লেখক দেবারতি ধাড়া

হৃদমাঝারে | পর্ব ১ | জিয়ার প্রেমের ইশারা ও আয়ানের গম্ভীর চোখ

জিয়া অফিস ট্যুরে দার্জিলিংয়ের হোটেল স্নো হোয়াইটে পৌঁছায়, যেখানে সে ক্যামেরা হাতে প্রকৃতির ছবি তোলে। এক কলেজ কাপলকে সাহায্য করতে গিয়ে তার দেখা হয় গম্ভীর প্রফেসর আয়ান রায় চৌধুরীর সাথে। তাদের প্রথম কথোপকথনে জিয়া তাঁকে হানিমুনে এসেছেন বলে মন্তব্য করে অপ্রস্তুত করে দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৩ | জিয়ার সূর্যোদয় ফটোগ্রাফি ও আয়ানের চা-এর ইচ্ছা

জিয়া টাইগার হিলে সূর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দী করে। আয়ান অনিচ্ছা সত্ত্বেও দুধ চা খান, আর ছাত্রীদের মধ্যে তাঁকে নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। পৌলমী আয়ানের ধমকে মনমরা হয়ে পড়ে। শিলিগুড়ি ফেরার আগে সবাই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৮ | আয়ানের ছবি লুকানো ও জিয়ার দিদির বিয়ে

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী জিয়ার ছবি বালিশের নিচে পেয়ে খুশি হন এবং পাত্রী দেখার প্রস্তুতি নেন। জিয়া দিদির বিয়ের খবর পেয়ে কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করে। আয়ান জিয়াকে কল করে সারপ্রাইজের কথা বলে, কিন্তু জিয়া ভাবে পিমণি কল করেছে। পাত্রী দেখার দিন জিয়া দিদিকে সাজায়, আর আয়ান ভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১০ | আয়ানের বিয়ে প্রত্যাখ্যান ও জিয়ার চমক

আয়ান আরুশির বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে বাড়ি ফিরে মৌন হয়ে থাকে। মা বাসন্তীদেবী হতাশ হয়ে কাঁদেন। অন্যদিকে, জিয়া বন্ধুদের সাথে পার্টিতে ব্যস্ত থাকায় ফোন মিস করে। বাড়ি ফিরে জিয়া আরুশির ডায়েরিতে আয়ানের নাম দেখে চমকে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১১ | শিয়ার ডায়েরি ও জিয়ার অজানা কষ্ট

জিয়া রাতে শিয়ার ডায়েরি পড়ে ভেঙে পড়ে। মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত শিয়ার কষ্ট, আয়ানকে পছন্দ করা এবং নিজের ইচ্ছা দমিয়ে চলা দেখে জিয়া মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে তাকে আর কষ্ট পেতে দেবে না। সকালেই সে মা-বাবার কাছে ছুটে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১২ | জিয়ার মা-বাবার সত্য ও আয়ানের ব্লান্ডার

জিয়া মা-বাবার কাছে জানে শিয়াকে পিমণির বাড়িতে রাখার পেছনের মর্মান্তিক সত্য। অন্যদিকে, আয়ান ভুল করে শিয়াকে জিয়া ভেবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আর জিয়া ফোনে তাকে স্বাভাবিক ভাবে শুভেচ্ছা জানায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১৪ | জিয়ার গোপন সিদ্ধান্ত ও আয়ানের বিয়ে মেনে নেওয়া

জিয়া আয়ানকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে চলে আসে, মনে মনে ক্ষমা চাইছে। আয়ান মা ও বোনের সামনে বিয়ে মেনে নেয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে। জিয়া পিমণিদের কাছে মর্নিং ওয়াকের ছল করে। আয়ান জিয়ার কষ্ট দেখে নিজেকে বলি দেয়।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব ১ | জিয়ার গোপন ভালোবাসা ও শিয়ার বিয়ের আয়োজন

জিয়া ভালোবেসে ফেলেছে আয়ানকে, কিন্তু শিয়ার আনন্দ দেখে নিজের কষ্ট চেপে রাখে। শিয়ার বিয়ের আগের দিনে মেহেন্দী, আইবুড়ো ভাত, গায়ে হলুদের মধ্যে দিয়ে চলে প্রস্তুতি। জিয়া নিজেকে সামলাচ্ছে, কিন্তু হৃদয়ের ব্যথা লুকোতে পারছে না।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব ২ | শিয়ার সত্য ও জিয়া-আয়ানের বিয়ে

শিয়া আয়ানকে জানালো জিয়ার সত্য ভালোবাসার কথা। বিয়ের আসরে জিয়া কনে হয়ে আয়ানকে বিয়ে করে, আর শিয়া ক্যামেরা হাতে ছবি তোলে। মা-বাবা শিয়াকে ফিরে পেয়ে কাঁদেন। সবাই মিলে শেষ রাত পর্যন্ত উৎসব করে।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব | শিয়ার বই প্রকাশ ও জিয়া-আয়ানের সুখের সংসার

জিয়া শিয়াকে উপহার দেয় তার প্রথম বই, যা প্রকাশিত হয়েছে। শিয়া কাঁদে, আনন্দে ভাসে। কয়েক মাস পর, জিয়া-আয়ানের সুখী দাম্পত্য জীবন চলছে। আয়ান জিয়াকে বই মেলায় নিয়ে যায়, যেখানে শিয়া আসে লেখিকা হিসেবে। পরিবার মিলনের মাঝে গল্প শেষ হয় সুখের আলোতে।