ট্যাগ হাসপাতালের গল্প

#তোকে চাই | পর্ব ৩০+৩১ | রোদেলার দুর্ঘটনা ও শুভ্রের পাগলামি

রোদেলা শপিং থেকে ফেরার পথে গাড়ি ধাক্কায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। শুভ্র তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু অপারেশন থিয়েটারের সামনে পাগলের মতো আচরণ করে। ডাক্তারদের ছুড়ে ফেলে সে রোদেলাকে ছাড়তে নারাজ। ঘুমের ওষুধ দিয়ে তাকে শান্ত করা হয়। রোদেলা জেগে উঠে শুভ্রের ভালোবাসার গভীরতা বুঝতে পারে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৫ | রুহির হাসপাতালে জ্ঞান ফেরা ও রায়ীনের যত্ন

রুহি হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পায়, কপালে তিনটি স্টিচ ও হাতে স্যালাইন নিয়ে। রায়ীন তাকে যত্ন করে, মাথা টিপে দেয় আর পানি খাওয়ায়। রুহি নিয়াজের কথা জানতে চায়, কিন্তু ক্লান্তিতে আবার ঘুমিয়ে পড়ে। এদিকে শুভ মায়ের সাথে কথা বলে রায়ীনের ফিরে আসার বিষয়ে বিদ্বেষ পোষণ করে।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২৭ | ফায়াজের অনুশোচনা ও মেহেরের জন্য প্রার্থনা

ফায়াজ মেহেরের জন্য অনুশোচনায় ভেঙে পড়ে, বন্ধুদের উপর রাগ প্রকাশ করে এবং হাসপাতালে মেহেরের কাছে চুপিসারে ভালোবাসা জানায়। মেহের চোখ খুলে ফায়াজের নাম ধরে কাঁদে, আর ফায়াজ বাড়িতে গিয়ে পরিবারের কাছে নিজেকে হারিয়ে ফেলে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৫+৬ | আরোহির হাসপাতাল থেকে ফিরে আসা ও আয়ানের প্রথম ক্লাস

আরোহি হাসপাতাল থেকে ফিরে আসে। আয়ান তাকে কোলে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কলেজে ফিরে সবাই তাকে ঘিরে থাকে। আয়ানের প্রথম ইংরেজি ক্লাসে আরোহি দেরি করে আসে, শাস্তি পায়। কিন্তু পড়ায় তার দক্ষতা দেখে আয়ান মুগ্ধ হয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২৭ | আদিবার প্রথম স্কুল দিন, আদির মা-বাবার অসুস্থতা ও গোপন মেয়ের প্রকাশ

আদিবা প্রথমবার স্কুলে যায়, পড়ে গেলেও সামু তাকে নিজে উঠতে শেখায়। আদি মেয়েকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা। হঠাৎ আদির বাবার হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। আদি ও সামু আদিবাসহ ঢাকায় যায়। আদি সামুকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরিবার জানে—আদিবা তাদের নাতনী।

সুখের নেশায় | পর্ব ৭ | চৈত্রিকার আঁচড়, সাফারাতের রাগ ও হাসপাতালের উত্তেজনা

চৈত্রিকাকে হয়রানির চেষ্টা হয়, সাফারাত তাকে উদ্ধার করে গাড়িতে তোলে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাফারাত তার কাঁধের আঁচড় দেখে রেগে আগুন, দিহানকে ছেলেদের খুঁজে বার করতে নির্দেশ দেয়। লিফটে চৈত্রিকার ওড়না সরিয়ে আঁচড়ের কারণ জানতে চায়, উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ১৮ | শ্রেয়ার বৃষ্টিস্নাত সাক্ষাত, তূর্যর হৃদয় ভাঙা সন্দেহ ও হাসপাতালের আতঙ্ক

বৃষ্টিভেজা গ্রামে শ্রেয়াকে প্রথম দেখেই মুগ্ধ হয় তূর্য। রিসোর্টে তার প্রতি আকর্ষণ গভীর হয়, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কারণে তূর্য মনে করে শ্রেয়া অন্যের স্ত্রী। হাসপাতালে ফুহাদের দুর্ঘটনার পর শ্রেয়া তূর্যকে সত্য জানায়। তূর্য তখন তার ভুল বুঝি স্বীকার করে কাঁদে। শ্রেয়ার বিরুদ্ধে অপমানের সময় তূর্য তাকে রক্ষা করে আবেগের চূড়ান্ত মুহূর্ত তৈরি করে।

আকাশে তারার মেলা | পর্ব ২৫ | আদ্রের ভাঙা হৃদয় ও তুলির অনুপস্থিতির যন্ত্রণা

মাঝরাতে আদ্র তুলির খোঁজে বেরোয়, রাদিফ সাহেব ও নিবিড় তাকে আটকাতে যায়। আদ্র মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, হাসপাতালে নেওয়া হয়। ডাক্তার আশঙ্কা করেন তুলি নেই, কিন্তু আদ্র জোর দেয় সে বেঁচে আছে। তুলির চিঠি নিয়ে স্মৃতি ফিরে আসে সবার।

আকাশে তারার মেলা | পর্ব ১২ | আদ্রের চুমু ও তুলির ভাঙা হৃদয়

আদ্র তুলির কপালে চুমু দেয়, হার্টবিট জোরে বাজে। তুলি আদ্রের বুকে মাথা রাখে, আদ্র বিয়ের কথা বলে। হাসপাতালে আদ্রের কাছে পৌঁছায় তুলি। কিন্তু হঠাৎ জানতে পারে, আদ্রের বউ সামিরা এসেছে। তুলির চোখে জল, হৃদয় ভেঙে পড়ে। প্রেম, আবেগ, ধোঁকা ও বিশ্বাসঘাতকতার মিশ্রণে ভরপুর পর্বটি।

আকাশে তারার মেলা | পর্ব ২ | তুলির প্রথম দেখা আদ্রের সাথে এবং হাসপাতালের ইচ্ছা

তুলি ছাদে আদ্রের সাথে প্রথম দেখা করে, যে তাকে 'তুলা' বলে ডাকে। হাতিরঝিলে উৎপাতকারী ছেলেদের হাত থেকে ইনশিতা ও তুলিকে উদ্ধার করে আদ্র। তুলি আদ্রের প্রতি মুগ্ধ হয়, আর পরদিন সকালে তাকে কলেজে ভর্তি করানোর জন্য নিতে আসে। তুলি হাসপাতাল দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করে, আর আদ্র তাকে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ১২ | নিলীমার প্রসব ও ছেলে জনির জন্ম

নিলীমার প্রসবের সময় আসে, হুম টেনশনে ভোগে। জরুরি ভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ছেলে জনির জন্ম হয়। নিলীমা কাঁদে, হুম চোখের পানি মুছিয়ে চুমু দেয়। নাম রাখা হয় জনি। নিলীমার পাগলামি ফিরে আসে—ছেলেকে কেউ কোলে নিতে পারবে না!

সেলফিশ | পর্ব ২ | কাব্যর হাসপাতালের ঘটনা ও কলেজে ভর্তি

কাব্য রাস্তায় রক্তাক্ত প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, পুলিশের সন্দেহ এড়ায়। প্রিন্সিপাল কাব্যের মনের কষ্ট বুঝে তাকে নিজের কলেজে ভর্তির সুযোগ দেয়। পরদিন কলেজে প্রবেশের সময় এক সুন্দরী মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে চড় মারে।