ক্যাটাগরি করুণ কাহিনী

কনফিউশন | পর্ব ১৩ | আরশির অনুভূতির দ্বন্দ্ব ও তিরার পাত্রদেখা

আরশি কাব্যর প্রতি ভালো লাগা ও খারাপ লাগার দ্বন্দ্বে ভোগে, আর কাব্য নিজেকে সামলাতে চায়। এদিকে তিরার পাত্রপক্ষ হিসেবে যাদিদ আসে, কথোপকথনে তিরা তার বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয় এবং বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু যাদিদের আত্মবিশ্বাস তাকে আকৃষ্ট করে।

কনফিউশন | পর্ব ১০ | আরশির একাকীত্ব ও কাব্যর মুখোমুখি দেখা

একাকী সময় কাটাচ্ছে আরশি। বইয়ের ডেলিভারিতে কাব্যের সাথে মুখোমুখি হয়ে অস্বস্তিতে পড়ে। কাব্য তিরার সাথে সম্পর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু আরশি তাকে 'আঙ্কেল' বলে উপহাস করে। কাব্য অবাক হয় আরশির বুদ্ধিমত্তায়।

কনফিউশন | পর্ব ৮ | আরশির হারানো বুকমার্ক ও কাব্যর সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যর বইয়ের একটি হাতে লেখা বুকমার্ক হারিয়ে ফেলে এবং মাফ চাইতে ফোন করে। কাব্য আশ্চর্য হয়েও সাহস পায়। আরশির মাইগ্রেনের কথা শুনে কাব্য সিগারেট ছাড়ার দ্বন্দ্বে পড়ে, আর আরশি বইয়ের বুকমার্কে লুকানো আবেগ উপলব্ধি করে।

কনফিউশন | পর্ব ৫ | তিরার কাব্যপ্রেম ও আরশির বিরক্তি

তিরা কাব্যর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে হাসতে হাসতে পড়ে যায়, আর আরশি কাব্যর অসভ্য মনে করে বিরক্ত হয়। কাব্য অন্ধকারে হাঁটতে হাঁটতে আরশিকে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু মনের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিরা ও আরশির মধ্যে কাব্য নিয়ে বিতর্ক চরমে।

নাইওরি | পর্ব ১৪ | রঞ্জুর মৃত্যু ও জেসমিনের পলায়ন

রঞ্জুকে ময়নার বিলে খুন করা হয়, জেসমিন তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ভেঙে পড়ে। গর্ভবতী জেসমিন মায়ের সাহায্যে পালায়, কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে হারুন ব্যাপারীর ভয়ানক হুমকি শুনে আবার পালায়। চিঠি আঁকড়ে ধরে সে নদীর ঘাট থেকে নৌকায় উঠে অজানা গন্তব্যে চলে যায়, সন্তান নিয়ে নিরাপদ জীবনের আশায়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩২+৩৩ | দুআর গর্ভবতী হওয়া ও ইয়াদের প্রতিক্রিয়া

দুআ হাসপাতালে মাইশার প্রসবের সময় অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ইয়াদ তার অবস্থা জেনে চট্টগ্রাম ছুটে আসে। দুআ তাকে গর্ভবতী হওয়ার কথা জানায়, ইয়াদ প্রথমে রাগ করলেও পরে তাদের সন্তানকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৪ | আগুনের মাঝে বাঁচার লড়াই ও ইয়াদের বিদায়

দুআ আগুনে আটকা পড়ে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়, তাসনিমের ষড়যন্ত্রে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়। ইয়াদ সময়মতো এসে তাকে উদ্ধার করে, শাড়ি ছিঁড়ে আগুন থেকে বাঁচায়। পরে জ্বরে ভুগছে দুআ, আর ইয়াদ বিদায় নেয় ক্রিকেট ম্যাচে যাওয়ার আগে। বিদায়ের মুহূর্তে দুআ প্রথমবার ভালোবাসা স্বীকার করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২১+২২ | ইয়াদের প্রেমের প্রতিজ্ঞা ও দুআর বিশ্বাস

ইয়াদ ও দুআর মধ্যে গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়। ইয়াদ তার অতীত নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আত্মঘাতী আচরণ করে, কিন্তু দুআ তাকে বিশ্বাস দেখিয়ে শান্ত করে। তাদের মধ্যে প্রেমের চূড়ান্ত প্রতিজ্ঞা হয়, যেখানে ইয়াদ ঘোষণা করে দুআকে কখনো ছাড়বে না।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৫ | ইয়াদের বিদায় ও দুআর অশ্রু

ইয়াদ বন্ধুর বাবার অসুস্থতায় জরুরি ঢাকায় ফিরতে বাধ্য হয়। বিদায়ের আগে রামিসার সাহায্যে দুআকে দেখে যায়, যার মুখে তাসনিমের নির্যাতনের ছায়া। ইয়াদ তাকে আশ্বাস দেয়, তার জন্যেই সে চট্টগ্রামে এসেছিল। দুআ ভাঙা মন নিয়ে তার চলে যাওয়া মেনে নিতে পারে না।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৩ | বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত ও ইয়াদের মুগ্ধতা

বৃষ্টিতে আটকে যাওয়া দুআ ও ইয়াদের মধ্যে গড়ে ওঠে অদ্ভুত আবেগের সম্পর্ক। টঙের দোকানে চোখাচোখি, নামার পথে ইয়াদের কাঁধে হাত রাখা দুআর অনুভূতিকে নাড়া দেয়। ইয়াদ তাকে মুগ্ধ হয়ে বলে, "তোমার বিহেভিয়ার, আই রিয়েলি লাইক ইট"। দুআ প্রশ্ন করে, এটা কি সত্যি নাকি স্বপ্ন?

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৯+১০ | ইয়াদের অস্থির মন ও দুআর বিদায়

ইয়াদ দুআর প্রতি অজানা আকর্ষণে মুগ্ধ হয়ে পড়ে, আর দুআ তাসনিমের কটূক্তিতে মন ভেঙে পড়ে। ছাদে কথোপকথনে ইয়াদের মনে গভীর ছাপ পড়ে। দুআর বিদায়ের পর ইয়াদ বুঝতে পারে, সে তাকে হারাতে পারবে না। তার মনে জাগে অপ্রতিরোধ্য ভালোবাসার অনুভূতি।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩ | দুআর অভিমান ও ঢাকায় যাওয়ার স্বপ্ন

দুআ মায়ের কাছ থেকে ঢাকায় যাওয়া বারণ শুনে অভিমানে ভেঙে পড়ে। রিজোয়ান ও বন্ধুদের সাহায্যে সে কারখানায় গিয়ে বাবাকে রাজি করায়। অন্যদিকে, ইয়াদ বাড়ি ফিরে জানতে পারে মাইশার হবু শ্বশুরবাড়ি থেকে মেহমান আসছে, যাদের সাথে আছে দুআ। মারিয়া ইয়াদকে দুআর ছবি দেখায়, আর ইয়াদ মনে মনে মুগ্ধ হয়।