গল্প টু সিস্টার দ্বিতীয় পর্ব
উর্মি ক্লাস নাইনে কমার্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করল। বাড়িবাড়ি কাজ করা অশিক্ষিত মা তার ইচ্ছের গুরুত্ব দিলেন। উর্মির 'উর্মি কেয়ার' পেইজটি জনপ্রিয়তা পেতে লাগল।
উর্মি ক্লাস নাইনে কমার্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করল। বাড়িবাড়ি কাজ করা অশিক্ষিত মা তার ইচ্ছের গুরুত্ব দিলেন। উর্মির 'উর্মি কেয়ার' পেইজটি জনপ্রিয়তা পেতে লাগল।
আমার মা ঢাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ছুটা কাজ করে। আমি আর আমার ছোট বোন গ্রামের বাড়িতে আমার নানুর কাছে থাকি। আমার বয়স যখন সাত বছর আর ছোট বোনটার চার।তখন একদিন আমার বাবা আমাদেরকে নানুর বাড়ি রেখে চলে গেছে।
রেজোয়ান নিলিকে বসিয়ে দিয়ে বেরিয়ে গেলো তিন্নি। রেজোয়ানকে রুমে নিয়ে এলো ফুয়াদ। নিলি চুপচাপ বিছানায় বসে রইলো। রেজোয়ান ওয়াশরুমে ঢুকে পড়লো। হুট করে নিলির মুখোমুখি হতে সংকোচ লাগছে।
রেজোয়ানের বিছানার পাশে নিলি বসে আছে। রেজোয়ান সচেতন হয়ে নিলিকে জিজ্ঞাসা করে 'এসেছো নিলি?'। নিলি রেজোয়ানের জন্য কাঁদছে। রেজোয়ান নিলিকে বলে শাস্তি দেওয়ার কথা।
রেজোয়ান বিদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য তাড়া দিতে শুরু করেছে। শায়লা মুরসালীন ছেলের বিয়ে দিয়ে তবে দেশ ছাড়বেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রেজোয়ান বিয়ের প্রস্তাবে নারাজ।
রেজোয়ান দেশে ফিরেছে তিন বছর পর। শায়লা মুরসালীন খুশিতে আত্মহারা। তিন্নি সন্তানসম্ভবা। রেজোয়ান নিলিকে দেখে বিমূঢ়। নিলি এখন ওয়েটার, রেস্টুরেন্টে কাজ করে। রেজোয়ান নিলির সাথে দেখা করে এবং নিলি রেজোয়ানের জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে।
তিন্নি অন্ধকারে কেঁদে ফেলে। ফুয়াদ ঘরে এসে দেখে তিন্নি কাঁদছে। ফুয়াদ তিন্নিকে খেতে ডাকে। তিন্নি খেতে অস্বীকার করে। ফুয়াদ তিন্নির কান্নার কারণ জানতে চায়। তিন্নি বলে, সে একজনের প্রেমে পড়েছিল।
তিন্নির কাছে সেদিন রাতে কোন ফোন এলো না। ফুয়াদ ফোন করলেও তিন্নি সংকোচে ঠিকমত কথা বলতে পারে নি। ফুয়াদ বাসায় এসে তিন্নির সঙ্গে দেখা করে এবং কফি খায়।
নিলির জ্ঞান ফিরে আসে ১২ ঘন্টা পরে। ডাক্তাররা তাকে ২৪ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রাখে। নিলির চিকিৎসার জন্য রেজোয়ান প্রচুর টাকা খরচ করে। জাহিদ নিলির পাশে থাকে।
রেজোয়ান প্লেনে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছে, জাহিদের ফোন পেতে চেষ্টা করছে। জাহিদ জানায় নিলি অ্যাক্সিডেন্ট করে হস্পিটালাইজ। রেজোয়ান অস্থির হয়ে পড়ে।
রেজোয়ান বিদেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শায়লা মুরসালীন রেজোয়ানকে ঐ মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ না করার শপথ নিতে বলে। রেজোয়ান শপথ নিতে অস্বীকার করে।
নিলি হস্পিটালে এসেছে রেজোয়ানের সঙ্গে দেখা করতে। জাহিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করে নিলি ভেতরে ঢুকে রেজোয়ানের সঙ্গে কথা বলে। রেজোয়ান নিলিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।