#তোকে চাই | পর্ব ১৪ | রোদেলার কামড় ও শুভ্রের হাতে পড়া বুঝানো

রোদেলা ঘুমন্ত শুভ্রের ঠোঁটে কামড় দিয়ে পালায়, কিন্তু তাকে ধরে দেয়ালে চেপে রাখে রাগী শুভ্র। মামু-মামানির সামনে হাতের কালো দাগ দেখিয়ে নাটক করে রোদেলা। রাতে শুভ্র তাকে পড়া বুঝায়, আর আইসক্রিম খাওয়ার জন্য তাকে জোর করে বাইরে নিয়ে যায়। প্রেমের টানাপোড়েন চরমে।

#তোকে চাই | পর্ব ১৩ | রোদেলার কৌশল ও শুভ্রের নিষ্পাপ ঘুম

রোদেলা শুভ্রের কাছে খাটের তলায় ঘুমানোর ভয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে, কিন্তু শুভ্র তাকে দূরে ঠেলে দেয়। রাতভর পা টিপতে হয় গান গেয়ে। সকালে ঘুমন্ত শুভ্রকে দেখে রোদেলা তার ঠোঁটের কাছে এগোয়, কিন্তু হঠাৎ চোখ মেলে শুভ্র। গল্পের শেষে রোদেলা নিজের গল্প অন্যের নামে পোস্ট দেখে কনফিউজড হয়।

#তোকে চাই | পর্ব ১২ | রোদেলার রাগ ও শুভ্রের হঠাৎ নির্দেশ

রোদেলা শুভ্রের সাথে গাড়িতে বসে তার প্রতি আকর্ষণ লুকোতে পারে না, কিন্তু শুভ্র তাকে বাচ্চা মনে করে তাকে উপহাস করে। বাসায় ফিরে চা নিয়ে ঝগড়া বাধে, রোদেলা রাগে চা ঢালার হুমকি দেয়। রাতে শুভ্র হঠাৎ বলে রোদেলা সোফায় ঘুমাবে, যা নিয়ে তাদের মধ্যে নতুন কনফ্লিক্ট শুরু হয়।

#তোকে চাই | পর্ব ১০+১১ | রোদেলার সাহস ও শুভ্রের হাসি

রোদেলা শুভ্রের সামনে দাঁড়িয়ে তার কাজে বাধা দেয়, কোলে বসে যায় এবং তাকে চমকে দেয়। শুভ্র রাগ করলেও রোদেলা ভয় পায় না। পরে কোচিং ভর্তির টাকা নিয়ে তর্ক হয়। শুভ্র হঠাৎ হাসতে শুরু করে, রোদেলা অবাক। গাড়িতে উঠে সে তাকে তাকিয়ে বিরক্ত করে, শুভ্র গাড়ি থামিয়ে তার ওড়না কেড়ে নেয় এবং এক সপ্তাহের জন্য আজ্ঞা মানার শর্ত দেয়।

#তোকে চাই | পর্ব ৬+৭+৮+৯ | শুভ্রের ভাঙা মন ও রোদেলার সাহস

শুভ্র রোদেলাকে নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় এবং নীলিমার জন্য কাঁদে, তার হারানো ভালোবাসার কথা বলে। রোদেলা তাকে সান্ত্বনা দেয়, কিন্তু শুভ্র জ্বরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে শুভ্র রোদেলাকে স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দেয়। মামু রোদেলাকে কোচিংয়ে ভর্তি করার নির্দেশ দেয়, আর রোদেলা নিজের স্বপ্নের জন্য লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

#তোকে চাই | পর্ব ৩+৪+৫ | রোদেলার সাহস ও শুভ্রের রহস্যময় আচরণ

রোদেলা শুভ্রের রোমান্স দেখে ভয়ে কাঁপে, শাস্তি পায় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে। পরে তার নির্যাতনে সাহস করে প্রতিবাদ করে। শুভ্র রহস্যময়ভাবে আচরণ করে, রোদেলা বুঝতে পারে তার মনে কিছু গভীর লুকানো আছে।

#তোকে চাই | পর্ব ১+২ | বাসর রাতের ভয় ও শুভ্রের ঘৃণা

বাসর রাতে রোদেলা ভয়ে কাঁপছে, কারণ তার স্বামী শুভ্র তাকে ঘৃণা করে। টাকার বিনিময়ে বিয়ে মনে করে সে তার শরীরে টাকা ছুঁড়ে দেয়। রোদেলার জীবনের কাল হয়ে উঠলো ২৫ সেপ্টেম্বর। বিয়ের দিন মামুর আগমনে পরিবারের গোপন ইতিহাস ফাঁস হয়।

কনফিউশন | পর্ব ৪৮ | আরশির বিয়ে ও কাব্যর হারানো ভালোবাসা

আরশির বিয়ে হয়ে যায় আনন্দের সাথে, কিন্তু সে কাব্যকে ভালোবাসে। কাব্য সারপ্রাইজ দিতে এসে শেষ মুহূর্তে জানতে পারে সব। আরশি শ্বশুরবাড়ি যায়, কাব্য ভেঙে পড়ে। দুই প্রেমিকের ভাগ্য বিধ্বস্ত হয় এক মিথ্যা ও অপ্রত্যাশিত বিচ্ছেদে।

কনফিউশন | পর্ব ৪৭ | আরশির বিয়ের সিদ্ধান্ত ও কাব্যর হতাশা

আরশি হঠাৎ বিয়েতে রাজি হয়, কিন্তু কাব্য এই খবর শুনে আতঙ্কিত হয়ে ঢাকায় ফিরতে ছোটে। সোশ্যাল মিডিয়া ও ফোন বন্ধ পেয়ে সে আরশির খোঁজে হিমশিম খায়। টিকিট ক্যান্সেল, শ্রীলঙ্কা হয়ে যাত্রার পরিকল্পনা, কিন্তু ফ্লাইট ডিলে হয়ে যায়। কাব্য ধৈর্য হারায়।

কনফিউশন | পর্ব ৪৬ | আরশির বিয়ের চাপ ও কাব্যর নিরুত্তর ভালোবাসা

আরশির বিয়ের চাপে পড়ে সাহিল এবং রশ্নি। কাব্যর কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে কথা বলতে গেলে আরশি শোনে কঠিন সত্য—কাব্য তাকে ভালোবাসে না, শুধু পছন্দ করে। এই নিরুত্তর ভালোবাসায় ভেঙে পড়ে আরশি, আর কাব্য চুপ করে থাকে।

কনফিউশন | পর্ব ৪৫ | তিরার মাফ ও যাদিদের গভীর ভালোবাসা

তিরা ও যাদিদের মধ্যে গভীর আবেগের মুহূর্ত আসে যখন যাদিদ তিরাকে মাফ করে দেয় এবং গর্ভবতী তিরার পেটে হাত রেখে ভবিষ্যতের কথা বলে। তিরা জানতে পারে যাদিদ তাকে প্রতিদিন মিস করেছে এবং তার চিঠি বারবার পড়েছে। দুজনের মধ্যে পুনরায় ভালোবাসার সম্পর্ক জেগে ওঠে।

কনফিউশন | পর্ব ৪৪ | তিরার আত্মহত্যার চেষ্টা ও যাদিদের ফিরে আসা

তিরা যাদিদের ফিরে আসতে দেখে বাথরুমে লুকিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। যাদিদ দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে, রাগে চড় মারে, কিন্তু মায়ের কথায় শান্ত হয়। রেহানা জানায় তিরা মেয়ে সন্তান ধারণ করেছে। যাদিদ মানসিকভাবে বিচলিত হয়ে পড়ে, আর তিরা তার সামনে যেতে ভয় পায়।