সিরিজ হৃদমাঝারে

হৃদমাঝারে | পর্ব ১ | জিয়ার প্রেমের ইশারা ও আয়ানের গম্ভীর চোখ

জিয়া অফিস ট্যুরে দার্জিলিংয়ের হোটেল স্নো হোয়াইটে পৌঁছায়, যেখানে সে ক্যামেরা হাতে প্রকৃতির ছবি তোলে। এক কলেজ কাপলকে সাহায্য করতে গিয়ে তার দেখা হয় গম্ভীর প্রফেসর আয়ান রায় চৌধুরীর সাথে। তাদের প্রথম কথোপকথনে জিয়া তাঁকে হানিমুনে এসেছেন বলে মন্তব্য করে অপ্রস্তুত করে দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ২ | জিয়া ও আয়ানের চা-এর দোকানের মুহূর্ত

জিয়া আর আয়ানের আকস্মিক দেখা হয় প্রকৃতির মাঝে। জিয়া ছবি তুলছিল, আয়ান হঠাৎ সামনে এসে পড়ে ছবি নষ্ট করে দেয়। ঝামেলা থেকে শুরু হয় গল্প, চা-এর দোকানে দুধ চা খেয়ে আয়ান প্রথমবার বাঙালি স্বাদ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে জমে আলাপ, মজা, আর অদ্ভুত নীরবতা।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৩ | জিয়ার সূর্যোদয় ফটোগ্রাফি ও আয়ানের চা-এর ইচ্ছা

জিয়া টাইগার হিলে সূর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দী করে। আয়ান অনিচ্ছা সত্ত্বেও দুধ চা খান, আর ছাত্রীদের মধ্যে তাঁকে নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। পৌলমী আয়ানের ধমকে মনমরা হয়ে পড়ে। শিলিগুড়ি ফেরার আগে সবাই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৬ | আয়ানের কলকাতা ফেরা ও মায়ের কৌশল

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী ও বোন রিমলি মিলে তাকে কলকাতায় ফিরতে রাজি করায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। ট্রেনে করে কলকাতায় পৌঁছানোর পর আয়ান বাসন্তীদেবীর সাথে মিলন ঘটে, যেখানে মায়ের আবেগ ও অতীতের কথা ফুটে ওঠে। জিয়ার সাথে তার বন্ধন এগোলেও আয়ান পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৭ | আয়ানের বিয়ের সম্পর্ক ও জিয়ার ফোন

আয়ান কলকাতায় ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছিল, কিন্তু মা বাসন্তীদেবী ও বোন রিমলি তাকে জিয়ার সাথে বিয়ের সম্পর্ক ঠিক করার কথা জানায়। আয়ান প্রথমে রাগ করলেও জিয়ার ছবি দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। রাতে জিয়ার ফোনে বিয়ে নিয়ে আলোচনায় উভয়ের মনের কথা ফুটে ওঠে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৮ | আয়ানের ছবি লুকানো ও জিয়ার দিদির বিয়ে

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী জিয়ার ছবি বালিশের নিচে পেয়ে খুশি হন এবং পাত্রী দেখার প্রস্তুতি নেন। জিয়া দিদির বিয়ের খবর পেয়ে কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করে। আয়ান জিয়াকে কল করে সারপ্রাইজের কথা বলে, কিন্তু জিয়া ভাবে পিমণি কল করেছে। পাত্রী দেখার দিন জিয়া দিদিকে সাজায়, আর আয়ান ভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৯ | আয়ানের ভুল ও আরুশির পরিচয়

আয়ান ও বাসন্তীদেবী পাত্রী আরুশির সাথে বিয়ের আলোচনায় বসেছেন। কিন্তু আয়ান লক্ষ্য করে যে আরুশি আসলে জিয়া নয়, বরং তার যমজ বোন। ছবি দেখে সন্দেহ হওয়ার পর আরুশি সত্য প্রকাশ করে। আয়ান বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং তাড়াতাড়ি ঘর ছাড়তে চায়, মনে মনে জিয়াকে খুঁজতে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১০ | আয়ানের বিয়ে প্রত্যাখ্যান ও জিয়ার চমক

আয়ান আরুশির বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে বাড়ি ফিরে মৌন হয়ে থাকে। মা বাসন্তীদেবী হতাশ হয়ে কাঁদেন। অন্যদিকে, জিয়া বন্ধুদের সাথে পার্টিতে ব্যস্ত থাকায় ফোন মিস করে। বাড়ি ফিরে জিয়া আরুশির ডায়েরিতে আয়ানের নাম দেখে চমকে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১১ | শিয়ার ডায়েরি ও জিয়ার অজানা কষ্ট

জিয়া রাতে শিয়ার ডায়েরি পড়ে ভেঙে পড়ে। মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত শিয়ার কষ্ট, আয়ানকে পছন্দ করা এবং নিজের ইচ্ছা দমিয়ে চলা দেখে জিয়া মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে তাকে আর কষ্ট পেতে দেবে না। সকালেই সে মা-বাবার কাছে ছুটে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১২ | জিয়ার মা-বাবার সত্য ও আয়ানের ব্লান্ডার

জিয়া মা-বাবার কাছে জানে শিয়াকে পিমণির বাড়িতে রাখার পেছনের মর্মান্তিক সত্য। অন্যদিকে, আয়ান ভুল করে শিয়াকে জিয়া ভেবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আর জিয়া ফোনে তাকে স্বাভাবিক ভাবে শুভেচ্ছা জানায়।