ক্যাটাগরি করুণ কাহিনী

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৪ | অপর্ণার পড়াশোনা ও মৈনাকের অপরাধবোধ

অপর্ণা আলিপুরদুয়ারে সুপ্রতীক ও ইন্দ্রানীর সান্নিধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সুস্থ হতে শুরু করে এবং আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মৈনাক তার বাবার কাছ থেকে সব সত্য জেনে অপরাধবোধে ভুগতে থাকে। অপর্ণার বাবার মৃত্যুতে মৈনাক গ্রামে যায় এবং তার মনে প্রশ্ন জাগে তার নিজের আচরণ নিয়ে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ২ | অপর্ণার প্রথম রাতের অপমান ও মৈনাকের প্রত্যাখ্যান

বিয়ের প্রথম রাতে অপর্ণা মৈনাকের কাছ থেকে তীব্র প্রত্যাখ্যান ও অপমান সহ্য করে। স্বামীর ঘৃণা, টাকার বিনিময়ে বিয়ের অভিযোগ এবং নিষিদ্ধ ঘরে ঢোকার অপরাধে সে ভয়ে কাঁদে। মনপ্রভা দেবী নিজের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন, আর ইন্দ্রানী ও সুপ্রতীক ঘটনা জেনে আসেন।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | শেষ পর্ব | রুহি-রায়ীনের সুখের সমাপ্তি

ঝিলিক ও শিখা পরিবার ছেড়ে চলে যায়, রুহি গর্ভবতী হয়ে সুখের সংসার গড়ে। রায়ীন রুহিকে ভালোবাসার প্রতিজ্ঞা করে, আর তাদের জীবনে বাজে রবীন্দ্রসংগীতের সুর। সম্পর্কের শেষ পর্বে ফিরে আসে শান্তি ও প্রেমের চিরন্তন মুহূর্ত।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৭ | শুভের ঢাকায় ফেরা ও ঝিলিকের সাহসী সিদ্ধান্ত

শুভ ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, নতুন চাকরির অফার নিয়ে বাবার সমর্থন পায়। ঝিলিক সৌরভকে স্পষ্ট জানায় তাকে ছাড়তে চলেছে, ডিভোর্সের কথা ঘোষণা করে এবং প্যারিসে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের কোর্সে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। শিখার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৬ | রায়ীনের ফিরে আসা ও আশরাফের অনুশোচনা

রায়ীন ফিরে এলে পরিবারে ফিরে আসে আনন্দ, রুহি ছেলেকে জড়িয়ে কাঁদে। আশরাফ সবার সামনে শিখার হিংসার তীব্র নিন্দা করে অনুশোচনা করে, আফজাল-শিখাকে নাসিরাবাদে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। ঝিলিকের কারণে রায়ীন ফিরে এসেছে জেনে আশরাফ তাকে ঋণী বলে স্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৫ | ঝিলিকের বিশ্বাসভঙ্গ ও রায়ীন-রুহির রহস্যময় অদৃশ্য হওয়া

ঝিলিক সৌরভের সাথে অন্য মেয়ের ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে বিশ্বাসভঙ্গের আঘাত পায় এবং তীব্র মানসিক সংগ্রামে ভোগে। অন্যদিকে, রায়ীন ও তার শিশু ছেলে রাহি রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে যায়, রুহি ও পরিবার হন্যে হয়ে খোঁজে। শুভ অনুশোচনায় ভুগছে, আর রোজীর মাথা ঘুরে মাটিতে পড়ে যায়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৩ | রুহির সন্তানের জন্ম ও শিখার গোপন হুমকি

রুহি ১৮ ঘন্টা প্রসব বেদনা সহ্য করে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেয়। রোজী ও রায়ীন আনন্দে ভেঙে পড়েন। শিখা আশরাফকে হুমকি দেয় রুহির অতীত ফাঁস করার, আর রায়ীন রাতের পাহারায় নিজেই সন্তানের যত্ন নেয়। পরিবারে ফিরে এলো আনন্দ।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩১ | নুরীর মৃত্যু ও রুহির প্রসবের আগের ব্যথা

শিখা নুরীর মৃত্যুর খবর নিয়ে আশরাফের সামনে আসে এবং তাকে অভিশাপ দেয়। ঝিলিক সৌরভের বিরুদ্ধে স্থির হয়। রুহি মা হওয়ার আবেগ অনুভব করে, কিন্তু রায়ীনের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। হঠাৎ প্রবল পেটের ব্যথায় সে চিৎকার করে ওঠে, প্রসবের আগের লক্ষণ শুরু হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩০ | রুহির বাচ্চা বাঁচার আনন্দ ও শিখার প্রতিহিংসার বিষ

রুহি পড়ে যাওয়ার পর শুভের হাতে বেঁচে যায়, রায়ীন জানায় বাচ্চা ঠিক আছে। ঝিলিক সৌরভের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে, শিখা রোজীর কাছে রুহির ক্ষতি না করার অনুরোধ শুনে কঠিন হয়ে ওঠে। প্রতিহিংসার বিষ তার হৃদয় জুড়েছে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৯ | ঝিলিকের গোপন সত্য ও সৌরভের আগুন

ঝিলিক সৌরভকে জানায় গর্ভপাতের সত্য, অত্যাচারের প্রতিশোধ হিসেবে সন্তান নষ্ট করার কথা স্বীকার করে। সৌরভ আগুনের মতো রাগে জ্বলে, কিন্তু হাত তুলতে পারে না। শিখা রায়ীনের জন্য শিপিং ব্যবসায় ৫১% মালিকানা জেনে প্রতিশোধের পরিকল্পনা করে। রুহি গোপন কথা শুনে ভয়ে সিড়ি থেকে পড়ে যায়, প্রাণপণে চিৎকার করে বাচ্চাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৭ | রায়ীনের পরিবারের গোপন রহস্য ও ভাইয়ের আত্মহত্যা

রুহি রায়ীনের পরিবারের গোপন রহস্য জানতে চায় এবং জানতে পারে তার বড় ভাই আলিফ ছাদের তালাবদ্ধ ঘরে আত্মহত্যা করেছিলেন। রায়ীন জানায়, ভাই আর বোন নুরী আপু প্রেমে ছিলেন, যা পরিবারে ধামাচাপা পড়ে। রুহি রহস্যের গভীরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৩ | রুহি-রায়ীনের আবেগঘন মুহূর্ত ও শুভের ভাঙন

রুহি ও রায়ীনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়, কিন্তু রুহির মনে জাগে প্রশ্ন। শুভ তাদের ঘনিষ্ঠতা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙে। শিখা শুভের ভালোবাসা বুঝতে পারে এবং চালাকির পরিকল্পনা ভাবতে শুরু করে।