#তোকে চাই | পর্ব ৪২ | রোদেলার রান্নাঘরের প্রেম ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা রান্নাঘরে সবজি কাটছিলেন, হঠাৎ শুভ্র এসে রেগে উঠলেন। কিন্তু পরক্ষণেই তিনি তাকে জড়িয়ে ধরেন আর ফল খাওয়ান। রাতে বই পড়তে গিয়ে পিছনে শুভ্রকে দেখে রোদেলা বিরক্ত হন, কিন্তু শুভ্র কোলে তুলে নিয়ে বলেন—"আমাকে এনার্জি কালেক্ট করতে হেল্প করো"।

#তোকে চাই | পর্ব ৪১ | রোদেলার ভয়ানক দুঃস্বপ্ন ও শুভ্রের অসীম ভালোবাসা

রোদেলা ভয়ানক দুঃস্বপ্নে দেখে শুভ্র তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করছে। ঘুম থেকে চিৎকার করে জেগে উঠে সে শুভ্রকে দূরে ঠেলে দেয়। শুভ্র বুঝতে পারে সে ভয়ে কাঁপছে। তিনি তাকে জড়িয়ে নিয়ে আশ্বাস দেন—তাদের বাচ্চাকে কেউ ছোঁয়া দিতে পারবে না। রোদেলা বুঝে যায়, তার স্বামীর বুকেই সে ও তার সন্তান নিরাপদ।

#তোকে চাই | পর্ব ৪০ | রোদেলার গর্ভবতী উদ্বেগ ও শুভ্রের অতি ভালোবাসা

রোদেলা গর্ভবতী হওয়ায় শুভ্রের অতিরিক্ত সুরক্ষা ও অফিস না যাওয়ায় বিরক্ত হয়। সারা বাড়িতে কার্পেট বিছানো ও মামুর ডাকেও অফিস না যাওয়ায় তার রাগ চড়ে যায়। খাওয়ার টেবিলে অভ্র ভাইয়ার আপুর প্রতি একই ভাবমূর্তি দেখে হাসি পায়। রাতে শুভ্র ক্লান্ত হয়ে ফিরে এসে কোলে মাথা রেখে বাচ্চাকে নরম করে সতর্ক করে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৯ | রোদেলার গর্ভবতী সংবাদ ও শুভ্রের আগুনে রাগ

রোদেলা জানতে পারে সে গর্ভবতী, কিন্তু শুভ্রের কাছে সাহস করে বলতে পারে না। যখন শুভ্র প্রেগনেন্সি রিপোর্ট খুঁজে পায়, তীব্র রাগে ফেটে পড়ে। চিৎকার, ভাঙা ফুলদানি, লাথি—সবের মাঝে উঠে আসে তার ভয়: রোদেলাকে হারানোর আতঙ্ক। অবশেষে চোখের জলে সারি দেয় সে ভুল, আর রোদেলা বুঝে যায়—ভালোবাসার গভীরতা রাগের চেয়েও বড়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৮ | শুভ্রের ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও রোদেলার নীরব কান্না

শুভ্র নদীর পাড়ে রোদেলাকে শাড়িতে দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। পা ভিজিয়ে গান গেয়ে মন হালকা করার পর সে স্বীকার করে—ভালোবাসে রোদেলাকে। নীলিমার স্মৃতি নিয়েও তাকে ছাড়তে চায় না। রোদেলা কাঁদে, কিন্তু কথা বলতে পারে না। ভালোবাসার এই গভীর মুহূর্তে দু'জনের হৃদয় মিলে এক হয়ে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৭ | মামানির বাচ্চা ভাবনা ও শুভ্রের ‘পুচকি’ পাসওয়ার্ড

মামানি শুভ্র ও রোদেলার কামড়াকামড়ি দেখে বাচ্চা নিয়ে ভাবতে শুরু করেন, কিন্তু শুভ্র স্বীকার করে ঝগড়ার কারণে কামড়ানো হয়েছিল। রোদেলা ফোনের পাসওয়ার্ড চাইতেই শুভ্র বলে—"মাই পুচকি"। রোদেলা অবাক, আবেগে ঘোলাটে হয়ে যায়। শেষে শুভ্র তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়, যেখানে সবকিছু রহস্যময় হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৬ | শুভ্রের স্বীকারোক্তি ও রোদেলার মনের ঘোলাটে ভাব

ছাদে দাঁড়িয়ে রোদেলা শুভ্রকে জিজ্ঞাসা করে, যদি নীলিমা ফিরে আসে তবে কী হবে। শুভ্র স্বীকার করে যে নীলি ফিরে এলে রোদেলার সুখ নষ্ট হবে, আর সে তা চায় না। সে বলে—রোদেলা তার প্রতিটি নিশ্বাসে আছে। রোদেলা আবেগে ঘোলাটে হয়ে যায়, আর শুভ্রের স্পর্শে নীরব হয়ে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৫ | রোদেলার কামড় ও শুভ্রের রোমান্স ভাঙা

রোদেলা শুভ্রকে সাহেলের প্রেমের প্রস্তাব নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই উল্টো প্রশ্নে জবাব পায়। পার্কে মেয়েদের তাকানোয় ঈর্ষায় জ্বলে উঠে সে, আর শুভ্রের সাথে সাহেলের কথোপকথনে হৃদয় স্পর্শ করে। রাতে আপুর সাথে ঘুমানোর লড়াইয়ে শুভ্র রোদেলাকে কামড়ে দেয়, আর রোদেলা জবাবে তাকে চুমু দিয়ে জিতে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৪ | শুভ্রের জন্মদিনের সারপ্রাইজ ও রোদেলার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি

শুভ্র রোদেলাকে নিয়ে অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ ফিরে আসে, তাকে কোচিং যেতে নিষেধ করে। রোদেলা তার হাত চেপে ধরে আবেগের সাথে বলে—”আমি তোমাকে ভালোবাসি”। পরে শুভ্র তাকে জন্মদিনের সারপ্রাইজ দেয়—নীলিমার তোলা একটি কিউট ছবির ফ্রেম। রোদেলা আবিষ্কার করে, শুভ্র তার প্রতিটি মুহূর্ত মনে রেখেছে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৩ | শুভ্রের স্বীকারোক্তি ও খালামনির অপমান

শুভ্র সাহেলের বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে ঘোষণা করে রোদেলা তার স্ত্রী। খালামনির কটূক্তির জবাবে শুভ্র আবেগের সাথে স্ত্রীকে আগলে রাখে, বলে—"ওকে মারার চেয়ে ভালোবাসা পুরুষত্ব"। রোদেলা কাঁদে, গর্ব করে তার স্বামীকে নিয়ে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩২ | রোদেলার রান্নাঘরের কষ্ট ও শুভ্রের মধ্যরাতের পাগলামি

রোদেলা শুভ্রের বড় খালামনির কাছে অপমানিত বোধ করে, যে আপুকে নিয়ে কটূক্তি করে। মধ্যরাতে শুভ্র নীলির ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রোদেলাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখে। সকালে সাহেলের মা রোদেলার সাথে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, যা ঘরে চাঞ্চল্য তৈরি করে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩০+৩১ | রোদেলার দুর্ঘটনা ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা শপিং থেকে ফেরার পথে গাড়ি ধাক্কায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। শুভ্র তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু অপারেশন থিয়েটারের সামনে পাগলের মতো আচরণ করে। ডাক্তারদের ছুড়ে ফেলে সে রোদেলাকে ছাড়তে নারাজ। ঘুমের ওষুধ দিয়ে তাকে শান্ত করা হয়। রোদেলা জেগে উঠে শুভ্রের ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পারে।