ক্যাটাগরি সম্পর্কের টানাপোড়েন

হৃদমাঝারে | পর্ব ৬ | আয়ানের কলকাতা ফেরা ও মায়ের কৌশল

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী ও বোন রিমলি মিলে তাকে কলকাতায় ফিরতে রাজি করায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। ট্রেনে করে কলকাতায় পৌঁছানোর পর আয়ান বাসন্তীদেবীর সাথে মিলন ঘটে, যেখানে মায়ের আবেগ ও অতীতের কথা ফুটে ওঠে। জিয়ার সাথে তার বন্ধন এগোলেও আয়ান পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ২ | জিয়া ও আয়ানের চা-এর দোকানের মুহূর্ত

জিয়া আর আয়ানের আকস্মিক দেখা হয় প্রকৃতির মাঝে। জিয়া ছবি তুলছিল, আয়ান হঠাৎ সামনে এসে পড়ে ছবি নষ্ট করে দেয়। ঝামেলা থেকে শুরু হয় গল্প, চা-এর দোকানে দুধ চা খেয়ে আয়ান প্রথমবার বাঙালি স্বাদ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে জমে আলাপ, মজা, আর অদ্ভুত নীরবতা।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৪ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের ঝাল কফি

রুহানি ফালাকের কফিতে মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক ঝাল সহ্য করতে না পেরে রাগে কাঁপে এবং রুহানিকে তাড়া করে। পুকুর পাড়ে দুজনের তীব্র মুখোমুখি হয়, যেখানে ফালাক রুহানিকে 'বিল্লি রাণী' বলে ডাকে আর রুহানি জবাব দেয়, 'আপনি খাটাশের সর্দার'।

মা’ওয়া | পর্ব ৩ | ময়না বিবির বিষণ্নতা ও সালিশের প্রস্তুতি

ইশারা ময়না বিবিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। রুমানা সম্পত্তি নিয়ে না-দাবি নামা সই নেয়। ইশারা জানতে পারে রাতে সালিশ হবে, যেখানে ইমামের স্ত্রীর চারিত্রিক অসঙ্গতি নিয়ে বিচার হবে। সে উপস্থিত থাকতে চায়।

মা’ওয়া | পর্ব ২ | ইশারার মন ভারা ফিরে আসা ও পরিবারের সংঘাত

ইশারা হাকিম মোল্লার বাড়িতে চাচি রাহিমা বেগমের কাছে সান্ত্বনা পায়, কিন্তু বাড়ি ফিরে দেখে পরিবেশ উৎসবে পরিণত হয়েছে। বড় আপার আত্মীয়দের ডাকায় সম্পত্তির লোভ ফুটে ওঠে। গোধূলি ইশারাকে সতর্ক করে যে তাকে দেবরের জন্য বাগানোর চেষ্টা হবে।

মা’ওয়া | পর্ব ১ | ইশারার শেষ দেখা ও পরিবারের সংঘাত

বাবার মৃত্যুর পর ইশারা গোরস্থানে পৌঁছায় দেরিতে, শেষ দেখা মিস করে। বাড়িতে ভাইবোনদের কপট শোকে বিরক্ত আখতারুজ্জামান। ময়না বিবি ভয়ে ভয়ে সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়ার আশঙ্কা করেন। ইশারা পালিয়ে যায় হাকিম মোল্লার বাড়িতে, যেখানে অপরিচিত এক পালোয়ানের সাথে তার দেখা হয়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৬ | মুগ্ধর নাম মৃন্ময় ও আফনানের ফোন

মুগ্ধ জিসানকে জানায় যে মৃন্ময়ী তার হাফ স্ত্রী, আর তার নাম আসলে মৃন্ময়। মৃন্ময়ী চমকে যায়। পরে মুগ্ধ তাকে আবেগী ভাষায় বলে যে তার চোখ তাকে বশে এনেছে। হঠাৎ আফনানের ফোন আসে, মৃন্ময়ীর মন আবার নাড়া খায়।

স্নিগ্ধ চাহনি | সূচনা পর্ব | মৃন্ময়ীর অপেক্ষা ও মুগ্ধর আগমন

মৃন্ময়ী কাজি অফিসের বাইরে পাঁচ ঘণ্টা ধরে আফনানের অপেক্ষায় বসে আছে, কিন্তু সে আসেনি। হতাশাগ্রস্ত মৃন্ময়ীকে রাস্তায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে দেখে মুগ্ধ। তাকে উদ্ধার করে এক অজানা হয়রানি থেকে। দুজনের মধ্যে শুরু হয় এক নীরব যাত্রা, যেখানে আলোর আভায় ভেসে ওঠে অনুভূতি।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ২ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের জরুরি মিটিং

রুহানি ফালাকের গাড়ির চাকায় পিন ঢুকিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক চাকা ফেটে যাওয়ায় জরুরি মিটিংয়ে যেতে বিপদে পড়ে। শুভের গাড়িতে চড়ে সময় মতো পৌঁছায়। এদিকে রুহানি ক্লাস টেস্টে মাত্র ৬ পায়, স্যার বাবার কাছে খবর দেবার হুমকি দেয়। রুহানি ভয়ে পড়ে যায়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ১ | রুহানি ও ফালাকের প্রথম দেখা ও সংঘাত

ভার্সিটির আতংক রুহানি আর নতুন সিনিয়র ফালাকের মুখোমুখি হওয়ায় শুরু হয় তীব্র সংঘাত। পা বাড়িয়ে ফালাক পড়ে যায়, হাসির মাঝে শুরু হয় অপমানের খেলা। কিন্তু ফালাক নিজেকে সামলায়, পাল্টা দেয় তীক্ষ্ণ কথায়। রুহানি হার মানে না, ঘোষণা করে যুদ্ধ। চ্যালেঞ্জ গৃহীত হয়। শুরু হলো প্রিয় অভিমানের গল্প।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২৮ | ফায়াজের অনুতপ্তি ও মেহেরের প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি

ফায়াজ মেহেরের কাছে অনুতপ্তি জানাতে আসে, নিজেকে অপরাধী স্বীকার করে। মেহের তাকে শাস্তি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফাইজা মেহেরকে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করে। শেষে ফায়াজের ঘরে ফুল, মোমবাতি আর গোলাপের পাপড়ি দেখে সে অবাক হয়ে যায়—মেহের ফিরে এসেছে।