চারুলতা | পর্ব ৬ | গভীরে তলিয়ে যাওয়া ও ভবিষ্যতের অশুভ সন্তান

চারুলতা ও মৃধা রক্তের কুয়োতে তলিয়ে গিয়ে অজানা জায়গায় পৌঁছায়। মৃধা জানায়, চারুলতার গর্ভে এরিক ধ্বংসের জন্য এক কদাকার সন্তান আসবে, যা রাহুগ্রস্ত সময়ে জন্মালে শুভ শক্তির হবে। চারুলতা বিস্মিত ও ভীত হয়, কিন্তু বাড়ির দিকে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয়।

চারুলতা | পর্ব ৫ | কাটা মাথার রাজ্য ও রক্তের কুয়োতে তলিয়ে যাওয়া

চারুলতা ও মৃধা কাটা মাথার জীবন্ত সমারোহ পেরিয়ে রক্তপূর্ণ কুয়োতে পড়ে। নীচ থেকে অদৃশ্য শক্তি তাদের পা টানছে, আর কালো একচোখা প্রাণীরা কুয়োর দেয়ালে উঠছে। প্রাণ বাঁচানোর শেষ সম্ভাবনা ম্লান হয়ে আসে যখন তারা পচা রক্তের স্রোতে তলিয়ে যায়।

চারুলতা | পর্ব ৪ | সুরঙ্গের ভয়াবহ রহস্য ও মাথাবিহীন লাশের আক্রমণ

চারুলতা ও মৃধা জঙ্গলের মধ্যে এক ভয়াবহ সুরঙ্গে ঢুকে পড়ে। অক্সিজনের অভাবে চারুলতার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, আর মাথাবিহীন লাশ তাদের গলা চেপে ধরে। হাত মুচড়ে আক্রমণ থেকে মুক্তি পেয়ে তারা দৌড়ে পালায়, কিন্তু সুরঙ্গের রহস্য এখনও অনুসন্ধানের অপেক্ষা রাখে।

চারুলতা | পর্ব ৩ | নাগিনের রহস্য ও চারুলতার সুপ্ত শক্তি

চারুলতা জঙ্গলে অজ্ঞাত আক্রমণকারীদের হাত থেকে এক সুন্দরী মেয়েকে উদ্ধার করে। মেয়েটি নিজেকে ইচ্ছাধারী নাগিন মৃধা বলে পরিচয় দেয়। চারুলতার চোখে খুনের সময় জ্বলে ওঠা অগ্নি লাভা ও গলায় উল্টো তীরচিহ্ন দেখে মৃধা বুঝতে পারে তার মধ্যে শুভ শক্তি নিহিত আছে। চারুলতা নিজের পরিচয় ও শক্তি নিয়ে বিস্মিত হয়।

চারুলতা | পর্ব ২ | নারিকেল গাছের পেছনে লুকোনো ও মামার ভয়ংকর বলি

চারুলতা নারিকেল গাছের পেছনে লুকিয়ে মামার ভয়ংকর বলি দেখে। নবজাতক শিশু ও ১৬ বছরের তরুণীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পিশাচ দেবীকে উৎসর্গ করে মামা। অদৃশ্য কণ্ঠস্বর তাকে সতর্ক করে পালাতে, কারণ শুধু চারুলতাই এরিকের ধ্বংস ঘটাতে পারবে।

চারুলতা | পর্ব ১ | মামার শয়তান পূজা ও ভাগ্নীর নরক যন্ত্রণা

চারুলতা মামার কালো জাদু ও শয়তান পূজার সাক্ষী। বাবা-মায়ের হত্যার পর তার উপর নেমে আসে নরকের যন্ত্রণা। পিশাচী দেবীর আদেশে মামা তাকে বিয়ে করে নগ্ন অবস্থায় আটকে রাখে। পনেরো দিন পর চন্দ্রগ্রহণের সময় তাকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

#তোকে চাই | শেষ পর্ব | শুভ্রতার জন্মদিন ও শুভ্রের চিরন্তন ভালোবাসা

শুভ্রতার তিন বছর পূর্তি উদযাপনে আনন্দে ভরপুর পরিবার। শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে বলে—"তোকে চাই" তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত। রোদেলা মনে মনে জানায় ভালোবাসা। পুচকি মামনি, চকলেটের লোভ, ছোট্ট তৌফিকের মিষ্টি কথা—সবেতে মিশে আছে প্রেম, হাসি আর চিরন্তন সম্পর্কের গল্প।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৫ | রোদেলার নাম দেওয়ার আনন্দ ও শুভ্রের মাথা নষ্ট ভালোবাসা

রোদেলা ও শুভ্রের পরিবারে আনন্দের ছড়াছড়ি, রুহির ছেলের নামকরণ নিয়ে উচ্ছ্বাস। রোদেলা ও মামানি মিলে নাম সাজেস্ট করেন 'রাফসান আহমেদ তৌফিক'। রাতে শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে নিয়ে ভবিষ্যতের বাচ্চার নামও ভাবেন—'রোধৌশী' ও 'রেদুয়ান'। মাথা নষ্ট ভালোবাসার এই মুহূর্তে প্রেম ও পরিবারের গরম সম্পর্ক উজাড় হয়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৪ | রুহির প্রসব যন্ত্রণা ও অভ্রের ভাঙা মন

অভ্র ভাইয়া রুহির প্রসব যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, চোখে অবিরাম জল। ডাক্তার বেবির খবর দিলেও অভ্র চান শুধু রুহির সুস্থতার নিশ্চয়তা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে এখনো বিপদমুক্ত নন রুহি। শুভ্র ও রোদেলা চিন্তায় আড়ষ্ট। নতুন জীবনের আনন্দ চাপা পড়েছে পুরনো ভালোবাসার বিপদের আশঙ্কায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৩ | রোদেলার গর্ভবতী ভয় ও শুভ্রের নামায় কান্না

রোদেলা ও শুভ্র গায়েনী চেম্বারে অপেক্ষা করছেন, যেখানে সাহেল ভাইয়া তার প্রেগন্যান্ট স্ত্রী নাবিলাকে নিয়ে আসেন। ডাক্টর রোদেলার বয়স ও গর্ভাবস্থার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন, যা শুভ্রকে ভেঙে দেয়। রোদেলা ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু শুভ্র বলেন—"আমি মানুষ, খুনী না"। তারপর আপুর অকাল লিভার পেইনের খবর আসে, সব মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৪২ | রোদেলার রান্নাঘরের প্রেম ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা রান্নাঘরে সবজি কাটছিলেন, হঠাৎ শুভ্র এসে রেগে উঠলেন। কিন্তু পরক্ষণেই তিনি তাকে জড়িয়ে ধরেন আর ফল খাওয়ান। রাতে বই পড়তে গিয়ে পিছনে শুভ্রকে দেখে রোদেলা বিরক্ত হন, কিন্তু শুভ্র কোলে তুলে নিয়ে বলেন—"আমাকে এনার্জি কালেক্ট করতে হেল্প করো"।

#তোকে চাই | পর্ব ৪১ | রোদেলার ভয়ানক দুঃস্বপ্ন ও শুভ্রের অসীম ভালোবাসা

রোদেলা ভয়ানক দুঃস্বপ্নে দেখে শুভ্র তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করছে। ঘুম থেকে চিৎকার করে জেগে উঠে সে শুভ্রকে দূরে ঠেলে দেয়। শুভ্র বুঝতে পারে সে ভয়ে কাঁপছে। তিনি তাকে জড়িয়ে নিয়ে আশ্বাস দেন—তাদের বাচ্চাকে কেউ ছোঁয়া দিতে পারবে না। রোদেলা বুঝে যায়, তার স্বামীর বুকেই সে ও তার সন্তান নিরাপদ।