মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৪ | বিয়ের পরক্ষণ ও রূপসার ভয়াবহ অবস্থা

বিয়ের পর রূপসা ভয় ও কান্নায় ভেঙে পড়ে, মাথা ঘোরা নিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বারিশ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে, "মেরি জান, কী হয়েছে?" রূপসার মনে হয় সে আর কোনো দূরত্ব পাবে না। বারিশের নেশাগ্রস্ত দৃষ্টি ও রূপসার মানসিক চাপ এই পর্বের মূল ফোকাস।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৩ | বারিশের অপেক্ষা ও রূপসার ভয়

বারিশ খান ঘুমের মধ্যেই রূপসার ছবি জড়িয়ে রাখে, তার চোখে লাল আগুন। মিথিলা খান জানেন, আজই তার ছেলের সব অপেক্ষার শেষ। অন্যদিকে, রূপসা ভয়ে কাঁদছে—ঔ রাগী ম্যান কী করবে তাকে নিয়ে? পরিবার সান্ত্বনা দিলেও তার মনে ভয়ের ছায়া।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ২ | রূপসার ভয় ও বারিশ খানের অতীত

রূপসা বারিশ খানের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে ভয়ে ভেঙে পড়ে। ছোটবেলা থেকেই তার কাছে সে ছিল ভয়ংকর মানুষ। মা রোজা হায়দার জানান, বিয়ে অনিবার্য। বারিশের সুদর্শন চেহারা আর রাগী স্বভাবের বিপজ্জনক মিশ্রণ রূপসার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ১ | রূপগঞ্জের রুপুসী ও ভয়ানক আয়োজন

মেঘবতীকন্যা রূপসা হায়দার রূপগঞ্জের প্রাণ, যাকে সবাই ভালোবাসে। কিন্তু মায়ের কাছে খবর পাওয়া যায়—নিলয় ভাইজান আর বারিশ খান আসছে। ভয়ে কেঁপে ওঠে রূপসা, কারণ বারিশ খান হলো সেই রাগি এরোগেন্ট ম্যান, যার সাথে তার সারাজীবন কাটানোর আয়োজন হচ্ছে।

চারুলতা | পর্ব ৮ | শেষ পর্ব (শেষ খন্ড) | আত্মার মুক্তি ও অভিশপ্ত বাচ্চার রহস্য

চারুলতার বুকে কামড় দেয় অভিশপ্ত বাচ্চা, মামা তাকে উলঙ্গ করে পিশাচ মূর্তির সামনে নেয়। মৃধার নির্দেশে নিজের রক্তে বাচ্চাকে লেপানো হয়, পিশাচ মূর্তি ভেঙে যায়, মামা ছাই হয়ে যায়, চারুলতার মৃত্যু হয়। বহু বছর পর স্থিতি ও সৌভিক তার হাড় খুঁজে পেয়ে দাফন করে, আত্মার মুক্তি মিলে।

চারুলতা | পর্ব ৮ | শেষ পর্ব (১ম খন্ড) | পেট থেকে আলো ও মৃধার সত্যি কাহিনী

চারুলতার পেট থেকে আলোকরশ্মি বের হয়, ঘর আলো করে। কদাকার শিশু তাকে কামড়ায়, মৃত্যুর কোলে। হঠাৎ মৃধা আসে, নিজের মাথাবিহীন বলির কথা স্বীকার করে। চারুলতাকে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে শালদুধ খাওয়াতে বলে, আগে যেন এরিক না জানে।

চারুলতা | পর্ব ৭ | পেট ফেটে কদাকার সন্তানের জন্ম ও মামার মায়াবল

চারুলতার পেট হঠাৎ ফুলে যায়, মৃধা জানায় সে গর্ভবতী এবং ১৭ দিন পর রাহুগ্রহণের সময় শুভ সন্তান জন্ম নেবে। কিন্তু মামা তাকে ধরে নিয়ে যায়, সব ঘটনা মায়াবল বলে উদ্ঘাটন করে। পেট ফেটে কদাকার শিশু বের হয়, যার রক্তচোখ, কালো গা ও বিকৃত মুখ—চারুলতা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

চারুলতা | পর্ব ৬ | গভীরে তলিয়ে যাওয়া ও ভবিষ্যতের অশুভ সন্তান

চারুলতা ও মৃধা রক্তের কুয়োতে তলিয়ে গিয়ে অজানা জায়গায় পৌঁছায়। মৃধা জানায়, চারুলতার গর্ভে এরিক ধ্বংসের জন্য এক কদাকার সন্তান আসবে, যা রাহুগ্রস্ত সময়ে জন্মালে শুভ শক্তির হবে। চারুলতা বিস্মিত ও ভীত হয়, কিন্তু বাড়ির দিকে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেয়।

চারুলতা | পর্ব ৫ | কাটা মাথার রাজ্য ও রক্তের কুয়োতে তলিয়ে যাওয়া

চারুলতা ও মৃধা কাটা মাথার জীবন্ত সমারোহ পেরিয়ে রক্তপূর্ণ কুয়োতে পড়ে। নীচ থেকে অদৃশ্য শক্তি তাদের পা টানছে, আর কালো একচোখা প্রাণীরা কুয়োর দেয়ালে উঠছে। প্রাণ বাঁচানোর শেষ সম্ভাবনা ম্লান হয়ে আসে যখন তারা পচা রক্তের স্রোতে তলিয়ে যায়।

চারুলতা | পর্ব ৪ | সুরঙ্গের ভয়াবহ রহস্য ও মাথাবিহীন লাশের আক্রমণ

চারুলতা ও মৃধা জঙ্গলের মধ্যে এক ভয়াবহ সুরঙ্গে ঢুকে পড়ে। অক্সিজনের অভাবে চারুলতার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, আর মাথাবিহীন লাশ তাদের গলা চেপে ধরে। হাত মুচড়ে আক্রমণ থেকে মুক্তি পেয়ে তারা দৌড়ে পালায়, কিন্তু সুরঙ্গের রহস্য এখনও অনুসন্ধানের অপেক্ষা রাখে।

চারুলতা | পর্ব ৩ | নাগিনের রহস্য ও চারুলতার সুপ্ত শক্তি

চারুলতা জঙ্গলে অজ্ঞাত আক্রমণকারীদের হাত থেকে এক সুন্দরী মেয়েকে উদ্ধার করে। মেয়েটি নিজেকে ইচ্ছাধারী নাগিন মৃধা বলে পরিচয় দেয়। চারুলতার চোখে খুনের সময় জ্বলে ওঠা অগ্নি লাভা ও গলায় উল্টো তীরচিহ্ন দেখে মৃধা বুঝতে পারে তার মধ্যে শুভ শক্তি নিহিত আছে। চারুলতা নিজের পরিচয় ও শক্তি নিয়ে বিস্মিত হয়।

চারুলতা | পর্ব ২ | নারিকেল গাছের পেছনে লুকোনো ও মামার ভয়ংকর বলি

চারুলতা নারিকেল গাছের পেছনে লুকিয়ে মামার ভয়ংকর বলি দেখে। নবজাতক শিশু ও ১৬ বছরের তরুণীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে পিশাচ দেবীকে উৎসর্গ করে মামা। অদৃশ্য কণ্ঠস্বর তাকে সতর্ক করে পালাতে, কারণ শুধু চারুলতাই এরিকের ধ্বংস ঘটাতে পারবে।