ক্যাটাগরি করুণ কাহিনী

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৭ | রূপসার লজ্জায় লাল মুখ ও বারিশের নির্লজ্জ ভালোবাসা

রূপসাকে পঁচিশ বার জড়িয়ে ধরতে ও গালে চুমু খেতে বাধ্য করে বারিশ। লজ্জায় কাঁদো কাঁদো রূপসা, আর তাতেই তৃপ্ত বারিশ। খাবার টেবিলে রোবটের মতো চুপচাপ থাকার নিয়ম, হাতে খাওয়ানো এবং রূপসার মনের ভাবনা—সবেতে ভরা এই পর্ব।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৬ | বারিশের নিয়ম ও রূপসার ভয়

বারিশের ঘনিষ্ঠতায় ভয়ে কাঁপছে রূপসা। বিছানায় জড়িয়ে ধরা, নেশাগ্রস্ত চোখ, আর কানের কাছে ফিসফিস করা—সবেতে তার মন ভাঙছে। বারিশ তাকে জানায়, সারাজীবন তার বন্দি। রূপসা পায় বিস্তারিত নিয়মের কাগজপত্র, আর জানে—বাসর রাতের আচরণের জন্য শাস্তি আসবে।

মেঘবতীকন্যা | পর্ব ৫ | বাসরঘরের ভয় ও বারিশের নেশাগ্রস্ত ভালোবাসা

বাসরঘরে জেগে উঠলো রূপসা, ফুলের সুবাসে ঘিরে। কিন্তু কালো-সাদা রুম আর বারিশের উপস্থিতি তাকে ভয়ে কাঁপিয়ে তোলে। বারিশ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে—"তুমি আমার খাঁচায় আটকা"। নেশাগ্রস্ত প্রেমিকের চোখে রূপসা আর কোনো মুক্তি নেই।

চারুলতা | পর্ব ১ | মামার শয়তান পূজা ও ভাগ্নীর নরক যন্ত্রণা

চারুলতা মামার কালো জাদু ও শয়তান পূজার সাক্ষী। বাবা-মায়ের হত্যার পর তার উপর নেমে আসে নরকের যন্ত্রণা। পিশাচী দেবীর আদেশে মামা তাকে বিয়ে করে নগ্ন অবস্থায় আটকে রাখে। পনেরো দিন পর চন্দ্রগ্রহণের সময় তাকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়।

#তোকে চাই | শেষ পর্ব | শুভ্রতার জন্মদিন ও শুভ্রের চিরন্তন ভালোবাসা

শুভ্রতার তিন বছর পূর্তি উদযাপনে আনন্দে ভরপুর পরিবার। শুভ্র রোদেলাকে জড়িয়ে বলে—"তোকে চাই" তার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত। রোদেলা মনে মনে জানায় ভালোবাসা। পুচকি মামনি, চকলেটের লোভ, ছোট্ট তৌফিকের মিষ্টি কথা—সবেতে মিশে আছে প্রেম, হাসি আর চিরন্তন সম্পর্কের গল্প।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৪ | রুহির প্রসব যন্ত্রণা ও অভ্রের ভাঙা মন

অভ্র ভাইয়া রুহির প্রসব যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, চোখে অবিরাম জল। ডাক্তার বেবির খবর দিলেও অভ্র চান শুধু রুহির সুস্থতার নিশ্চয়তা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে এখনো বিপদমুক্ত নন রুহি। শুভ্র ও রোদেলা চিন্তায় আড়ষ্ট। নতুন জীবনের আনন্দ চাপা পড়েছে পুরনো ভালোবাসার বিপদের আশঙ্কায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৪৩ | রোদেলার গর্ভবতী ভয় ও শুভ্রের নামায় কান্না

রোদেলা ও শুভ্র গায়েনী চেম্বারে অপেক্ষা করছেন, যেখানে সাহেল ভাইয়া তার প্রেগন্যান্ট স্ত্রী নাবিলাকে নিয়ে আসেন। ডাক্টর রোদেলার বয়স ও গর্ভাবস্থার ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেন, যা শুভ্রকে ভেঙে দেয়। রোদেলা ভয়ে কাঁপছে, কিন্তু শুভ্র বলেন—"আমি মানুষ, খুনী না"। তারপর আপুর অকাল লিভার পেইনের খবর আসে, সব মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ৪১ | রোদেলার ভয়ানক দুঃস্বপ্ন ও শুভ্রের অসীম ভালোবাসা

রোদেলা ভয়ানক দুঃস্বপ্নে দেখে শুভ্র তাকে গর্ভপাতে বাধ্য করছে। ঘুম থেকে চিৎকার করে জেগে উঠে সে শুভ্রকে দূরে ঠেলে দেয়। শুভ্র বুঝতে পারে সে ভয়ে কাঁপছে। তিনি তাকে জড়িয়ে নিয়ে আশ্বাস দেন—তাদের বাচ্চাকে কেউ ছোঁয়া দিতে পারবে না। রোদেলা বুঝে যায়, তার স্বামীর বুকেই সে ও তার সন্তান নিরাপদ।

#তোকে চাই | পর্ব ৪০ | রোদেলার গর্ভবতী উদ্বেগ ও শুভ্রের অতি ভালোবাসা

রোদেলা গর্ভবতী হওয়ায় শুভ্রের অতিরিক্ত সুরক্ষা ও অফিস না যাওয়ায় বিরক্ত হয়। সারা বাড়িতে কার্পেট বিছানো ও মামুর ডাকেও অফিস না যাওয়ায় তার রাগ চড়ে যায়। খাওয়ার টেবিলে অভ্র ভাইয়ার আপুর প্রতি একই ভাবমূর্তি দেখে হাসি পায়। রাতে শুভ্র ক্লান্ত হয়ে ফিরে এসে কোলে মাথা রেখে বাচ্চাকে নরম করে সতর্ক করে।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৮ | শুভ্রের ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও রোদেলার নীরব কান্না

শুভ্র নদীর পাড়ে রোদেলাকে শাড়িতে দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। পা ভিজিয়ে গান গেয়ে মন হালকা করার পর সে স্বীকার করে—ভালোবাসে রোদেলাকে। নীলিমার স্মৃতি নিয়েও তাকে ছাড়তে চায় না। রোদেলা কাঁদে, কিন্তু কথা বলতে পারে না। ভালোবাসার এই গভীর মুহূর্তে দু'জনের হৃদয় মিলে এক হয়ে যায়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩৭ | মামানির বাচ্চা ভাবনা ও শুভ্রের ‘পুচকি’ পাসওয়ার্ড

মামানি শুভ্র ও রোদেলার কামড়াকামড়ি দেখে বাচ্চা নিয়ে ভাবতে শুরু করেন, কিন্তু শুভ্র স্বীকার করে ঝগড়ার কারণে কামড়ানো হয়েছিল। রোদেলা ফোনের পাসওয়ার্ড চাইতেই শুভ্র বলে—"মাই পুচকি"। রোদেলা অবাক, আবেগে ঘোলাটে হয়ে যায়। শেষে শুভ্র তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে যায়, যেখানে সবকিছু রহস্যময় হয়ে ওঠে।

#তোকে চাই | পর্ব ২৯ | রোদেলার গর্ভবতী সংবাদ ও শুভ্রের নিষেধাজ্ঞা

রোদেলা শুভ্রের কোলে করে বাড়িতে ঢোকে, সবাই অবাক। আপুর গর্ভবতী হওয়ার খবরে উচ্ছ্বাস হয়, কিন্তু শুভ্র রোদেলাকে নিয়ে রুমে ঢুকে কঠোরভাবে বলে—"তুমি কখনো বেবি নেবে না"। রোদেলা কনফিউজড, শুভ্রের ডেঞ্জারাস লাভ আর নির্মম নিষেধাজ্ঞায় মন ভেঙে যায়।