ট্যাগ বিয়ের প্রস্তাব

#তোকে চাই | পর্ব ৩৩ | শুভ্রের স্বীকারোক্তি ও খালামনির অপমান

শুভ্র সাহেলের বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে ঘোষণা করে রোদেলা তার স্ত্রী। খালামনির কটূক্তির জবাবে শুভ্র আবেগের সাথে স্ত্রীকে আগলে রাখে, বলে—"ওকে মারার চেয়ে ভালোবাসা পুরুষত্ব"। রোদেলা কাঁদে, গর্ব করে তার স্বামীকে নিয়ে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩২ | রোদেলার রান্নাঘরের কষ্ট ও শুভ্রের মধ্যরাতের পাগলামি

রোদেলা শুভ্রের বড় খালামনির কাছে অপমানিত বোধ করে, যে আপুকে নিয়ে কটূক্তি করে। মধ্যরাতে শুভ্র নীলির ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রোদেলাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখে। সকালে সাহেলের মা রোদেলার সাথে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, যা ঘরে চাঞ্চল্য তৈরি করে।

কনফিউশন | পর্ব ১২ | তিরার নতুন ক্রাশ ও কাব্য-আরশির একাকী যাত্রা

তিরা বিয়ের জন্য দেখা যাদিদের ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং তাকে ফোন করে দুষ্টুমি করে। আরশি হাসপাতালে যায় রশ্নির সন্তান জন্মের সময়। ফেরার পথে কাব্যের সাথে একা যাত্রায় আরশির মনের অবস্থা নিয়ে কাব্য লক্ষ্য করে এবং সিগারেট না খাওয়ার কথা বলে, যা আরশিকে নড়ে দেয়।

কনফিউশন | পর্ব ১১ | আরশির প্রেমের স্বীকারোক্তি ও কাব্যর চালাকি

আরশি কাব্যকে আঙ্কেল বলে উপহাস করে, কিন্তু মনে মনে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। ভাবী রশ্নিকে জিজ্ঞাসা করে নিজের প্রেমের কথা। তিরার বাবা বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর কাব্য চাবি বন্ধ করে আরশির সাথে দেখা করার চালাকি করে।

নাইওরি | পর্ব ৮ | সালিশের পর বিয়ের প্রস্তাব ও রঞ্জু-জেসমিনের মুহূর্ত

সালিশে জেসমিনের সাহসী ভালোবাসা স্বীকারোক্তির পর হারুন ব্যাপারী রঞ্জু-জেসমিনের বিবাহের প্রস্তাব দেন। সকলের সমর্থনে বিয়ে স্থির হয়, আর রঞ্জুকে গাছে বাঁধা থেকে জামাই আদর করা হয়। রাতে তাদের জন্য কয়েক মুহূর্ত একা থাকার সুযোগ হয়, যখন জেসমিন অপরাধবোধ নিয়ে কাঁদে, আর রঞ্জু তাকে শান্ত করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৯ | ইয়াদের বিয়ের প্রস্তাব ও দুআর রাজি

ইয়াদ দুআর বাবার কাছে হঠাৎ বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর দুআর পরিবার চাঞ্চল্যে পড়ে। জ্বরে ভুগছে দুআ, কিন্তু ইয়াদের প্রতি ভালোবাসায় মন ভরে। পরিবারের অনুমতি পাওয়ার পর ছোট আয়োজনে বিয়ে সম্পন্ন হয়। রাতের চাঁদের আলোয় দুআ ও ইয়াদের মধ্যে গড়ে ওঠে রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৭ | ইয়াদের বাবার প্রস্তাব ও দুআর অস্থিরতা

ইয়াদের বাবা সাজ্জাদ সাহেব দুআর বাসায় এসে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন, আর দুআ আনন্দ-উদ্বেগে ভরপুর হয়। ইয়াদ ফোন কেটে সিম ফেলে দেয়, তার রাগের কারণ বন্ধুরা বুঝতে পারে। দুআ ইয়াদের মায়ের সাথে কথা বলে শান্তি পায়, কিন্তু যোগাযোগহীনতায় মন ভারী হয়। ইয়াদ চট্টগ্রামের পথে ছুটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৮ | ইয়াদের আগমন ও বিয়ের ঘোষণা

ইয়াদ অপ্রত্যাশিতভাবে দুআর বাড়িতে আসে এবং তার জ্বরে ভোগা অবস্থায় রাগ-ভালোবাসার মিশ্রণে মুখোমুখি হয়। দুআর অবহেলার আক্ষেপ আর ইয়াদের নিজেকে সামলানোর চেষ্টা উভয়ের মধ্যে তীব্র আবেগের সৃষ্টি করে। শেষে ইয়াদ ঘোষণা করে, সে আজই দুআকে বিয়ে করবে, যে কোনো মূল্যে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১২ | জিয়ার মা-বাবার সত্য ও আয়ানের ব্লান্ডার

জিয়া মা-বাবার কাছে জানে শিয়াকে পিমণির বাড়িতে রাখার পেছনের মর্মান্তিক সত্য। অন্যদিকে, আয়ান ভুল করে শিয়াকে জিয়া ভেবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আর জিয়া ফোনে তাকে স্বাভাবিক ভাবে শুভেচ্ছা জানায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১০ | আয়ানের বিয়ে প্রত্যাখ্যান ও জিয়ার চমক

আয়ান আরুশির বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে বাড়ি ফিরে মৌন হয়ে থাকে। মা বাসন্তীদেবী হতাশ হয়ে কাঁদেন। অন্যদিকে, জিয়া বন্ধুদের সাথে পার্টিতে ব্যস্ত থাকায় ফোন মিস করে। বাড়ি ফিরে জিয়া আরুশির ডায়েরিতে আয়ানের নাম দেখে চমকে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৮ | আয়ানের ছবি লুকানো ও জিয়ার দিদির বিয়ে

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী জিয়ার ছবি বালিশের নিচে পেয়ে খুশি হন এবং পাত্রী দেখার প্রস্তুতি নেন। জিয়া দিদির বিয়ের খবর পেয়ে কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করে। আয়ান জিয়াকে কল করে সারপ্রাইজের কথা বলে, কিন্তু জিয়া ভাবে পিমণি কল করেছে। পাত্রী দেখার দিন জিয়া দিদিকে সাজায়, আর আয়ান ভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

মা’ওয়া | পর্ব ৪ | চাচির প্রস্তাব ও ইনজামের অস্বস্তি

ইশারার সাথে চাচি রাহিমা বাড়ির চারপাশে হাঁটছেন এবং সাহেদের চেম্বারে পৌঁছান। চাচি ইশারাকে সাহেদের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ইশারা লজ্জায় লাল হয়ে যায়। পরে ইনজামের সাথে দেখা হয়, যে তাকে এড়িয়ে চলে এবং ধর্মীয় কারণে একা দেখলে সমস্যা হওয়ার কথা বলে।