ক্যাটাগরি সম্পর্কের টানাপোড়েন

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৮ | প্লেনের ভয় ও বারিশের জোর করা ভালোবাসা

রূপসা উঁচু জায়গার ভয়ে প্লেনে ওঠার আগেই ভেঙে পড়ে। বারিশ তাকে কাঁধে তুলে জোর করে নিয়ে যায়। প্লেনে বসে রূপসা বারিশের হৃদয়ের শব্দ শুনে শান্ত হয়, কিন্তু তার ভয় ও বারিশের নিয়ন্ত্রণ এই পর্বের মূল ফোকাস।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৪ | রুহির প্রসব যন্ত্রণা ও অভ্রের ভাঙা মন

অভ্র ভাইয়া রুহির প্রসব যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, চোখে অবিরাম জল। ডাক্তার বেবির খবর দিলেও অভ্র চান শুধু রুহির সুস্থতার নিশ্চয়তা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে এখনো বিপদমুক্ত নন রুহি। শুভ্র ও রোদেলা চিন্তায় আড়ষ্ট। নতুন জীবনের আনন্দ চাপা পড়েছে পুরনো ভালোবাসার বিপদের আশঙ্কায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪২ | রোদেলার রান্নাঘরের প্রেম ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা রান্নাঘরে সবজি কাটছিলেন, হঠাৎ শুভ্র এসে রেগে উঠলেন। কিন্তু পরক্ষণেই তিনি তাকে জড়িয়ে ধরেন আর ফল খাওয়ান। রাতে বই পড়তে গিয়ে পিছনে শুভ্রকে দেখে রোদেলা বিরক্ত হন, কিন্তু শুভ্র কোলে তুলে নিয়ে বলেন—"আমাকে এনার্জি কালেক্ট করতে হেল্প করো"।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৯ | রোদেলার গর্ভবতী সংবাদ ও শুভ্রের আগুনে রাগ

রোদেলা জানতে পারে সে গর্ভবতী, কিন্তু শুভ্রের কাছে সাহস করে বলতে পারে না। যখন শুভ্র প্রেগনেন্সি রিপোর্ট খুঁজে পায়, তীব্র রাগে ফেটে পড়ে। চিৎকার, ভাঙা ফুলদানি, লাথি—সবের মাঝে উঠে আসে তার ভয়: রোদেলাকে হারানোর আতঙ্ক। অবশেষে চোখের জলে সারি দেয় সে ভুল, আর রোদেলা বুঝে যায়—ভালোবাসার গভীরতা রাগের চেয়েও বড়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৮ | শুভ্রের ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও রোদেলার নীরব কান্না

শুভ্র নদীর পাড়ে রোদেলাকে শাড়িতে দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। পা ভিজিয়ে গান গেয়ে মন হালকা করার পর সে স্বীকার করে—ভালোবাসে রোদেলাকে। নীলিমার স্মৃতি নিয়েও তাকে ছাড়তে চায় না। রোদেলা কাঁদে, কিন্তু কথা বলতে পারে না। ভালোবাসার এই গভীর মুহূর্তে দু'জনের হৃদয় মিলে এক হয়ে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৭ | মামানির বাচ্চা ভাবনা ও শুভ্রের ‘পুচকি’ পাসওয়ার্ড

মামানি শুভ্র ও রোদেলার কামড়াকামড়ি দেখে বাচ্চা নিয়ে ভাবতে শুরু করেন, কিন্তু শুভ্র স্বীকার করে ঝগড়ার কারণে কামড়ানো হয়েছিল। রোদেলা ফোনের পাসওয়ার্ড চাইতেই শুভ্র বলে—"মাই পুচকি"। রোদেলা অবাক, আবেগে ঘোলাটে হয়ে যায়। শেষে শুভ্র তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়, যেখানে সবকিছু রহস্যময় হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৫ | রোদেলার কামড় ও শুভ্রের রোমান্স ভাঙা

রোদেলা শুভ্রকে সাহেলের প্রেমের প্রস্তাব নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই উল্টো প্রশ্নে জবাব পায়। পার্কে মেয়েদের তাকানোয় ঈর্ষায় জ্বলে উঠে সে, আর শুভ্রের সাথে সাহেলের কথোপকথনে হৃদয় স্পর্শ করে। রাতে আপুর সাথে ঘুমানোর লড়াইয়ে শুভ্র রোদেলাকে কামড়ে দেয়, আর রোদেলা জবাবে তাকে চুমু দিয়ে জিতে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৪ | শুভ্রের জন্মদিনের সারপ্রাইজ ও রোদেলার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি

শুভ্র রোদেলাকে নিয়ে অফিসে যাওয়ার পথে হঠাৎ ফিরে আসে, তাকে কোচিং যেতে নিষেধ করে। রোদেলা তার হাত চেপে ধরে আবেগের সাথে বলে—”আমি তোমাকে ভালোবাসি”। পরে শুভ্র তাকে জন্মদিনের সারপ্রাইজ দেয়—নীলিমার তোলা একটি কিউট ছবির ফ্রেম। রোদেলা আবিষ্কার করে, শুভ্র তার প্রতিটি মুহূর্ত মনে রেখেছে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৩ | শুভ্রের স্বীকারোক্তি ও খালামনির অপমান

শুভ্র সাহেলের বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে ঘোষণা করে রোদেলা তার স্ত্রী। খালামনির কটূক্তির জবাবে শুভ্র আবেগের সাথে স্ত্রীকে আগলে রাখে, বলে—"ওকে মারার চেয়ে ভালোবাসা পুরুষত্ব"। রোদেলা কাঁদে, গর্ব করে তার স্বামীকে নিয়ে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩২ | রোদেলার রান্নাঘরের কষ্ট ও শুভ্রের মধ্যরাতের পাগলামি

রোদেলা শুভ্রের বড় খালামনির কাছে অপমানিত বোধ করে, যে আপুকে নিয়ে কটূক্তি করে। মধ্যরাতে শুভ্র নীলির ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে রোদেলাকে ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখে। সকালে সাহেলের মা রোদেলার সাথে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, যা ঘরে চাঞ্চল্য তৈরি করে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩০+৩১ | রোদেলার দুর্ঘটনা ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা শপিং থেকে ফেরার পথে গাড়ি ধাক্কায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। শুভ্র তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু অপারেশন থিয়েটারের সামনে পাগলের মতো আচরণ করে। ডাক্তারদের ছুড়ে ফেলে সে রোদেলাকে ছাড়তে নারাজ। ঘুমের ওষুধ দিয়ে তাকে শান্ত করা হয়। রোদেলা জেগে উঠে শুভ্রের ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পারে।

#তোকে চাই | পর্ব ২৯ | রোদেলার গর্ভবতী সংবাদ ও শুভ্রের নিষেধাজ্ঞা

রোদেলা শুভ্রের কোলে করে বাড়িতে ঢোকে, সবাই অবাক। আপুর গর্ভবতী হওয়ার খবরে উচ্ছ্বাস হয়, কিন্তু শুভ্র রোদেলাকে নিয়ে রুমে ঢুকে কঠোরভাবে বলে—"তুমি কখনো বেবি নেবে না"। রোদেলা কনফিউজড, শুভ্রের ডেঞ্জারাস লাভ আর নির্মম নিষেধাজ্ঞায় মন ভেঙে যায়।