অনুতপ্ত | পর্ব ৭ | পঙ্গুত্ব ও মায়ের করুণ পরিণতি

অনুতপ্ত গল্পের সপ্তম পর্বে দুর্ঘটনার পর পঙ্গু হয়ে যাওয়া এবং রুবাইয়ার নিষ্ঠুরতায় মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর করুণ কাহিনী ও শোকাবহ মৃত্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

অনুতপ্ত | পর্ব ৬ | রুবাইয়ার মা হওয়ার সিদ্ধান্ত

রুবাইয়া তার বাবাকে নিয়ে মানিকগঞ্জ রওনা হয় শাশুড়িকে নিয়ে আসতে। শাশুড়ি আসার পর ছেলে সিরাতকে ফিরে পাওয়ার আশায় থাকে। রুবাইয়া তার শাশুড়ির সাথে যোগাযোগ রাখে এবং তাকে নিয়ে আসার জন্য মায়ের কাছে অনুরোধ করে।

অনুতপ্ত | পর্ব ৫ | রুবাইয়ার অনুশোচনা ও পুলিশের হুঁশিয়ারি

রুবাইয়া তার সন্তান সিরাতকে ফিরে পেতে পুলিশের সাহায্য চায়, কিন্তু ওসির কঠোর কথায় নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং শাশুড়িকে মেনে নিয়ে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেয়।

অনুতপ্ত | পর্ব ৪ | রুবাইয়ার কঠিন শর্ত

রুবাইয়ার কাছে স্যরি বলে মন নরম করে আমি বাসা থেকে বের হলাম। রুবাইয়া খুশি হলেও আমি আমার আম্মুর বুক থেকে তাকে আলাদা করে নিয়ে চলে গেলাম।

অনুতপ্ত | পর্ব ৩ | মায়ের বিচ্ছেদ ও রুবাইয়ার নিষ্ঠুরতা

অনুতপ্ত গল্পের ৩য় পর্বে রুবাইয়ার চাপে বাধ্য হয়ে নায়ক তার মাকে খালার বাসায় রেখে আসে এবং স্ত্রীর সাথে তার সম্পর্কের চরম তিক্ততা ও সংঘাতের এক করুণ দৃশ্য ফুটে ওঠে।

অনুতপ্ত | পর্ব ২ | রুবাইয়ার কঠিন শর্ত

রুবাইয়ার ফিরে আসা এবং শাশুড়িকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর কঠিন শর্তে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মানসিক কষ্টের এক করুণ কাহিনী, যা পাঠককে আবেগপ্রবণ করে তুলবে।

অনুতপ্ত পার্ট ১

আমার মা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বিধবা হন, আমাকে সাত মাসের পেটে নিয়ে জন্ম দেন। আমার মামা আম্মুর জন্য একটা বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আম্মু রাজি হন। বিয়ের পর লোকটা আমাকে আদর যত্ন করে কিন্তু কিছুদিন পর আমাকে মারধোর করে। আম্মু আমাকে নিয়ে বাড়ি থেকে চলে আসেন। আমি লেখাপড়া শেষ করে সরকারি কর্মকর্তা হই। ভালোবেসে বিয়ে করি রুবাইয়াকে। রুবাইয়া আম্মুকে সহ্য করতে পারে না।