লেখক মোর্শেদা হোসেন রুবি

মা’ওয়া | পর্ব ১ | ইশারার শেষ দেখা ও পরিবারের সংঘাত

বাবার মৃত্যুর পর ইশারা গোরস্থানে পৌঁছায় দেরিতে, শেষ দেখা মিস করে। বাড়িতে ভাইবোনদের কপট শোকে বিরক্ত আখতারুজ্জামান। ময়না বিবি ভয়ে ভয়ে সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়ার আশঙ্কা করেন। ইশারা পালিয়ে যায় হাকিম মোল্লার বাড়িতে, যেখানে অপরিচিত এক পালোয়ানের সাথে তার দেখা হয়।

মা’ওয়া | পর্ব ২ | ইশারার মন ভারা ফিরে আসা ও পরিবারের সংঘাত

ইশারা হাকিম মোল্লার বাড়িতে চাচি রাহিমা বেগমের কাছে সান্ত্বনা পায়, কিন্তু বাড়ি ফিরে দেখে পরিবেশ উৎসবে পরিণত হয়েছে। বড় আপার আত্মীয়দের ডাকায় সম্পত্তির লোভ ফুটে ওঠে। গোধূলি ইশারাকে সতর্ক করে যে তাকে দেবরের জন্য বাগানোর চেষ্টা হবে।

মা’ওয়া | পর্ব ৩ | ময়না বিবির বিষণ্নতা ও সালিশের প্রস্তুতি

ইশারা ময়না বিবিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। রুমানা সম্পত্তি নিয়ে না-দাবি নামা সই নেয়। ইশারা জানতে পারে রাতে সালিশ হবে, যেখানে ইমামের স্ত্রীর চারিত্রিক অসঙ্গতি নিয়ে বিচার হবে। সে উপস্থিত থাকতে চায়।

মা’ওয়া | পর্ব ৪ | চাচির প্রস্তাব ও ইনজামের অস্বস্তি

ইশারার সাথে চাচি রাহিমা বাড়ির চারপাশে হাঁটছেন এবং সাহেদের চেম্বারে পৌঁছান। চাচি ইশারাকে সাহেদের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ইশারা লজ্জায় লাল হয়ে যায়। পরে ইনজামের সাথে দেখা হয়, যে তাকে এড়িয়ে চলে এবং ধর্মীয় কারণে একা দেখলে সমস্যা হওয়ার কথা বলে।

মা’ওয়া | পর্ব ৫ ও শেষ পর্ব | ইশারার সিদ্ধান্ত ও বিয়ের প্রস্তুতি

বিচারের রাতে ইমামপত্নী নাবিলার চরিত্র ও ইঞ্জিমামের ধর্মীয় যুক্তি সবাইকে স্তব্ধ করে। ইশারা ছোটমাকে নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে এবং ইনজিমামের সাথে বিয়েতে রাজি হয়। পাঁচদিন পর ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়, কিন্তু কনে কলেজে ফিরতে চায়। ইনজিমাম তাকে আটকায়, আবেগের মুহূর্তে শেষ হয় গল্প।