ট্যাগ ভার্সিটি লাইফ

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ২৮ | মৌমিতার সন্দেহ ও আদিত্যের বাবার আগমন

মৌমিতা আদিত্য ও রাজদার অদৃশ্যতায় সন্দেহ করে। কোয়েলের সাথে আলোচনায় উঠে আসে আদিত্যের রণিতকে মারার সন্দেহ। জিয়ার তিরস্কারে কোয়েল রেগে যায়। হঠাৎ আদিত্যের বাবা ভার্সিটিতে হাজির হয়ে আদিত্য ও রাজকে জড়িয়ে ধরেন, ঘটনায় উত্তেজনা চরমে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ২৩ | রাজের ফিরে আসা ও কোয়েলের আবেগ

রাজ ফিরে এসে ভার্সিটির মেইন গেটে হৈ-চৈ তোলে। জিয়া তাকে জড়িয়ে ধরলে আদিত্য হাসে, কিন্তু রাজ বিরক্ত হয়। কোয়েল লাইব্রেরিতে পড়ে যাওয়ার সময় রাজ তাকে ধরে রাখে। চোখে চোখ পড়তেই দুজনের মধ্যে আবেগের তীব্র প্রবাহ বয়ে যায়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৭ | আদিত্যের স্বীকারোক্তি ও মৌমিতার বেদনা

ফ্রেশার্স পার্টিতে মৌমিতাকে হয়রানির চেষ্টা করে সৌভিক, আদিত্য তাকে বাঁচায় ও শাস্তি দেয়। জিয়া আদিত্যকে অপমান করে মৌমিতার জন্য। আদিত্য জিয়াকে নিয়ে রাগ করে বলে, 'আই লাভ ইউ'—কথাটি শুনে মৌমিতা ভেঙে পড়ে। তার গন্তব্যহীন পথ চলা শুরু হয়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৪ | আদিত্যের অপরাধবোধ ও মৌমিতার অস্থিরতা

আদিত্য জানতে পারে মৌমিতার বিয়ে হয়েছে, কিন্তু স্বামী মেনে নেয়নি। কোয়েলের কথায় তীব্র অপরাধবোধে ভোগে সে। মৌমিতা আর কোয়েল ঘুরতে বেরোয়, কিন্তু কেউ যে তাদের পিছু করছে তা মৌমিতা অনুভব করে। ফ্রেশার্স পার্টি ও নাচের প্রতিযোগিতার কথা শুনে মৌমিতা নাম দিতে অস্বীকার করে। আদিত্যের কথা ভেবে অস্থির হয় সে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৩ | বিয়ের প্রস্তাব ও ভার্সিটিতে প্রথম দিন

মৌমিতার ব্লাউজের চেইন নেমে যায় বিয়েতে, অজ্ঞাত কোনো ব্যক্তি চুপিচুপি সেটা ঠিক করে দেয়। পরে অপ্রত্যাশিত বিয়ের প্রস্তাব আসে, যা মা-বাবার চাপে মেনে নেয় সে। ভার্সিটিতে প্রথম দিনে জিয়া ও তার দল তাকে হয়রানি করে, কিন্তু কোয়েলের সাহসিকতা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ২ | ভার্সিটির প্রথম দিন ও স্বামীর সাক্ষাৎ

মৌমিতা ভার্সিটিতে প্রথম দিনে র‍্যাগের মুখোমুখি হয় এবং সাহসের সাথে প্রতিরোধ করে। কোয়েল নামের এক মেয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং বন্ধুত্ব গড়ে। হোস্টেলে পৌঁছানোর পর মৌমিতা জানতে পারে তার স্বামী আদিত্য একই ভার্সিটির ছাত্র, যার সাথে সাক্ষাৎ হয়। আদিত্য তাকে আলাদা হওয়ার কথা বলে সরে যায়, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে ক্ষমা চায় বিয়ের রাতের আচরণের জন্য।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৪ | ক্লাসের কানন ও ম্যাডামের বডিগার্ড

রমিও ভার্সিটি ক্লাসে জুলি ও কাননের বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। মেয়েদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, কিন্তু কাননের আগ্রাসন ও ম্যাডামের ক্রাশ তাকে চাপে ফেলে। শেষে আন্টি তাকে জানায়—সে আসলে দুজনেরই বডিগার্ড।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৩ | ভার্সিটির হয়রানি ও কাননের চ্যালেঞ্জ

রমিও জুলির ভার্সিটিতে প্রথম দিনেই তাকে হয়রানি করা ছেলেদের হাত থেকে বাঁচায়। কানন তাকে চ্যালেঞ্জ করে গাড়িতে উঠতে, আর রমিও মানসিকভাবে চাপে থাকে। পরদিন সে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে জুলির ক্লাসে উপস্থিত থাকার অনুমতি পায়।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ৯ | জুলির ভার্সিটি যাত্রা ও অতীতের ছায়া

জুলি জ্বর সারার পর ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য রওনা হয়। পথে তার অতীতের হবু বর তাদের আটকায় এবং হুমকি দেয়। আরফিন তাকে মারধর করে বাঁচায়, কিন্তু নিজের হাত কেটে ফেলে। জুলি তার জন্য যত্ন নেয়, আরফিন ভাবে—কেন এত গভীরে জড়িয়ে যাচ্ছে সে?

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ৪-৫ | মেঘের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও বৃষ্টির অনুশোচনা

মেঘ বৃষ্টিকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়, ফুচকা খাওয়ায় এবং ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়। বৃষ্টি মেঘের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে, কিন্তু পরে অনুশোচনা করে। প্রিন্সিপ্যালের কাছে সত্য স্বীকার করে মেঘকে বাঁচায়। বৃষ্টি নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি মেঘকে ভালোবাসি?

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ১ | বৃষ্টির প্রথম প্রেম প্রস্তাব

বৃষ্টি বন্ধুদের চ্যালেঞ্জে মাথা না নেড়ে রেড টি-শার্ট পরা মেঘকে প্রেম প্রস্তাব করে। হতভম্ব মেঘ কিছু বুঝে ওঠার আগেই বৃষ্টি চলে যায়। বন্ধুদের সামনে প্রথম প্রেম প্রস্তাবের ঘটনা নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১১ | নিলিমার স্বীকারোক্তি ও ছাদের স্মৃতি

নিলিমা শিমুলের বাসায় আসে এবং তার সাথে আবেগঘন মুহূর্ত কাটায়। ছাদে বসে নিলিমা ভার্সিটির অতীত ও ভুল প্রেমের কথা মনে করে। শিমুল নিজেকে গ্রামের গাইয়াভুত ছেলে হিসেবে চিনিয়ে দেয়, যাকে নিলিমা একসময় অপমান করেছিল।