নাইওরি | পর্ব ৬ | জেসমিন-রঞ্জুর গোপন দেখা ও মিত্তির দিঘির রহস্য

জেসমিন কুটুমবাড়িতে এসেছে, আর রঞ্জু অপ্রত্যাশিতভাবে তার কাছে আসে। মানিকের সাহায্যে ঠিকানা পেয়ে রঞ্জু জেসমিনকে দেখতে আসে। দুজন মিত্তির দিঘিতে ডোঙায় বসে কথা বলে, যেখানে জেসমিন দিঘির রহস্যময় কাহিনী শোনায়। কিন্তু ইয়াসিন আলী তাদের দেখে ফেলে, আর তারা সাঁতরে পালায়। রাতে রঞ্জু জেসমিনের জ্বরের খবর পেয়ে জানালায় আসে।

নাইওরি | পর্ব ৫ | জমির দ্বন্দ্ব ও জেসমিন-রঞ্জুর প্রেম

হারুন ব্যাপারী ও জয়নাল মির্জার মধ্যে জমির দখল নিয়ে উত্তেজনা চরমে। এদিকে জেসমিন ও রঞ্জু গোপনে দেখা করে, প্রেমের স্বপ্ন দেখে। মানিক তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, কিন্তু জেসমিন আত্মবিশ্বাসী। রঞ্জু চাকরি শুরু করে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রতিজ্ঞা করে।

নাইওরি | পর্ব ৪ | রঞ্জুর পরিচয় ও জেসমিনের প্রথম দেখা

জেসমিন রঞ্জুকে ভীতু বলে চিঠি লেখে, কিন্তু রঞ্জুর আবেগঘন উত্তরে তার মন নরম হয়। কামিনী ফুলের গাছের পানি দেওয়ার আমন্ত্রণে জেসমিন রঞ্জুর সাথে প্রথমবার মুখোমুখি হয়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার প্রথম মুহূর্ত, আর মতি হয়ে ওঠে তাদের গোপন যোগাযোগের চাবিকাঠি।

নাইওরি | পর্ব ৩ | রঞ্জুর চিঠি ও জেসমিনের অপেক্ষা

জেসমিন রঞ্জুর চিঠি পায়, যেখানে কামিনী ফুল ও কবিতার মাধ্যমে তার ভালোবাসা জানানো হয়। চিঠির রহস্যময় প্রেরক কে সে নিয়ে জেসমিনের মন ঘোরে। সপ্তাহখানেক পর আবার চিঠি আসে, আর জেসমিন ধীরে ধীরে রঞ্জুর প্রতি আকৃষ্ট হয়।

নাইওরি | পর্ব ২ | জেসমিনের আমভর্তা ও রঞ্জুর প্রথম দেখা

আষাঢ়ের বৃষ্টিভেজা দিনে জেসমিন পুকুরঘাটে আমভর্তা বানাচ্ছিল, আর রঞ্জু ধান বাঁচাতে এসে তাকে প্রথম দেখে মুগ্ধ হয়। বৃষ্টির মধ্যে একসাথে হোগলা তুলতে গিয়ে দুজনের চোখাচোখি, কিন্তু মানিক রঞ্জুকে সতর্ক করে দেয়—জেসমিন চেয়ারম্যানের মেয়ে, স্পর্শ করা নিষিদ্ধ।

নাইওরি | পর্ব ১ | জেসমিনের নাটক শোনার বায়না ও রঞ্জুর ডায়েরি

কেশবপুর গ্রামের প্রভাবশালী চেয়ারম্যান জয়নাল মির্জার বাড়িতে আষাঢ়ের বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় নাটক শোনার আসর। তার কন্যা জেসমিন নাটক শোনার জন্য বায়না করে বারান্দায় জায়গা পায়। অন্যদিকে, সূর্যমনি গ্রামে ফিরে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রঞ্জু ডায়েরি লিখে ক্ষোভ উদ্বেগ উদ্গীরণ করে, শহরের স্মৃতি আর গ্রামের নিস্তব্ধতায় মন ভারী।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৬ এবং অন্তিম পর্ব | ইয়াদের জন্মদিন ও দুআর গর্ভাবস্থার শেষ মুহূর্ত

ইয়াদের জন্মদিনে দুআ গোপনে সারপ্রাইজ আয়োজন করে। গর্ভাবস্থার শেষ মাসে ক্লান্ত হলেও স্বামীর জন্য কেক বানায়, ঘর সাজায়। ইয়াদ ফিরে এসে সব দেখে আবেগাপ্লুত হয়। রাতে দুজনের মধ্যে ভালোবাসার গভীর মুহূর্ত ঘনীভূত হয়, আর দুআ তার শেষ প্রশ্ন রাখে: তার দাগওয়ালা মেয়ে কি একদিন তার মতো ভালো জীবন পাবে?

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৫ | দুআর পেট ব্যথা ও ইয়াদের ফিরে আসা

দুআর পেট ব্যথা ও পায়ের টানে ইয়াদ জেগে উঠে তাকে যত্ন করে। ঔষধ মিস করায় রাগ হলেও সে তাকে শান্ত করে। ডাক্তার আসেন এবং বেডরেস্টের পরামর্শ দেন। ইয়াদ ফিরে এসে দুআকে মিস করে এবং বৃষ্টিতে ফোয়ারার পাশে তার সাথে মধুর মুহূর্ত কাটায়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩৪ | ঢাকায় ফেরা ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি

ইয়াদ ও দুআ ঢাকায় ফিরে আসে। ফ্লাইটে দুআর বমি হয়, ইয়াদ তাকে সান্ত্বনা দেয়। বাড়িতে পৌঁছে দুআ ঘুমিয়ে পড়ে। জিয়া ও মারিয়া তাকে জড়িয়ে নেয়। ইয়াদ লাগেজ গুছায়। জানা যায় দুআ গর্ভবতী। ইয়াদ ও দুআ আবার মিলনের প্রস্তুতি নেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩২+৩৩ | দুআর গর্ভবতী হওয়া ও ইয়াদের প্রতিক্রিয়া

দুআ হাসপাতালে মাইশার প্রসবের সময় অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ইয়াদ তার অবস্থা জেনে চট্টগ্রাম ছুটে আসে। দুআ তাকে গর্ভবতী হওয়ার কথা জানায়, ইয়াদ প্রথমে রাগ করলেও পরে তাদের সন্তানকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩১ | ইয়াদের ফিরে আসা ও দুআর কান্না

ইয়াদ চট্টগ্রামে ফিরে আসে ক্রিকেট ম্যাচ জিতে এবং দুআকে জড়িয়ে ধরে তার কান্না থামায়। রিয়াদ জিয়ার প্রেমের প্রস্তাব দেয়, ইয়াদ সমর্থন করে। রাতে ছাদে বসে ইয়াদ-দুআ ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটায়, যেখানে প্রকৃতি ও ভালোবাসা মিলে রোমাঞ্চ তৈরি করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩০ | ইয়াদের বিদায় ও দুআর লুকানো কান্না

ইয়াদ ও দুআর ভোরের মুহূর্তগুলো কাটে প্রেমের নীরব আদান-প্রদানে। কিন্তু ক্রিকেট কোচিংয়ের ডাকে ফিরতে হবে ইয়াদকে। বিদায়ের আগে দুআকে জড়িয়ে ধরে সে, আর দুআ লুকায় অশ্রু। ইয়াদের চলে যাওয়ার পর ইশফাক ফের মাথা চাড়া দেয়, প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তার চোখ।