তাকে ভার্সিটি ড্রপ করতে গাড়ি চালানোর সময় সে বুঝতে পারে, সামান্তা তাকে চিনছে না—এবং তার স্বামীকে লাফাঙ্গা বলছে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৩ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদির বোকা বনানো

সামান্তা আদির বদনাম করার প্রতিশোধ নেয় গাড়িতে বসেই। আদি রাগে স্পিড বাড়ায়, কিন্তু সামান্তা ভয় পায় না। সন্ধ্যায় লুডুর গুটি ছড়িয়ে পড়লে আদিকে গুগল করতে বাধ্য করে সে। আদি বোকা বনে যায়, আর সামান্তা হাসে জয়ী হয়ে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৪ | সামান্তার ওড়না ও আদির রাতের ফোন

আদি সামান্তাকে সরিষা ক্ষেতের কথা শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়। ছাদে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সকালে অনুপযুক্ত পোশাকে বের হওয়ায় আদি রাগে ফোঁস করে, গার্ডদের হুমকি দেয়। রাতে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে আদি, সামান্তা তাকে থাপ্পড়ের হুমকি দেয়। আদি নিজেকে হাসব্যান্ড বলে দাবি করে, সামান্তা বিস্মিত হয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৫ | সাইকেল দুর্ঘটনা ও শপিংয়ের গোপন দৃষ্টি

সামান্তা নিশির সাজানো সাইকেলে ঘুরছে, আদি দেখে হা করে যায়। দুজনে পড়ে যায়, সামান্তার হাতে ক্ষত। আদি তাকে কোলে তুলে নেয়, মেডিসিন লাগায়। পরে হলুদ পোশাকে আদি সামান্তাকে রাগায়। শপিংয়ে রাহুলের সাথে সামান্তাকে দেখে আদি রাগে ফুঁসে ওঠে, বাড়িতে শোধ নেওয়ার হুমকি দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৬ | আদির রাগ, সামান্তার কষ্ট ও এনগেজমেন্টের রাতে আবেগের বন্যা

আদি সামান্তাকে শপিংয়ে অন্য ছেলের সাথে দেখে রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তা ক্ষুব্ধ হয় যখন আদি তাকে কাজিন বলে পরিচয় দেয়। নিশির এনগেজমেন্টে সামান্তা সুন্দর সাজে, আদি মুগ্ধ হয়। রাজের সাথে ডান্সে জ্বলে আদি, রুমে ঢুকে সামান্তাকে কোমড়ে চেপে ধরে এবং গালে চুমু দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৭ | সামান্তার আঘাত, আদির উদ্বেগ ও রাজের অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব

সামান্তাকে ফুপ্পি আয়েশা খান থাপ্পড় মারে ফোন ভাঙার অজুহাতে। আদি গালের দাগ দেখে রাগে ফুঁসে ওঠে এবং পরিবারকে জিজ্ঞাসা করে। রাজ কানাডার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামান্তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। আদি পার্টিতে সামান্তাকে সতর্ক করে ফোনে, রাজ থেকে দূরে থাকতে বলে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৮ | রাজের ফোন, আদির ভালোবাসা ও রহস্যময় অপহরণ

রাতে রাজের অপ্রত্যাশিত ফোনে বিপদে পড়ে সামান্তা। আদি ছাদে ভালোবাসা স্বীকার করে, কিন্তু সামান্তা মোহ বলে উড়িয়ে দেয়। পরদিন রাতে কে যেন সামান্তাকে অপহরণ করে। আদি না রাজ? রহস্য ঘিরে রাখে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষা।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৯ | কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে আসা সামান্তার আতঙ্ক ও আদির রোমান্টিক জোরজবরদস্তি

আদি সামান্তাকে কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে যায়। সামান্তা প্রথমে ভয় পেলেও আদির আবেগঘন আচরণে বিভ্রান্ত হয়। রাতে আদি তাকে জোরে চুমু দেয় এবং ভালোবাসার স্বীকারোক্তি করে। সামান্তা অন্য রুমে ঘুমাতে চাইলে আদি সব দরজা লক করে দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১০ | হানিমুনের পর আদি-সামুর নতুন দিন ও রাস্তায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা

আদি-সামু হানিমুন থেকে ফিরছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সামু আদির যত্ন দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু আদির কিউট আচরণে রাগ-ভালোবাসা মিশে যায়। রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনায় আদি আহত হয়। সামু রেগে আগুন হয়ে দুষ্টু ড্রাইভারকে মারতে ছোটে। আদি বুঝতে পারে, সামু তাকে ভালোবাসে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১১ | মেহেদী অনুষ্ঠান, আদির রোমান্টিক উত্তেজনা ও রাজের ভিডিও ব্ল্যাকমেইল

মেহেদী অনুষ্ঠানে আদি সামান্তাকে ডার্ক বেগুনি শাড়ি পরায়, রোমান্টিক উত্তেজনা ছড়ায়। আদি সামুর পিঠ চুলকায়, কিস করে বিভ্রান্ত করে। হঠাৎ রাজের কল, ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের হুমকি। সামান্তা ভয়ে কাঁপে, লাল গাড়িতে উঠে বসে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই নতুন সংকটের আভাস।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১২ | রাজের ব্ল্যাকমেইল, সামান্তার বিপদ ও আদির রোমাঞ্চকর উদ্ধার

রাজ নিশির চেঞ্জিং ভিডিও দিয়ে সামান্তাকে ব্ল্যাকমেইল করে গোপন জায়গায় নিয়ে যায়। সামান্তা গোপনে রেকর্ডিং চালিয়ে রাখে। আদি লোকেশন ট্র্যাক করে ছুটে আসে, রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তাকে থাপ্পড় মারে, কিন্তু পরে সব শুনে ভেঙে পড়ে। রাজকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আদি বেরোয়, কিন্তু সামান্তা আটকায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১৩ | আদির গ্রেফতার, সামান্তার অপরাধবোধ ও ফিরে আসা ভালোবাসা

আদি রাজকে মারধর করায় থানায় আটক হয়। সামান্তা আতঙ্কিত, মা-নানীর চড়ে ভেঙে পড়ে। নিশি সামুকে সান্ত্বনা দেয়, কিন্তু বাড়িতে তৈরি হয় শোকের পরিবেশ। আদি ফিরে এলে সামুর চোখের জলে ভালোবাসা ফিরে পায়। আদি স্বীকার করে, সব কিছু সামুর জন্যই করেছে।