ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩ | রায়ীনের চা-এর আমন্ত্রণ ও রুহির প্রতিরোধ

রায়ীন রুহিকে খুঁজে পেয়ে তাকে চা খাওয়ার জন্য অনুনয় করে। রুহি প্রাথমিকভাবে প্রত্যাখ্যান করলেও শেষপর্যন্ত পাঁচ মিনিটের জন্য রাজি হয়। রায়ীন জানায়, সে তাকে ডিভোর্স করতে নিতে এসেছে, নতুন করে বিয়ে করতে নয়। রুহি চমকে যায় এই সত্য শুনে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২ | রুহির মানসিক সংগ্রাম ও রায়ীনের প্রত্যাবর্তন

রুহি রায়ীনের প্রস্তাবে বিচলিত হয়ে বাসায় ফিরে মানসিক সংগ্রামে জর্জরিত। মা দিলারা তার অবস্থা লক্ষ্য করেন। শুভের সাথে কথা বলতে গিয়ে রুহি ফাঁস করে দেয় যে রায়ীন ফিরে এসেছে। শুভ বিস্মিত হয়ে যায়। রাত বারোটা বাজে, একটি নতুন দিন শুরু হয় অনিশ্চয়তার মধ্যে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১ | রুহির কফিশপ দেখা ও রায়ীনের অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব

রুহি গুলশানের টেরাকোটা কফিশপে পৌঁছে দেখা হয় রায়ীনের সাথে, যাকে সে পাঁচ বছর ধরে ভুলে থাকার চেষ্টা করছিল। রায়ীন অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে ফিরে পেতে চায়, আর সেই কথা শুনে রুহির কফি ছিটকে পড়ে তার মুখে।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব | শিয়ার বই প্রকাশ ও জিয়া-আয়ানের সুখের সংসার

জিয়া শিয়াকে উপহার দেয় তার প্রথম বই, যা প্রকাশিত হয়েছে। শিয়া কাঁদে, আনন্দে ভাসে। কয়েক মাস পর, জিয়া-আয়ানের সুখী দাম্পত্য জীবন চলছে। আয়ান জিয়াকে বই মেলায় নিয়ে যায়, যেখানে শিয়া আসে লেখিকা হিসেবে। পরিবার মিলনের মাঝে গল্প শেষ হয় সুখের আলোতে।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব ২ | শিয়ার সত্য ও জিয়া-আয়ানের বিয়ে

শিয়া আয়ানকে জানালো জিয়ার সত্য ভালোবাসার কথা। বিয়ের আসরে জিয়া কনে হয়ে আয়ানকে বিয়ে করে, আর শিয়া ক্যামেরা হাতে ছবি তোলে। মা-বাবা শিয়াকে ফিরে পেয়ে কাঁদেন। সবাই মিলে শেষ রাত পর্যন্ত উৎসব করে।

হৃদমাঝারে অন্তিম পর্ব ১ | জিয়ার গোপন ভালোবাসা ও শিয়ার বিয়ের আয়োজন

জিয়া ভালোবেসে ফেলেছে আয়ানকে, কিন্তু শিয়ার আনন্দ দেখে নিজের কষ্ট চেপে রাখে। শিয়ার বিয়ের আগের দিনে মেহেন্দী, আইবুড়ো ভাত, গায়ে হলুদের মধ্যে দিয়ে চলে প্রস্তুতি। জিয়া নিজেকে সামলাচ্ছে, কিন্তু হৃদয়ের ব্যথা লুকোতে পারছে না।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১৬ | আয়ানের চুম্বন ও রিমলির সন্দেহ

আয়ান জিয়াকে আমগাছের পিছনে টেনে নিয়ে চুম্বন করে, আর রিমলি ঘটনাটি দেখে সন্দেহভাজন হয়। জিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, শিয়ার সাথে কথা বলতে চাইলেও পারে না। রাতে রিমলি আয়ানকে তার অন্যায়ের জন্য তিরস্কার করে এবং বিয়ে ভাঙার কথা বলে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১৫ | শিয়ার আশীর্বাদ ও আংটি বদলের মুহূর্ত

শিয়ার আশীর্বাদের দিনে জিয়া বোনকে সাজিয়ে তোলে। আয়ান ও পরিবার এলে শিয়ার মনের অভিমান জাগে। বাসন্তীদেবী শিয়াকে পারিবারিক বালা দেন। আংটি বদলের সময় আয়ান জিয়ার দিকে তাকালে পরিস্থিতি সামলায় জিয়া।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১৪ | জিয়ার গোপন সিদ্ধান্ত ও আয়ানের বিয়ে মেনে নেওয়া

জিয়া আয়ানকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে চলে আসে, মনে মনে ক্ষমা চাইছে। আয়ান মা ও বোনের সামনে বিয়ে মেনে নেয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে। জিয়া পিমণিদের কাছে মর্নিং ওয়াকের ছল করে। আয়ান জিয়ার কষ্ট দেখে নিজেকে বলি দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১৩ | আয়ানের ভালোবাসা ও জিয়ার শেষ চাপ

আয়ান জিয়াকে ভালোবাসে বলে স্বীকার করে, কিন্তু জিয়া তাকে নিজের দিদিকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেয়। আয়ান মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, আর জিয়া ফটোগ্রাফি ছাড়ার হুমকি দেয়। শেষ পর্যন্ত আয়ান রাজি হয়, কিন্তু তার হৃদয় জ্বলে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১২ | জিয়ার মা-বাবার সত্য ও আয়ানের ব্লান্ডার

জিয়া মা-বাবার কাছে জানে শিয়াকে পিমণির বাড়িতে রাখার পেছনের মর্মান্তিক সত্য। অন্যদিকে, আয়ান ভুল করে শিয়াকে জিয়া ভেবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে, আর জিয়া ফোনে তাকে স্বাভাবিক ভাবে শুভেচ্ছা জানায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১১ | শিয়ার ডায়েরি ও জিয়ার অজানা কষ্ট

জিয়া রাতে শিয়ার ডায়েরি পড়ে ভেঙে পড়ে। মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত শিয়ার কষ্ট, আয়ানকে পছন্দ করা এবং নিজের ইচ্ছা দমিয়ে চলা দেখে জিয়া মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে তাকে আর কষ্ট পেতে দেবে না। সকালেই সে মা-বাবার কাছে ছুটে যায়।