সিরিজ সেলফিশ

সেলফিশ | পর্ব ১ | কাব্যর ভালোবাসা ও স্বর্নার নির্মম সত্য

কাব্য স্বর্নাকে ভালোবাসে, কিন্তু স্বর্না ঘৃণা করে তাকে, জানিয়ে দেয় সব ভালোবাসা ছিল অভিনয়। কাব্য ভেঙে পড়ে, বাড়িতে পিতামাতার অপমান, বইয়ের উপর আগুন। হতাশায় ঢাকায় চলে আসে। একা, দরিদ্র, কিন্তু আশার আলো জ্বলে যখন বাড়িওয়ালার ছেলেকে পড়ানোর সুযোগ পায়।

সেলফিশ | পর্ব ২ | কাব্যর হাসপাতালের ঘটনা ও কলেজে ভর্তি

কাব্য রাস্তায় রক্তাক্ত প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, পুলিশের সন্দেহ এড়ায়। প্রিন্সিপাল কাব্যের মনের কষ্ট বুঝে তাকে নিজের কলেজে ভর্তির সুযোগ দেয়। পরদিন কলেজে প্রবেশের সময় এক সুন্দরী মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে চড় মারে।

সেলফিশ | পর্ব ৩ | কাব্যর নতুন চাকরি ও কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ

কাব্য একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং আশার আলো দেখতে শুরু করে। বাড়িওয়ালার মেয়ের জন্য ঘর ছাড়তে হয়, কিন্তু আন্টির যত্নে সকালের খাবার পায়। কলেজে প্রথম দিনেই মিরা তাকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গ করে, আর স্যার তাকে অবহেলা করেন। ক্লাসে সবাই তার পোশাক দেখে হাসে, আর মন ভারী হয়।

সেলফিশ | পর্ব ৪ | মিরার বাজি ও কাব্যর প্রতি অদ্ভুত আচরণ

মিরা বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে কাব্যকে প্রেমে ফেলার চ্যালেঞ্জ নেয়। ক্লাসে তাকে তাকিয়ে হাসে, তারপর জোর করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। কাব্য বিভ্রান্ত, মিরার আচরণে ভয় পায়। মিরা ঘরে ফিরে বান্ধবীদের বলে—ওকে দুর্বল করার প্লান চলছে, কিন্তু সে নিজেই পড়বে না।

সেলফিশ | পর্ব ৫ | মিরার অজানা ভালোবাসা ও কাব্যর জ্বর

মিরা কাব্যকে বন্ধুত্বের ছলে প্রেমে ফেলতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে নিজেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কাব্য জ্বরে ভুগছে, মিরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বান্ধবীরা মিরার আচরণ দেখে বুঝতে পারে সে কাব্যকে ভালোবাসছে। রাতে মিরা নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাসি?

সেলফিশ | পর্ব ৬ | কাব্যর রহস্যময় জ্বর ও মিরার ভয়াবহ স্বপ্ন

কাব্য জ্বরে ভুগছে, ঘুম থেকে উঠে মুখে লিপস্টিকের দাগ দেখে বিস্মিত হয়। মিরা ভয়ানক স্বপ্ন দেখে, যেখানে তাকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়। স্বপ্নের প্রভাবে সে সবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরা স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে, কিন্তু বান্ধবীরা বিশ্বাস করে না।

সেলফিশ | পর্ব ৭ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও স্বর্নার অপ্রত্যাশিত ফিরে আসা

মিরা বান্ধবীদের কাছে স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাকে প্রপোজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তার আগেই কাব্যকে জড়িয়ে ধরে স্বর্না, যে ভেবেছিল সে হারিয়ে গেছে। মিরা স্বর্নাকে চড় মারে, আর কাব্য দেখে তার অতীতের বেদনা ফিরে আসে। চাঞ্চল্যকর মুহূর্তে গল্প থামে।

সেলফিশ | পর্ব ৮ | স্বর্নার ফিরে আসা ও কাব্যর চাকরি হারানোর চাঞ্চল্য

স্বর্না হঠাৎ কাব্যের সামনে হাজির হয় এবং তাকে ভালোবাসার কথা ঘোষণা করে, কিন্তু কাব্য তাকে চেনে না। মিরা ও স্বর্নার মধ্যে তীব্র তর্ক শুরু হয়। কাব্য মানসিকভাবে বিপাকে পড়ে। পরদিন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন কোম্পানিতে দ্বিগুণ বেতনের অফার আসে। নতুন বস বোরকাধারী এক রহস্যময় মহিলা, যার কণ্ঠস্বর পরিচিত লাগে কাব্যের।

সেলফিশ | পর্ব ৯ | কাব্যর নতুন চাকরি ও মিরার রহস্যময় ডাক

কাব্য নতুন অফিসে চাকরি পায় এবং ম্যামের প্রশংসা পায়, কিন্তু ম্যাম মেয়েদের সাথে কথা বললে রাগ করেন। কলেজে স্বর্না তাকে বিরক্ত করে, আর মিরা রাগ করে পার্কে ডাকে। মিরার কালো শাড়িতে মুগ্ধ হয় কাব্য, কিন্তু মনে মনে ভাবে স্বর্নাকে দূর করতে মিরার সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় করার পরিকল্পনা।

সেলফিশ | পর্ব ১০ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও কাব্যর প্রতিক্রিয়া

মিরা কালো শাড়ি পরে কাব্যকে মুগ্ধ করে, আর তার সামনে স্বীকার করে তাকে ভালোবাসে। কাব্য প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও শেষে মিরাকে জড়িয়ে নেয়। স্বর্না তাদের দেখে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়। অফিসে ম্যাম কাব্যকে জানায়, তাকে পার্কে তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা গেছে।

সেলফিশ | পর্ব ১১ | কাব্যর মিরাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ও ম্যামের রহস্যময় সারপ্রাইজ

কাব্য ম্যামকে সব সত্য বলে, মিরাকে ভালোবাসে না বলে মন ভাঙায়। মিরা কাঁদে, কিন্তু কাব্য নিজেকে খারাপ বানিয়ে সম্পর্ক ছেদ করে। পরদিন অফিসের ম্যাম তার ঘরে হাজির হয় এক রহস্যময় সারপ্রাইজ নিয়ে।

সেলফিশ | পর্ব ১২ | মিরার সাথে রাত ও স্বর্নার গর্ভবতী হওয়ার চাঞ্চল্য

মিরা কাব্যের ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আসে এবং তাকে নিজের করে নেওয়ার কথা বলে। পরদিন স্বর্না হাজির হয়ে ঘোষণা করে সে কাব্যের সন্তান নিয়ে গর্ভবতী। কাব্য অস্বীকার করলেও স্বর্না স্মরণ করায় জ্বরের রাতের ঘটনা। মিরা শুনে চড় মারে কাব্যকে এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে।