কনফিউশন | পর্ব ১৯ | আরশির বিষন্নতা ও কাব্যর মিষ্টি প্রস্তাব

আরশি তিরার সাথে নিউমার্কেটে যায় এবং কাব্যকে গোপনে মেসেজ দেয়। কাব্যের সাথে মিষ্টি খেতে যাওয়ার পথে আরশি মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। কাব্য তার জন্য মেরুন কাতান শাড়ি কিনে দেয়, কিন্তু আরশি গায়ে হলুদে যায় না। বিয়ের দিন সে ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আর তিরা শ্বশুরবাড়িতে নতুন জীবন শুরু করে।

কনফিউশন | পর্ব ১৮ | কাব্যর সিগারেট ছাড়ার সংকল্প ও আরশির হলুদের বিতর্ক

কাব্য আরশির সামনে সিগারেট না খাওয়ার সংকল্প ভাঙেনি, ট্রেনে বেনসন লাইট খেয়েও নিভিয়ে ফেলে। আরশি চা গরম করার কৌশলে মুগ্ধ করে, আর কাব্য স্টিফেন কিংয়ের গল্পে তাকে আকৃষ্ট করে। হলুদের অনুষ্ঠানে আরশির পোশাক নিয়ে ফুপির সমালোচনায় তৈরি হয় টানাপোড়েন।

কনফিউশন | পর্ব ১৭ | আরশির লজ্জা ও কাব্যর চকলেট

আরশি ভাবী রশ্নির কাছে জানতে চায় অপছন্দের মানুষকে কি ভালোবাসা যায়, আর কাব্য সিগারেটের পর চকলেট খেয়ে আরশির জন্য ফিরে আসে। ঘুম ভাঙা আরশির এলোচুলে মুগ্ধ হয় কাব্য, আর তার গাঢ় রঙের জামা না পরার কারণে লজ্জা পাওয়ায় সে আশ্চর্য হয়।

কনফিউশন | পর্ব ১৬ | আরশির পরিচিত কাব্য ও সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যকে নিজের পরিচিত বলে ঘোষণা করে, যার মধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের তালিকা রয়েছে। ট্রেনে তাদের আলোচনা জারি থাকে, আরশি চা বানিয়ে আনে, আর কাব্য সিগারেট কমানোর কথা ভাবে। আরশির সাথে কাপ ভাগ করা কাব্যকে ভাবিয়ে তোলে, আর সে নিজের অনুভূতি নিয়ে প্রশ্ন করে।

কনফিউশন | পর্ব ১৫ | আরশির প্রথম হাসি ও কাব্যর সিগারেট ছাড়ার সংকল্প

আরশি কাব্যর সাথে ট্রেনে যাত্রা শুরু করে, যেখানে তার প্রথমবার হাসি দেখে মুগ্ধ হয় কাব্য। কাব্য সিগারেট কমানোর সংকল্প নেয় আরশির জন্য এবং মাকে বাসাভাড়া না চাওয়ার কথা বলে। আরশি কাব্যর চোখে তাকাতে লজ্জা পায়, আর কাব্য তাকে ফোন করে ভোরে ঘুম থেকে তোলার অনুরোধ করে।

কনফিউশন | পর্ব ১৪ | তিরার শাড়ি পছন্দ ও আরশি-কাব্যের চা

তিরা যাদিদের সাথে শাড়ি ও কসমেটিকস নিয়ে কথা বলে খুশি হয়, আর আরশি কাব্যের সাথে বাগানে দেখা করে বিচলিত হয়। কাব্য আরশির সাথে খুলনার বিয়েতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। আরশি কাব্যর সিগারেট কমানোর প্রচেষ্টা লক্ষ্য করে মুগ্ধ হয়, কিন্তু বুয়ার আগমনে দ্রুত চলে যায়।

কনফিউশন | পর্ব ১৩ | আরশির অনুভূতির দ্বন্দ্ব ও তিরার পাত্রদেখা

আরশি কাব্যর প্রতি ভালো লাগা ও খারাপ লাগার দ্বন্দ্বে ভোগে, আর কাব্য নিজেকে সামলাতে চায়। এদিকে তিরার পাত্রপক্ষ হিসেবে যাদিদ আসে, কথোপকথনে তিরা তার বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয় এবং বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু যাদিদের আত্মবিশ্বাস তাকে আকৃষ্ট করে।

কনফিউশন | পর্ব ১২ | তিরার নতুন ক্রাশ ও কাব্য-আরশির একাকী যাত্রা

তিরা বিয়ের জন্য দেখা যাদিদের ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং তাকে ফোন করে দুষ্টুমি করে। আরশি হাসপাতালে যায় রশ্নির সন্তান জন্মের সময়। ফেরার পথে কাব্যের সাথে একা যাত্রায় আরশির মনের অবস্থা নিয়ে কাব্য লক্ষ্য করে এবং সিগারেট না খাওয়ার কথা বলে, যা আরশিকে নড়ে দেয়।

কনফিউশন | পর্ব ১১ | আরশির প্রেমের স্বীকারোক্তি ও কাব্যর চালাকি

আরশি কাব্যকে আঙ্কেল বলে উপহাস করে, কিন্তু মনে মনে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। ভাবী রশ্নিকে জিজ্ঞাসা করে নিজের প্রেমের কথা। তিরার বাবা বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর কাব্য চাবি বন্ধ করে আরশির সাথে দেখা করার চালাকি করে।

কনফিউশন | পর্ব ১০ | আরশির একাকীত্ব ও কাব্যর মুখোমুখি দেখা

একাকী সময় কাটাচ্ছে আরশি। বইয়ের ডেলিভারিতে কাব্যের সাথে মুখোমুখি হয়ে অস্বস্তিতে পড়ে। কাব্য তিরার সাথে সম্পর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু আরশি তাকে 'আঙ্কেল' বলে উপহাস করে। কাব্য অবাক হয় আরশির বুদ্ধিমত্তায়।

কনফিউশন | পর্ব ৯ | কাব্যর বয়স ও তিরার ভাঙা স্বপ্ন

তিরা জানতে পারে কাব্য আসলে ৩৬ বছরের এবং তাকে মেয়ের মতো দেখে, যা তার প্রেমের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। আরশি বুঝতে পারে কাব্য তিরাকে বোকা বানাচ্ছে, কিন্তু নিজের প্রতি তার আগ্রহের কথা ভেবে মনে মনে বিভ্রান্ত হয়।

কনফিউশন | পর্ব ৮ | আরশির হারানো বুকমার্ক ও কাব্যর সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যর বইয়ের একটি হাতে লেখা বুকমার্ক হারিয়ে ফেলে এবং মাফ চাইতে ফোন করে। কাব্য আশ্চর্য হয়েও সাহস পায়। আরশির মাইগ্রেনের কথা শুনে কাব্য সিগারেট ছাড়ার দ্বন্দ্বে পড়ে, আর আরশি বইয়ের বুকমার্কে লুকানো আবেগ উপলব্ধি করে।