বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৫ | ভয়ংকর জায়গা ও কাননের আগ্রাসন

রমিও পিকনিক স্পটের ভয়ংকর ইতিহাস জানিয়ে রাতে থাকা থেকে বিরত রাখতে চায়। কানন তাকে জোর করে সামনের সিটে বসতে চায় এবং আগ্রাসন চালায়। রমিও প্রতিরোধ করে, আন্টি হস্তক্ষেপ করেন। ম্যাডাম হাসতে হাসতে পিছনে শুয়ে পড়েন, রমিও ভাবে—এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নেই।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৪ | ক্লাসের কানন ও ম্যাডামের বডিগার্ড

রমিও ভার্সিটি ক্লাসে জুলি ও কাননের বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। মেয়েদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, কিন্তু কাননের আগ্রাসন ও ম্যাডামের ক্রাশ তাকে চাপে ফেলে। শেষে আন্টি তাকে জানায়—সে আসলে দুজনেরই বডিগার্ড।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৩ | ভার্সিটির হয়রানি ও কাননের চ্যালেঞ্জ

রমিও জুলির ভার্সিটিতে প্রথম দিনেই তাকে হয়রানি করা ছেলেদের হাত থেকে বাঁচায়। কানন তাকে চ্যালেঞ্জ করে গাড়িতে উঠতে, আর রমিও মানসিকভাবে চাপে থাকে। পরদিন সে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে জুলির ক্লাসে উপস্থিত থাকার অনুমতি পায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ২ | রমিওর প্রথম দিন ও জুলির রাগ

রমিও নতুন চাকরিতে যোগ দেয় এবং জুলি নামের রাগী মেয়েটির বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রথম দিনেই জুলির কাছ থেকে ঠাসা খায়, খাওয়ার টেবিলে তার উপর তাকানো কাননের সাথে তর্ক হয়। সকালে রুমে ঢুকে কানন তাকে বিরক্ত করে, রমিও বুঝতে পারে এই চাকরি সহজ হবে না।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১ | আরফিনের নতুন চাকরি ও রহস্যময় পরিবার

আরফিন সুমন নামের এক যুবক মামার সাহায্যে এক ধনী পরিবারের মেয়ের বডিগার্ড হিসেবে চাকরি পায়। বাড়িটি দেখে মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু জানতে পারে না কার পাহারায় রাখা হবে। মামা জানায়, পরিবারটি বড় ব্যবসায়ী, প্রায় সব সময় বিদেশে থাকে। আরফিন বিকালে যোগদানের জন্য প্রস্তুত হয়, অজানা ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৫ | জুলির চলে যাওয়া ও আরফিনের পুনর্মিলন

জুলি আরফিনের রাগে আহত হয়ে চলে যায়, কিন্তু চাচা তাকে জোর করে ফিরিয়ে আনে। আরফিন তাকে উদ্ধার করে বৃষ্টিতে ভেজা রাস্তায় ভালোবাসা স্বীকার করে। দুজনের মাঝে রাগ ভেঙে পুনর্মিলন হয়, ভালোবাসা চূড়ান্তভাবে পূর্ণতা পায়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৪ | জুলির সাথে সাগরের কথা ও আরফিনের হিংসা

আরফিন জুলির মামাবাড়িতে এসে তাকে খুঁজে পায় না। পরে দেখে জুলি সাগর নামের এক ছেলের সাথে কথা বলছে। আরফিনের মন খারাপ হয়, সে জুলিকে জিজ্ঞাসা করে। ঘুরতে যাওয়ার সময় জুলি সাগরকে সাথে নেয়, আরফিন হিংসা বোধ করে। ফিরে ঝগড়া হয়, আরফিন জুলিকে ক্যারেক্টারহীন বলে, জুলি রুষ্ট হয়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১৩ | জুলির মামাবাড়ি ও চাচার হুমকি

আরফিন ও জুলি মামাবাড়ির পথে যাচ্ছে। গাড়িতে তাদের মধ্যে নিরবতা, জুলি লুকোচুরি খেলে আরফিনকে রাগান্বিত করে। পরে আরফিন ক্ষমা চায়। এদিকে জুলির চাচা নানুবাড়িতে হানা দিয়ে তার বিয়ের খবর চায় এবং ঠিকানা না পেয়ে হুমকি দেয়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১২ | চিমটির প্রতিশোধ ও চাচার হুমকি

আরফিন জুলির সাথে সোফায় বসে থাকাকালীন জুলি তাকে চিমটি মারে, আম্মু এসে তাকে বকা দেয়। পরদিন সকালে জুলির ব্লাউজের বোতাম লাগানোর সময় আরফিনের স্পর্শে সে চমকে ওঠে। এদিকে জুলির চাচা তাকে খুঁজে না পেয়ে হুমকি দেয় ছেলেকে খুন করে ফেরত আনার।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১১ | রফিকের সাক্ষাৎ ও জুলির মামাবাড়ির প্রস্তাব

আরফিন অফিস থেকে ফেরার পথে রফিক নামের এক ছেলের সাথে দেখা করে, যে মায়ের জন্য ফুল বিক্রি করে। তার কাছ থেকে প্রেরণা পেয়ে আরফিন জুলির জন্য ফুল আনে। জুলি ভার্সিটিতে হয়রানির পর মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। আরফিন তাকে সান্ত্বনা দেয়, খোঁপা করে ফুল গেঁথে দেয় এবং মামাবাড়ি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ১০ | জুলির ভার্সিটি যাত্রা ও অফিসে ইমামুলের প্রশ্ন

জুলি ভার্সিটির প্রথম দিন সাজগোজ করে রেডি হয়। আপু তাকে নিতে আসে, আরফিন তাকে অফিসে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। জুলি তার জন্য টিফিন বানায় ও চিরকুটে ভালোবাসার ইঙ্গিত দেয়। অফিসে বন্ধু ইমামুল তাকে জুলি নিয়ে প্রশ্ন করে, আরফিন সত্য গোপন করে রাখে।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ৯ | জুলির ভার্সিটি যাত্রা ও অতীতের ছায়া

জুলি জ্বর সারার পর ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য রওনা হয়। পথে তার অতীতের হবু বর তাদের আটকায় এবং হুমকি দেয়। আরফিন তাকে মারধর করে বাঁচায়, কিন্তু নিজের হাত কেটে ফেলে। জুলি তার জন্য যত্ন নেয়, আরফিন ভাবে—কেন এত গভীরে জড়িয়ে যাচ্ছে সে?