ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৮ | প্লেনের ভয় ও বারিশের জোর করা ভালোবাসা

রূপসা উঁচু জায়গার ভয়ে প্লেনে ওঠার আগেই ভেঙে পড়ে। বারিশ তাকে কাঁধে তুলে জোর করে নিয়ে যায়। প্লেনে বসে রূপসা বারিশের হৃদয়ের শব্দ শুনে শান্ত হয়, কিন্তু তার ভয় ও বারিশের নিয়ন্ত্রণ এই পর্বের মূল ফোকাস।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৭ | রূপসার লজ্জায় লাল মুখ ও বারিশের নির্লজ্জ ভালোবাসা

রূপসাকে পঁচিশ বার জড়িয়ে ধরতে ও গালে চুমু খেতে বাধ্য করে বারিশ। লজ্জায় কাঁদো কাঁদো রূপসা, আর তাতেই তৃপ্ত বারিশ। খাবার টেবিলে রোবটের মতো চুপচাপ থাকার নিয়ম, হাতে খাওয়ানো এবং রূপসার মনের ভাবনা—সবেতে ভরা এই পর্ব।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৬ | বারিশের নিয়ম ও রূপসার ভয়

বারিশের ঘনিষ্ঠতায় ভয়ে কাঁপছে রূপসা। বিছানায় জড়িয়ে ধরা, নেশাগ্রস্ত চোখ, আর কানের কাছে ফিসফিস করা—সবেতে তার মন ভাঙছে। বারিশ তাকে জানায়, সারাজীবন তার বন্দি। রূপসা পায় বিস্তারিত নিয়মের কাগজপত্র, আর জানে—বাসর রাতের আচরণের জন্য শাস্তি আসবে।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৫ | বাসরঘরের ভয় ও বারিশের নেশাগ্রস্ত ভালোবাসা

বাসরঘরে জেগে উঠলো রূপসা, ফুলের সুবাসে ঘিরে। কিন্তু কালো-সাদা রুম আর বারিশের উপস্থিতি তাকে ভয়ে কাঁপিয়ে তোলে। বারিশ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে—"তুমি আমার খাঁচায় আটকা"। নেশাগ্রস্ত প্রেমিকের চোখে রূপসা আর কোনো মুক্তি নেই।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ২ | রূপসার ভয় ও বারিশ খানের অতীত

রূপসা বারিশ খানের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে ভয়ে ভেঙে পড়ে। ছোটবেলা থেকেই তার কাছে সে ছিল ভয়ংকর মানুষ। মা রোজা হায়দার জানান, বিয়ে অনিবার্য। বারিশের সুদর্শন চেহারা আর রাগী স্বভাবের বিপজ্জনক মিশ্রণ রূপসার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করেছে।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ১ | রূপগঞ্জের রুপুসী ও ভয়ানক আয়োজন

মেঘবতীকন্যা রূপসা হায়দার রূপগঞ্জের প্রাণ, যাকে সবাই ভালোবাসে। কিন্তু মায়ের কাছে খবর পাওয়া যায়—নিলয় ভাইজান আর বারিশ খান আসছে। ভয়ে কেঁপে ওঠে রূপসা, কারণ বারিশ খান হলো সেই রাগি এরোগেন্ট ম্যান, যার সাথে তার সারাজীবন কাটানোর আয়োজন হচ্ছে।

#তোকে চাই | শেষ পর্ব | শুভ্রতার জন্মদিন ও শুভ্রের চিরন্তন ভালোবাসা

শুভ্রতার তিন বছর পূর্তি উদযাপনে আনন্দে ভরপুর পরিবার। শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে বলে—"তোকে চাই" তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত। রোদেলা মনে মনে জানায় ভালোবাসা। পুচকি মামনি, চকলেটের লোভ, ছোট্ট তৌফিকের মিষ্টি কথা—সবেতে মিশে আছে প্রেম, হাসি আর চিরন্তন সম্পর্কের গল্প।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৫ | রোদেলার নাম দেওয়ার আনন্দ ও শুভ্রের মাথা নষ্ট ভালোবাসা

রোদেলা ও শুভ্রের পরিবারে আনন্দের ছড়াছড়ি, রুহির ছেলের নামকরণ নিয়ে উচ্ছ্বাস। রোদেলা ও মামানি মিলে নাম সাজেস্ট করেন 'রাফসান আহমেদ তৌফিক'। রাতে শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে নিয়ে ভবিষ্যতের বাচ্চার নামও ভাবেন—'রোধৌশী' ও 'রেদুয়ান'। মাথা নষ্ট ভালোবাসার এই মুহূর্তে প্রেম ও পরিবারের গরম সম্পর্ক উজাড় হয়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৪ | রুহির প্রসব যন্ত্রণা ও অভ্রের ভাঙা মন

অভ্র ভাইয়া রুহির প্রসব যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, চোখে অবিরাম জল। ডাক্তার বেবির খবর দিলেও অভ্র চান শুধু রুহির সুস্থতার নিশ্চয়তা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে এখনো বিপদমুক্ত নন রুহি। শুভ্র ও রোদেলা চিন্তায় আড়ষ্ট। নতুন জীবনের আনন্দ চাপা পড়েছে পুরনো ভালোবাসার বিপদের আশঙ্কায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৩ | রোদেলার গর্ভবতী ভয় ও শুভ্রের নামায় কান্না

রোদেলা ও শুভ্র গায়েনী চেম্বারে অপেক্ষা করছেন, যেখানে সাহেল ভাইয়া তার প্রেগন্যান্ট স্ত্রী নাবিলাকে নিয়ে আসেন। ডাক্টর রোদেলার বয়স ও গর্ভাবস্থার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন, যা শুভ্রকে ভেঙে দেয়। রোদেলা ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু শুভ্র বলেন—"আমি মানুষ, খুনী না"। তারপর আপুর অকাল লিভার পেইনের খবর আসে, সব মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৪২ | রোদেলার রান্নাঘরের প্রেম ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা রান্নাঘরে সবজি কাটছিলেন, হঠাৎ শুভ্র এসে রেগে উঠলেন। কিন্তু পরক্ষণেই তিনি তাকে জড়িয়ে ধরেন আর ফল খাওয়ান। রাতে বই পড়তে গিয়ে পিছনে শুভ্রকে দেখে রোদেলা বিরক্ত হন, কিন্তু শুভ্র কোলে তুলে নিয়ে বলেন—"আমাকে এনার্জি কালেক্ট করতে হেল্প করো"।

#তোকে চাই | পর্ব ৪১ | রোদেলার ভয়ানক দুঃস্বপ্ন ও শুভ্রের অসীম ভালোবাসা

রোদেলা ভয়ানক দুঃস্বপ্নে দেখে শুভ্র তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করছে। ঘুম থেকে চিৎকার করে জেগে উঠে সে শুভ্রকে দূরে ঠেলে দেয়। শুভ্র বুঝতে পারে সে ভয়ে কাঁপছে। তিনি তাকে জড়িয়ে নিয়ে আশ্বাস দেন—তাদের বাচ্চাকে কেউ ছোঁয়া দিতে পারবে না। রোদেলা বুঝে যায়, তার স্বামীর বুকেই সে ও তার সন্তান নিরাপদ।