সিরিজ কনফিউশন

কনফিউশন | পর্ব ১ | কাব্যর প্রথম দেখা ও তিরার ক্রাশ

তিরা আরশির বাড়িতে এসেছে বিশ্রাম নিতে। চায়ের দাওয়াতের আগেই সে নিচতলার নতুন ভাড়াটিয়া কাব্যের সাথে ধাক্কা খায়। প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয় তিরা। কাব্যর চোখ, হাসি, নাম—সব মিলিয়ে তার মন জয় করে নেয়। সে আরশিকে জোর দিয়ে কাব্যর নম্বর চুরি করতে বলে, কিন্তু আরশি প্রত্যাখ্যান করে। তিরার প্রেমের শুরু হয় এক কনফিউশনের মধ্যে দিয়ে।

কনফিউশন | পর্ব ২ | তিরার চা ও বইয়ের প্রেম

তিরা কাব্যর সাথে পরিচিত হতে আরশির সাথে তার ফ্ল্যাটে যায়। কাব্য চা বানায়, তিরা তার চায়ে মুগ্ধ হয়। আরশি কাব্যর বইয়ের আলমারি থেকে 'ফ্রিডম এট মিডনাইট' ধার নেয়। কাব্য-তিরার মধ্যে আলাপ জমে, কিন্তু আরশি নীরব থাকে। তিরা কাব্যকে ফেসবুক আইডি দেয়, কিন্তু আরশিরটি জানা হয় না।

কনফিউশন | পর্ব ৩ | তিরার ক্রাশ ও আরশির বিষন্নতা

তিরা আরশির সাথে রান্নাঘরে সময় কাটায় এবং কাব্যকে নিয়ে উত্তেজিত হয়, কিন্তু আরশি তার সিগারেট খাওয়া ও গালের দাগ নিয়ে সতর্ক করে। কাব্য আরশির ছাদে দাঁড়ানো দৃশ্যে মুগ্ধ হয় এবং ফেসবুকে তিরার রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করে, কিন্তু আরশির বিষন্ন ছবি দেখে গভীরভাবে আকৃষ্ট হয়।

কনফিউশন | পর্ব ৪ | কাব্যের চা ও তিরার রান্নার প্রস্তাব

কাব্য তিরা ও আরশির বাসায় কাজের লোক নিয়ে কথা বলতে আসে। আরশির বানানো চা খেয়ে মুগ্ধ হয় সে এবং চা বানানোর রেসিপি শেখে। তিরা কাব্যকে রান্না করে দেওয়ার মজার প্রস্তাব দেয়, কিন্তু কাব্য হেসে উড়িয়ে দেয়। আরশির প্রতি আকর্ষণ আর তিরার আগ্রাসন কাব্যের জন্য জটিলতা তৈরি করে।

কনফিউশন | পর্ব ৫ | তিরার কাব্যপ্রেম ও আরশির বিরক্তি

তিরা কাব্যর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে হাসতে হাসতে পড়ে যায়, আর আরশি কাব্যর অসভ্য মনে করে বিরক্ত হয়। কাব্য অন্ধকারে হাঁটতে হাঁটতে আরশিকে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু মনের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিরা ও আরশির মধ্যে কাব্য নিয়ে বিতর্ক চরমে।

কনফিউশন | পর্ব ৬ | কাব্যের সাহায্য ও আরশির চা

কাব্য আরশির বাজার তুলে দেয় এবং আরশি অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে চা খেতে ডাকে। তিরা ফটোশ্যুটের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু কাব্য শুধু আরশির উপস্থিতিতে যেতে রাজি হয়। টিভির সিগারেট বিরোধী বিজ্ঞাপনে কাব্য তার রসিকতায় সবাইকে হাসায়।

কনফিউশন | পর্ব ৭ | আরশির সিগারেট বিরোধী যুদ্ধ ও ভাবীর বুদ্ধি

আরশি কাব্যর সিগারেট খাওয়া ও অসভ্যতা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায়, ফটোশ্যুটে যাওয়া মানা করে। তিরা ভাবী রশ্নির কাছে সাহায্য চায়। রশ্নি কাব্যর ভালোগুণের কথা বলে আরশিকে রাজি করাতে চায়, আর তিরা খুশি হয়ে ভাবীর বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে।

কনফিউশন | পর্ব ৮ | আরশির হারানো বুকমার্ক ও কাব্যর সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যর বইয়ের একটি হাতে লেখা বুকমার্ক হারিয়ে ফেলে এবং মাফ চাইতে ফোন করে। কাব্য আশ্চর্য হয়েও সাহস পায়। আরশির মাইগ্রেনের কথা শুনে কাব্য সিগারেট ছাড়ার দ্বন্দ্বে পড়ে, আর আরশি বইয়ের বুকমার্কে লুকানো আবেগ উপলব্ধি করে।

কনফিউশন | পর্ব ৯ | কাব্যর বয়স ও তিরার ভাঙা স্বপ্ন

তিরা জানতে পারে কাব্য আসলে ৩৬ বছরের এবং তাকে মেয়ের মতো দেখে, যা তার প্রেমের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। আরশি বুঝতে পারে কাব্য তিরাকে বোকা বানাচ্ছে, কিন্তু নিজের প্রতি তার আগ্রহের কথা ভেবে মনে মনে বিভ্রান্ত হয়।

কনফিউশন | পর্ব ১০ | আরশির একাকীত্ব ও কাব্যর মুখোমুখি দেখা

একাকী সময় কাটাচ্ছে আরশি। বইয়ের ডেলিভারিতে কাব্যের সাথে মুখোমুখি হয়ে অস্বস্তিতে পড়ে। কাব্য তিরার সাথে সম্পর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু আরশি তাকে 'আঙ্কেল' বলে উপহাস করে। কাব্য অবাক হয় আরশির বুদ্ধিমত্তায়।

কনফিউশন | পর্ব ১১ | আরশির প্রেমের স্বীকারোক্তি ও কাব্যর চালাকি

আরশি কাব্যকে আঙ্কেল বলে উপহাস করে, কিন্তু মনে মনে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। ভাবী রশ্নিকে জিজ্ঞাসা করে নিজের প্রেমের কথা। তিরার বাবা বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর কাব্য চাবি বন্ধ করে আরশির সাথে দেখা করার চালাকি করে।

কনফিউশন | পর্ব ১২ | তিরার নতুন ক্রাশ ও কাব্য-আরশির একাকী যাত্রা

তিরা বিয়ের জন্য দেখা যাদিদের ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং তাকে ফোন করে দুষ্টুমি করে। আরশি হাসপাতালে যায় রশ্নির সন্তান জন্মের সময়। ফেরার পথে কাব্যের সাথে একা যাত্রায় আরশির মনের অবস্থা নিয়ে কাব্য লক্ষ্য করে এবং সিগারেট না খাওয়ার কথা বলে, যা আরশিকে নড়ে দেয়।