সিরিজ স্নিগ্ধ চাহনি

স্নিগ্ধ চাহনি | সূচনা পর্ব | মৃন্ময়ীর অপেক্ষা ও মুগ্ধর আগমন

মৃন্ময়ী কাজি অফিসের বাইরে পাঁচ ঘণ্টা ধরে আফনানের অপেক্ষায় বসে আছে, কিন্তু সে আসেনি। হতাশাগ্রস্ত মৃন্ময়ীকে রাস্তায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে দেখে মুগ্ধ। তাকে উদ্ধার করে এক অজানা হয়রানি থেকে। দুজনের মধ্যে শুরু হয় এক নীরব যাত্রা, যেখানে আলোর আভায় ভেসে ওঠে অনুভূতি।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ২ | মৃন্ময়ীর একাকীত্ব ও রহস্যময় তরূ

মুগ্ধের সাথে মৃন্ময়ীর রাতের দেখা হয়, কিন্তু তার মন ভারী একাকীত্বে। বাগানে কাঁদতে কাঁদতে তাকে ডাকে রহস্যময় তরূ। আফনানের প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর মৃন্ময়ীর জীবনে নতুন আশার সঞ্চার হয়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৩ | মৃন্ময়ীর কান্না ও ধ্রুবের আশ্রয়

মৃন্ময়ী ধ্রুবকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে, মায়ের অভাব ও বাবার মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে নেয়। ধ্রুব তাকে সান্ত্বনা দেয়, নিজের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেয়। দুই ভাইবোনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত চলছে, আর ধ্রুব হাসিমুখে ফিরিয়ে আনে মৃন্ময়ীর হাসি।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৪ | মৃন্ময়ীর ভাঙা হৃদয় ও মুগ্ধর রোমান্টিক প্রস্তাব

মৃন্ময়ী আফনানের বিয়ের খবর শুনে হাসে, কিন্তু অর্পি বুঝতে পারে না এই হাসির পেছনের ব্যথা। বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে মুগ্ধর সাথে তার দেখা হয়, যে তাকে কদম ফুল দিয়ে মুগ্ধ করে। রঞ্জন তাকে উদ্ধার করে, আর ধ্রুব ফিরে এসে গভীর কথা বলার জন্য ডাকে।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৫ | মৃন্ময়ীর বিয়ে ও মুগ্ধর আবেগঘন প্রস্তাব

মৃন্ময়ীর ভাই ধ্রুব তাকে মুগ্ধর সাথে দেখা করতে পাঠায়। রেস্টুরেন্টে মুগ্ধ তার আবেগপ্রবণ প্রস্তাব দেয়, কিন্তু মৃন্ময়ী বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তাদের কথোপকথন চলাকালে হঠাৎ মুগ্ধর কাছে এক রহস্যময় ব্যক্তি আসে এবং কিছু বলে, যা মৃন্ময়ীকে চমকে দেয়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৬ | মুগ্ধর নাম মৃন্ময় ও আফনানের ফোন

মুগ্ধ জিসানকে জানায় যে মৃন্ময়ী তার হাফ স্ত্রী, আর তার নাম আসলে মৃন্ময়। মৃন্ময়ী চমকে যায়। পরে মুগ্ধ তাকে আবেগী ভাষায় বলে যে তার চোখ তাকে বশে এনেছে। হঠাৎ আফনানের ফোন আসে, মৃন্ময়ীর মন আবার নাড়া খায়।

স্নিগ্ধ চাহনি | অন্তিম পর্ব | মৃন্ময়ীর সুখের শুরু ও মুগ্ধর আবেগঘন প্রেম

মৃন্ময়ীর ফোনে আফনানের কল আসে, কিন্তু মুগ্ধ তা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে হুমকি দেয়। মুগ্ধর আম্মু মৃন্ময়ীকে সাহস দেন। ছাদে মুগ্ধ মৃন্ময়ীর গালে চুমু দেয়, আর গল্প শেষ হয় বিয়ের তারিখ ঘোষণা ও ভাইবোনের আবেগঘন মুহূর্তে।