ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

মা’ওয়া | পর্ব ৫ ও শেষ পর্ব | ইশারার সিদ্ধান্ত ও বিয়ের প্রস্তুতি

বিচারের রাতে ইমামপত্নী নাবিলার চরিত্র ও ইঞ্জিমামের ধর্মীয় যুক্তি সবাইকে স্তব্ধ করে। ইশারা ছোটমাকে নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে এবং ইনজিমামের সাথে বিয়েতে রাজি হয়। পাঁচদিন পর ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়, কিন্তু কনে কলেজে ফিরতে চায়। ইনজিমাম তাকে আটকায়, আবেগের মুহূর্তে শেষ হয় গল্প।

মা’ওয়া | পর্ব ৪ | চাচির প্রস্তাব ও ইনজামের অস্বস্তি

ইশারার সাথে চাচি রাহিমা বাড়ির চারপাশে হাঁটছেন এবং সাহেদের চেম্বারে পৌঁছান। চাচি ইশারাকে সাহেদের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ইশারা লজ্জায় লাল হয়ে যায়। পরে ইনজামের সাথে দেখা হয়, যে তাকে এড়িয়ে চলে এবং ধর্মীয় কারণে একা দেখলে সমস্যা হওয়ার কথা বলে।

স্নিগ্ধ চাহনি | অন্তিম পর্ব | মৃন্ময়ীর সুখের শুরু ও মুগ্ধর আবেগঘন প্রেম

মৃন্ময়ীর ফোনে আফনানের কল আসে, কিন্তু মুগ্ধ তা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে হুমকি দেয়। মুগ্ধর আম্মু মৃন্ময়ীকে সাহস দেন। ছাদে মুগ্ধ মৃন্ময়ীর গালে চুমু দেয়, আর গল্প শেষ হয় বিয়ের তারিখ ঘোষণা ও ভাইবোনের আবেগঘন মুহূর্তে।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৬ | মুগ্ধর নাম মৃন্ময় ও আফনানের ফোন

মুগ্ধ জিসানকে জানায় যে মৃন্ময়ী তার হাফ স্ত্রী, আর তার নাম আসলে মৃন্ময়। মৃন্ময়ী চমকে যায়। পরে মুগ্ধ তাকে আবেগী ভাষায় বলে যে তার চোখ তাকে বশে এনেছে। হঠাৎ আফনানের ফোন আসে, মৃন্ময়ীর মন আবার নাড়া খায়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৫ | মৃন্ময়ীর বিয়ে ও মুগ্ধর আবেগঘন প্রস্তাব

মৃন্ময়ীর ভাই ধ্রুব তাকে মুগ্ধর সাথে দেখা করতে পাঠায়। রেস্টুরেন্টে মুগ্ধ তার আবেগপ্রবণ প্রস্তাব দেয়, কিন্তু মৃন্ময়ী বাস্তবতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তাদের কথোপকথন চলাকালে হঠাৎ মুগ্ধর কাছে এক রহস্যময় ব্যক্তি আসে এবং কিছু বলে, যা মৃন্ময়ীকে চমকে দেয়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৪ | মৃন্ময়ীর ভাঙা হৃদয় ও মুগ্ধর রোমান্টিক প্রস্তাব

মৃন্ময়ী আফনানের বিয়ের খবর শুনে হাসে, কিন্তু অর্পি বুঝতে পারে না এই হাসির পেছনের ব্যথা। বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে মুগ্ধর সাথে তার দেখা হয়, যে তাকে কদম ফুল দিয়ে মুগ্ধ করে। রঞ্জন তাকে উদ্ধার করে, আর ধ্রুব ফিরে এসে গভীর কথা বলার জন্য ডাকে।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৩ | মৃন্ময়ীর কান্না ও ধ্রুবের আশ্রয়

মৃন্ময়ী ধ্রুবকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে, মায়ের অভাব ও বাবার মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে নেয়। ধ্রুব তাকে সান্ত্বনা দেয়, নিজের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেয়। দুই ভাইবোনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত চলছে, আর ধ্রুব হাসিমুখে ফিরিয়ে আনে মৃন্ময়ীর হাসি।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ২ | মৃন্ময়ীর একাকীত্ব ও রহস্যময় তরূ

মুগ্ধের সাথে মৃন্ময়ীর রাতের দেখা হয়, কিন্তু তার মন ভারী একাকীত্বে। বাগানে কাঁদতে কাঁদতে তাকে ডাকে রহস্যময় তরূ। আফনানের প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর মৃন্ময়ীর জীবনে নতুন আশার সঞ্চার হয়।

স্নিগ্ধ চাহনি | সূচনা পর্ব | মৃন্ময়ীর অপেক্ষা ও মুগ্ধর আগমন

মৃন্ময়ী কাজি অফিসের বাইরে পাঁচ ঘণ্টা ধরে আফনানের অপেক্ষায় বসে আছে, কিন্তু সে আসেনি। হতাশাগ্রস্ত মৃন্ময়ীকে রাস্তায় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে দেখে মুগ্ধ। তাকে উদ্ধার করে এক অজানা হয়রানি থেকে। দুজনের মধ্যে শুরু হয় এক নীরব যাত্রা, যেখানে আলোর আভায় ভেসে ওঠে অনুভূতি।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৩ | রুহানির বাজিমাত ও রনকের স্বপ্ন

রুহানি ফালাকের নাম্বার ছড়ানোর পরিকল্পনা করে, কিন্তু ভুল নাম্বারে ফাঁদে পড়ে। স্যার তাকে রনকের সাথে বসায়। গ্রামের ছেলে রনকের বাবার স্বপ্নের কথা শুনে রুহানির মন নরম হয়। ফালাক দূর থেকে সব দেখে।

অনুভবে আজো তুমি | অন্তিম পর্ব | মেহেরের মা হওয়া ও ফায়াজের সুখের সমাপ্তি

মেহের টুইন বাচ্চার মা হয়েছে—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। ফায়াজ আনন্দে ভেঙে পড়ে। চার বছর পর, পরিবার সুখে আছে। সকালের নাস্তা, স্কুল পাঠানো, আর রাতে ফায়াজের লাল শাড়ি উপহার—সবেতে ভরপুর তাদের ভালোবাসা। গল্পের শেষ হয় সুখের নেশায়।