হৃদমাঝারে | পর্ব ৭ | আয়ানের বিয়ের সম্পর্ক ও জিয়ার ফোন

আয়ান কলকাতায় ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছিল, কিন্তু মা বাসন্তীদেবী ও বোন রিমলি তাকে জিয়ার সাথে বিয়ের সম্পর্ক ঠিক করার কথা জানায়। আয়ান প্রথমে রাগ করলেও জিয়ার ছবি দেখে আবেগে ভেঙে পড়ে। রাতে জিয়ার ফোনে বিয়ে নিয়ে আলোচনায় উভয়ের মনের কথা ফুটে ওঠে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৬ | আয়ানের কলকাতা ফেরা ও মায়ের কৌশল

আয়ানের মা বাসন্তীদেবী ও বোন রিমলি মিলে তাকে কলকাতায় ফিরতে রাজি করায় ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে। ট্রেনে করে কলকাতায় পৌঁছানোর পর আয়ান বাসন্তীদেবীর সাথে মিলন ঘটে, যেখানে মায়ের আবেগ ও অতীতের কথা ফুটে ওঠে। জিয়ার সাথে তার বন্ধন এগোলেও আয়ান পরিবারের প্রতি দায়বদ্ধতা অনুভব করে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৩ | জিয়ার সূর্যোদয় ফটোগ্রাফি ও আয়ানের চা-এর ইচ্ছা

জিয়া টাইগার হিলে সূর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য ক্যামেরায় বন্দী করে। আয়ান অনিচ্ছা সত্ত্বেও দুধ চা খান, আর ছাত্রীদের মধ্যে তাঁকে নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। পৌলমী আয়ানের ধমকে মনমরা হয়ে পড়ে। শিলিগুড়ি ফেরার আগে সবাই চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ২ | জিয়া ও আয়ানের চা-এর দোকানের মুহূর্ত

জিয়া আর আয়ানের আকস্মিক দেখা হয় প্রকৃতির মাঝে। জিয়া ছবি তুলছিল, আয়ান হঠাৎ সামনে এসে পড়ে ছবি নষ্ট করে দেয়। ঝামেলা থেকে শুরু হয় গল্প, চা-এর দোকানে দুধ চা খেয়ে আয়ান প্রথমবার বাঙালি স্বাদ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে জমে আলাপ, মজা, আর অদ্ভুত নীরবতা।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৮ | রুহানির বাড়ি হারানো ও ভার্সিটিতে বিদ্রূপ

রুহানির পরিবারের সম্পত্তি নিলামে যায়, নতুন ভাড়া বাড়িতে সব পরিবর্তন মেনে নেয়। বাবার প্যারালাইসিসের পর পরিবার ভেঙে পড়ে। ভার্সিটিতে ফেরার পর রুহানিকে পানি ঢালা হয়, কিন্তু সে নীরব থাকে। ফালাক অস্থির হয়ে পড়ে তার অনুপস্থিতিতে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১ | জিয়ার প্রেমের ইশারা ও আয়ানের গম্ভীর চোখ

জিয়া অফিস ট্যুরে দার্জিলিংয়ের হোটেল স্নো হোয়াইটে পৌঁছায়, যেখানে সে ক্যামেরা হাতে প্রকৃতির ছবি তোলে। এক কলেজ কাপলকে সাহায্য করতে গিয়ে তার দেখা হয় গম্ভীর প্রফেসর আয়ান রায় চৌধুরীর সাথে। তাদের প্রথম কথোপকথনে জিয়া তাঁকে হানিমুনে এসেছেন বলে মন্তব্য করে অপ্রস্তুত করে দেয়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৭ | রুহানির বাবার প্যারালাইসিস ও পরিবারের ভাঙন

রুহানি হাসপাতালে ছুটে যায় বাবার খবরে, কিন্তু ডাক্তার জানায় তিনি প্যারালাইজড হয়েছেন। পরিবারের সম্পত্তি নিলামে উঠতে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সে। আতাউর রহমান তাকে আশ্রয়ের প্রস্তাব দেন। ফালাক রুহানিকে না পেয়ে অস্থির হয়ে পড়ে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৬ | রুহানির প্রখরতা ও বাবার স্ট্রোকের খবর

রুহানি তায়েফের সাথে বন্ধুত্ব ছেড়ে পুকুর পাড়ে বসে থাকতেই ফালাকের সঙ্গে তীব্র তকরার হয়। ডিম ছোড়াছুড়ির পর সে বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে যায়, কিন্তু বাড়ি ফিরে শোনে বাবার স্ট্রোকের খবর। মায়ের কান্নায় ভেঙে পড়ে রুহানি।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৪ | রুহানির প্রতিশোধ ও ফালাকের ঝাল কফি

রুহানি ফালাকের কফিতে মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ফালাক ঝাল সহ্য করতে না পেরে রাগে কাঁপে এবং রুহানিকে তাড়া করে। পুকুর পাড়ে দুজনের তীব্র মুখোমুখি হয়, যেখানে ফালাক রুহানিকে 'বিল্লি রাণী' বলে ডাকে আর রুহানি জবাব দেয়, 'আপনি খাটাশের সর্দার'।