ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৯ | রুহির সংঘাত ও শুভের আত্মহত্যার চেষ্টা

রুহি শুভের কথা মনে করে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে এবং রায়ীনকে জড়িয়ে কাঁদে, কিন্তু লজ্জায় সব গোপন রাখে। শুভ মাকে চাপ দিয়ে কিছু একটা চায়, হাত কেটে আত্মহত্যার ইঙ্গিত দেয়। রায়ীন রুহির চাকরি চিটাগংয়ে নিতে বলে। আফজাল রায়ীনকে জনসামনে চড় মারে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৮ | রুহির কক্সবাজার যাত্রা ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি রায়ীনের সাথে কক্সবাজারে যায় এবং হোটেলে নামে। সমুদ্রের পাশে একা হাঁটতে গিয়ে সে শুভের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়, যে তার পিছু নিয়ে এসেছে। রুহি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে তিরস্কার করে এবং বিশ্বাসঘাতক বলে ঘৃণা প্রকাশ করে। শুভ তাকে রায়ীনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, কিন্তু রুহি তার কথা শুনতে অস্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৭ | শুভের সত্য ও রুহির বিশ্বাসভঙ্গ

রুহি জানতে পারে শুভই নিয়াজ, যে পাঁচ বছর ধরে মিথ্যা পরিচয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়েছে। আবেগে ভেঙে পড়ে রুহি, আর শুভের প্রতি ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা প্রকাশ করে। এদিকে শিখা ও আফজাল রাজের ব্যবসায় বাড়াবাড়ির নেপথ্য ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৬ | রুহির সন্দেহ ও শুভের ফিরে আসা

হাসপাতাল থেকে ফিরে আসা রুহি রায়ীনের পরিবর্তিত আচরণে অবাক হয়। নিয়াজ কে সে জানতে চায়, আর রায়ীনের কাছ থেকে শোনে সে পলাতক ছিল। এদিকে রুহির ঘুমের মধ্যে শুভ আসে এবং নিজেকে প্রকাশ করে, যার মুখোমুখি হয়ে রুহি বিস্মিত হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৩ | রুহির কৌতূহল ও শশুরবাড়ির গোপন

রুহি শশুরবাড়ির পারিবারিক ছবি না থাকায় কৌতূহল প্রকাশ করে, যা নিয়ে সবাই অস্বস্তিতে পড়ে। শিখা ও রোজী তাকে সতর্ক করে, আর রায়ীন রূঢ়ভাবে মাঝপথে কথা কাটে। বাবার চাপ, শুভের কষ্ট এবং শশুরের ক্যান্সারের কথা নিয়ে রুহি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের গোপন রহস্য উঁকি দেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১২ | রুহির বাড়ির গোপন রহস্য ও রেনুর আবেগ

রুহি বাড়ির ছাদে একটি তালাবদ্ধ ঘর দেখে কৌতূহলী হয়। মর্জিনা জানায়, সবাইকে সেখানে যেতে মানা। ঝিলিক রুহির চায়ে সুগার না দিতে বলে, তার স্বামী রায়ীনের অভ্যাসের কথা উল্লেখ করে। রেনু রাতে রুহির ঘরে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলে, সে অনেকদিন পর নিজের মানুষ পেয়েছে। রায়ীন হঠাৎ ঢুকে পড়ে তাদের কথোপকথন বাধা দেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১১ | রুহির সংঘাত ও রায়ীনের গোপন কারণ

রুহি রায়ীনের অসুস্থ বাবার অবস্থা জেনে বিচলিত হয়। রায়ীন স্পষ্ট করে যে বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণের জন্যই তাকে ফিরিয়ে এনেছে। রুহি প্রস্তাব দেয় ডিভোর্সের, কিন্তু রায়ীন আবেগ দিয়ে ভাঙে। রুহি জানতে চায়, সে কি কারণে দেশ ছাড়লেন, কিন্তু রায়ীন চুপ করে থাকে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৯ | রুহির আগমন ও ঝিলিকের প্রথম দেখা

রুহি রায়ীনের বাড়িতে পৌঁছায় অবস্থায়, সবার সাথে পরিচয় হয় কিন্তু শিখার উপেক্ষা আর ঝিলিকের চ্যালেঞ্জিং আচরণে অস্বস্তিবোধ করে। রায়ীন তার সাথে তর্ক করে, আর রুহি স্পষ্ট করে দেয় যে সে তাকে মন থেকে মানেনি। বিছানা শেয়ার নিয়ে ঝগড়ায় উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৮ | রুহির অপমান ও রায়ীনের অস্বস্তি

রায়ীন রুহিকে ঘুমন্ত অবস্থায় অপমান করে, কিন্তু রুহি পাল্টা দেয় তীক্ষ্ণ মন্তব্যে। শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক চাপে ভুগছে রুহি। রায়ীন চিন্তিত হয়ে বাড়ির প্রতিক্রিয়া নিয়ে। চিটাগংয়ের বিলাসবহুল বাড়িতে পৌঁছে রুহি নিজেকে প্রশ্ন করে—কতদিন থাকবে সে এখানে?

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৬ | রুহির বাবার গোপন কথা ও মানসিক সংগ্রাম

রুহির বাবা ইয়াকুব আলী প্রকাশ করেন যে রায়ীনের জন্য পাঁচ বছর অপেক্ষার শর্তে তাকে ফিরে পেতে হবে। রুহি ভেঙে পড়ে, শুভকে হারানোর ভয়ে মানসিক সংগ্রামে জর্জরিত। বাবার কথা শুনে তার বিশ্বাসভঙ্গের আঘাত আরও গভীর হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৫ | রায়ীনের হুমকি ও রুহির মানসিক সংগ্রাম

রায়ীন রুহিকে ডিভোর্সের নামে ফিরে পেতে চায়, কিন্তু রুহি তার মিথ্যা উদ্দেশ্য ধরে ফেলে। রায়ীনের হুমকি ও উদ্ধৃত আচরণে রুহি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। বোন রুমি ও পরিবারের সাথে কথা বলে সে মানসিক শান্তি খোঁজে, কিন্তু বাবার আসা নতুন করে আশঙ্কার সৃষ্টি করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৪ | শুভের অসন্তি ও রুহির সন্দেহ

শুভ রুহির প্রতি চার বছরের ভালোবাসা নিয়ে আশায় আছে, কিন্তু রুহি রায়ীনের ফিরে আসায় দ্বিধাগ্রস্ত। রুহি ডিভোর্সের প্রসঙ্গে সন্দেহ প্রকাশ করে, আর শুভ মনে মনে ভাঙে। রুহির অন্যমনস্কতা ও অস্পষ্ট হাসি শুভের মনে অস্তি তৈরি করে, সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠে।