ট্যাগ ভার্সিটি লাইফ

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৮ | রুহানির বাড়ি হারানো ও ভার্সিটিতে বিদ্রূপ

রুহানির পরিবারের সম্পত্তি নিলামে যায়, নতুন ভাড়া বাড়িতে সব পরিবর্তন মেনে নেয়। বাবার প্যারালাইসিসের পর পরিবার ভেঙে পড়ে। ভার্সিটিতে ফেরার পর রুহানিকে পানি ঢালা হয়, কিন্তু সে নীরব থাকে। ফালাক অস্থির হয়ে পড়ে তার অনুপস্থিতিতে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৬ | রুহানির প্রখরতা ও বাবার স্ট্রোকের খবর

রুহানি তায়েফের সাথে বন্ধুত্ব ছেড়ে পুকুর পাড়ে বসে থাকতেই ফালাকের সঙ্গে তীব্র তকরার হয়। ডিম ছোড়াছুড়ির পর সে বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যায়, কিন্তু বাড়ি ফিরে শোনে বাবার স্ট্রোকের খবর। মায়ের কান্নায় ভেঙে পড়ে রুহানি।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৩ | মৃন্ময়ীর কান্না ও ধ্রুবের আশ্রয়

মৃন্ময়ী ধ্রুবকে জড়িয়ে ধরে কাঁদে, মায়ের অভাব ও বাবার মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে নেয়। ধ্রুব তাকে সান্ত্বনা দেয়, নিজের ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দেয়। দুই ভাইবোনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত চলছে, আর ধ্রুব হাসিমুখে ফিরিয়ে আনে মৃন্ময়ীর হাসি।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৩ | রুহানির বাজিমাত ও রনকের স্বপ্ন

রুহানি ফালাকের নাম্বার ছড়ানোর পরিকল্পনা করে, কিন্তু ভুল নাম্বারে ফাঁদে পড়ে। স্যার তাকে রনকের সাথে বসায়। গ্রামের ছেলে রনকের বাবার স্বপ্নের কথা শুনে রুহানির মন নরম হয়। ফালাক দূর থেকে সব দেখে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ২ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের জরুরি মিটিং

রুহানি ফালাকের গাড়ির চাকায় পিন ঢুকিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক চাকা ফেটে যাওয়ায় জরুরি মিটিংয়ে যেতে বিপদে পড়ে। শুভের গাড়িতে চড়ে সময় মতো পৌঁছায়। এদিকে রুহানি ক্লাস টেস্টে মাত্র ৬ পায়, স্যার বাবার কাছে খবর দেবার হুমকি দেয়। রুহানি ভয়ে পড়ে যায়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ১ | রুহানি ও ফালাকের প্রথম দেখা ও সংঘাত

ভার্সিটির আতংক রুহানি আর নতুন সিনিয়র ফালাকের মুখোমুখি হওয়ায় শুরু হয় তীব্র সংঘাত। পা বাড়িয়ে ফালাক পড়ে যায়, হাসির মাঝে শুরু হয় অপমানের খেলা। কিন্তু ফালাক নিজেকে সামলায়, পাল্টা দেয় তীক্ষ্ণ কথায়। রুহানি হার মানে না, ঘোষণা করে যুদ্ধ। চ্যালেঞ্জ গৃহীত হয়। শুরু হলো প্রিয় অভিমানের গল্প।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ১২ | ফায়াজের প্রেম প্রস্তাব ও মেহেরের বিভ্রান্তি

ফায়াজ মেহেরকে প্রেম প্রস্তাব দেয় এবং বিয়ের কথা বলে। মেহের ভীত ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। সামিরাকে কাঁদতে কাঁদতে সব বলে। ফায়াজ মেহেরের অনুপস্থিতি জানতে চায়, আর মেহের পেটের ব্যথার বাহানা করে ক্লাস মিস করে। ফায়াজ মনে মনে হাসে—তার খেলা এখন শুরু হবে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১৮ | সামুর গ্লো, আদির আত্মপ্রশ্ন ও ভার্সিটি গেটে রোমান্টিক বিদায়

সামু আদির পিছনে হাত ফেলে নামছে, নিশি মজা করে চশমা খোঁজে। আদি-সামুর রোমান্টিক মুহূর্তে ভাঙে নিশির হাজিরা। সামুর মা বিদায় নেয়, আদি সামুকে সান্ত্বনা দেয়। রাতে আদি আয়নায় নিজেকে প্রশ্ন করে—ভালোবাসা কি শুধু মোহ নাকি প্রেম? সকালে ভার্সিটি গেটে সামু আদির গালে চুমু দিয়ে পালায়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ৬ | শ্রেয়ার অপমান, থাপ্পড় ও নিশির চুরি

শ্রেয়াকে গাড়িতে তুলতে জোর করে তূর্য, গালে থাপ্পড় মারে এবং পেইনকিলার দেয়। ভার্সিটিতে নিশি আপু শ্রেয়ার প্র্যাকটিক্যাল খাতা চুরি করে শাস্তি দিতে চায়। তূর্য রেগে নিশিকে ধমক দেয়, বলে শ্রেয়াকে কষ্ট দেওয়ার অধিকার শুধু তার। উত্তেজনা, অপমান ও আবেগের মধ্যে ভরপুর পর্বটি সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে আসে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৪০ | বাইকে ভর্সিটি আগমন ও রাজের রহস্যময় ফিরে আসা

আদিত্য মৌমিতাকে বাইকে করে ভার্সিটিতে নিয়ে আসেন, যেখানে সবাই অবাক হয়ে তাকায়। রাজ হঠাৎ করে উপস্থিত হয় এবং কোয়েলকে নিয়ে যায়, যদিও সে আগে থেকে জানিয়েছিল আসতে পারবে না। কোয়েল রাগী হয়, কিন্তু রাজ ব্যাখ্যা দেয় যে সে দুদিন ধরে অফিসে কাজে ব্যস্ত ছিল।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৩৮ | রাজের উদ্বেগ ও দার্জিলিং ট্যুরের ঘোষণা

রাজ কোয়েল ও অঙ্কিতের কথা মনে করে উদ্বিগ্ন হয়, কিন্তু আদিত্য জানায় অঙ্কিত মৌমিতাকে ভালোবাসে। রাজের মন হালকা হয়। পরদিন আদিত্য ঘোষণা করে দার্জিলিং ট্যুরের কথা। কোয়েল উৎসাহিত হয়, কিন্তু মৌমিতা যেতে না চাইলেও কোয়েল তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৩৫ | রাজের উদ্বেগ ও কোয়েলের গোপন

রাজ কোয়েলকে ভার্সিটির বাইরে দেখে সৌভিকের কাছ থেকে তার বিরক্তির কথা জানতে চায়। কোয়েল সত্য প্রকাশ করে আর রাজ ক্রুদ্ধ হয়। মৌমিতা শ্বাশুড়ি মায়ের ফোন পায়, আর কোয়েল রাজের সানগ্লাস নিয়ে চলে যায়। রাজ কোয়েলকে নিতে আসার আগেই তার অদৃশ্যতায় উদ্বিগ্ন হয়।