লেখক মৌরি মরিয়ম

কনফিউশন | পর্ব ৫ | তিরার কাব্যপ্রেম ও আরশির বিরক্তি

তিরা কাব্যর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তার ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে হাসতে হাসতে পড়ে যায়, আর আরশি কাব্যর অসভ্য মনে করে বিরক্ত হয়। কাব্য অন্ধকারে হাঁটতে হাঁটতে আরশিকে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু মনের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তিরা ও আরশির মধ্যে কাব্য নিয়ে বিতর্ক চরমে।

কনফিউশন | পর্ব ৬ | কাব্যের সাহায্য ও আরশির চা

কাব্য আরশির বাজার তুলে দেয় এবং আরশি অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে চা খেতে ডাকে। তিরা ফটোশ্যুটের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু কাব্য শুধু আরশির উপস্থিতিতে যেতে রাজি হয়। টিভির সিগারেট বিরোধী বিজ্ঞাপনে কাব্য তার রসিকতায় সবাইকে হাসায়।

কনফিউশন | পর্ব ৭ | আরশির সিগারেট বিরোধী যুদ্ধ ও ভাবীর বুদ্ধি

আরশি কাব্যর সিগারেট খাওয়া ও অসভ্যতা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায়, ফটোশ্যুটে যাওয়া মানা করে। তিরা ভাবী রশ্নির কাছে সাহায্য চায়। রশ্নি কাব্যর ভালোগুণের কথা বলে আরশিকে রাজি করাতে চায়, আর তিরা খুশি হয়ে ভাবীর বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করে।

কনফিউশন | পর্ব ৮ | আরশির হারানো বুকমার্ক ও কাব্যর সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যর বইয়ের একটি হাতে লেখা বুকমার্ক হারিয়ে ফেলে এবং মাফ চাইতে ফোন করে। কাব্য আশ্চর্য হয়েও সাহস পায়। আরশির মাইগ্রেনের কথা শুনে কাব্য সিগারেট ছাড়ার দ্বন্দ্বে পড়ে, আর আরশি বইয়ের বুকমার্কে লুকানো আবেগ উপলব্ধি করে।

কনফিউশন | পর্ব ৯ | কাব্যর বয়স ও তিরার ভাঙা স্বপ্ন

তিরা জানতে পারে কাব্য আসলে ৩৬ বছরের এবং তাকে মেয়ের মতো দেখে, যা তার প্রেমের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। আরশি বুঝতে পারে কাব্য তিরাকে বোকা বানাচ্ছে, কিন্তু নিজের প্রতি তার আগ্রহের কথা ভেবে মনে মনে বিভ্রান্ত হয়।

কনফিউশন | পর্ব ১০ | আরশির একাকীত্ব ও কাব্যর মুখোমুখি দেখা

একাকী সময় কাটাচ্ছে আরশি। বইয়ের ডেলিভারিতে কাব্যের সাথে মুখোমুখি হয়ে অস্বস্তিতে পড়ে। কাব্য তিরার সাথে সম্পর্ক নিয়ে ব্যাখ্যা দেয়, কিন্তু আরশি তাকে 'আঙ্কেল' বলে উপহাস করে। কাব্য অবাক হয় আরশির বুদ্ধিমত্তায়।

কনফিউশন | পর্ব ১১ | আরশির প্রেমের স্বীকারোক্তি ও কাব্যর চালাকি

আরশি কাব্যকে আঙ্কেল বলে উপহাস করে, কিন্তু মনে মনে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। ভাবী রশ্নিকে জিজ্ঞাসা করে নিজের প্রেমের কথা। তিরার বাবা বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর কাব্য চাবি বন্ধ করে আরশির সাথে দেখা করার চালাকি করে।

কনফিউশন | পর্ব ১২ | তিরার নতুন ক্রাশ ও কাব্য-আরশির একাকী যাত্রা

তিরা বিয়ের জন্য দেখা যাদিদের ছবি দেখে মুগ্ধ হয় এবং তাকে ফোন করে দুষ্টুমি করে। আরশি হাসপাতালে যায় রশ্নির সন্তান জন্মের সময়। ফেরার পথে কাব্যের সাথে একা যাত্রায় আরশির মনের অবস্থা নিয়ে কাব্য লক্ষ্য করে এবং সিগারেট না খাওয়ার কথা বলে, যা আরশিকে নড়ে দেয়।

কনফিউশন | পর্ব ১৩ | আরশির অনুভূতির দ্বন্দ্ব ও তিরার পাত্রদেখা

আরশি কাব্যর প্রতি ভালো লাগা ও খারাপ লাগার দ্বন্দ্বে ভোগে, আর কাব্য নিজেকে সামলাতে চায়। এদিকে তিরার পাত্রপক্ষ হিসেবে যাদিদ আসে, কথোপকথনে তিরা তার বুদ্ধিমত্তায় মুগ্ধ হয় এবং বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তোলে, কিন্তু যাদিদের আত্মবিশ্বাস তাকে আকৃষ্ট করে।

কনফিউশন | পর্ব ১৪ | তিরার শাড়ি পছন্দ ও আরশি-কাব্যের চা

তিরা যাদিদের সাথে শাড়ি ও কসমেটিকস নিয়ে কথা বলে খুশি হয়, আর আরশি কাব্যের সাথে বাগানে দেখা করে বিচলিত হয়। কাব্য আরশির সাথে খুলনার বিয়েতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। আরশি কাব্যর সিগারেট কমানোর প্রচেষ্টা লক্ষ্য করে মুগ্ধ হয়, কিন্তু বুয়ার আগমনে দ্রুত চলে যায়।

কনফিউশন | পর্ব ১৫ | আরশির প্রথম হাসি ও কাব্যর সিগারেট ছাড়ার সংকল্প

আরশি কাব্যর সাথে ট্রেনে যাত্রা শুরু করে, যেখানে তার প্রথমবার হাসি দেখে মুগ্ধ হয় কাব্য। কাব্য সিগারেট কমানোর সংকল্প নেয় আরশির জন্য এবং মাকে বাসাভাড়া না চাওয়ার কথা বলে। আরশি কাব্যর চোখে তাকাতে লজ্জা পায়, আর কাব্য তাকে ফোন করে ভোরে ঘুম থেকে তোলার অনুরোধ করে।

কনফিউশন | পর্ব ১৬ | আরশির পরিচিত কাব্য ও সিগারেটের দ্বন্দ্ব

আরশি কাব্যকে নিজের পরিচিত বলে ঘোষণা করে, যার মধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের তালিকা রয়েছে। ট্রেনে তাদের আলোচনা জারি থাকে, আরশি চা বানিয়ে আনে, আর কাব্য সিগারেট কমানোর কথা ভাবে। আরশির সাথে কাপ ভাগ করা কাব্যকে ভাবিয়ে তোলে, আর সে নিজের অনুভূতি নিয়ে প্রশ্ন করে।