লেখক রিয়া সেন দত্ত

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ১ | মৈনাক-অপর্ণার আদালতের যুদ্ধ

মৈনাক বসু, কলকাতার নামকরা ব্যারিস্টার, আদালতে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অপর্ণার কাছে পরাজিত হয়ে হতবাক। অপর্ণা নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছে, আর মৈনাক নিজের পেশার সাথে নিজেরই যুদ্ধে জড়িয়েছে। অতীতের বিষ এখন আদালতের মঞ্চে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ২ | অপর্ণার প্রথম রাতের অপমান ও মৈনাকের প্রত্যাখ্যান

বিয়ের প্রথম রাতে অপর্ণা মৈনাকের কাছ থেকে তীব্র প্রত্যাখ্যান ও অপমান সহ্য করে। স্বামীর ঘৃণা, টাকার বিনিময়ে বিয়ের অভিযোগ এবং নিষিদ্ধ ঘরে ঢোকার অপরাধে সে ভয়ে কাঁদে। মনপ্রভা দেবী নিজের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন, আর ইন্দ্রানী ও সুপ্রতীক ঘটনা জেনে আসেন।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৩ | অপর্ণার লড়াই ও মৈনাকের বিবেকের দ্বন্দ্ব

অপর্ণা ননদ-নন্দর সাহায্যে তীর্থের জামিনের জন্য লড়াই শুরু করে। মৈনাক বসু বিবেকের দ্বন্দ্বে ভোগে, কারণ তাকে ধর্ষণকারীর পক্ষে মামলা লড়তে হচ্ছে। অপর্ণা মৈনাককে ভালোবাসে জেনে ইন্দ্রানী নাড়া খায়। পারিবারিক সমর্থন ও আইনি যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চলছে প্রেম, বিশ্বাস ও ন্যায়ের লড়াই।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৪ | অপর্ণার পড়াশোনা ও মৈনাকের অপরাধবোধ

অপর্ণা আলিপুরদুয়ারে সুপ্রতীক ও ইন্দ্রানীর সান্নিধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সুস্থ হতে শুরু করে এবং আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মৈনাক তার বাবার কাছ থেকে সব সত্য জেনে অপরাধবোধে ভুগতে থাকে। অপর্ণার বাবার মৃত্যুতে মৈনাক গ্রামে যায় এবং তার মনে প্রশ্ন জাগে তার নিজের আচরণ নিয়ে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | শেষ পর্ব | মৈনাক-অপর্ণার পুনর্মিলন ও সুখের সমাপ্তি

মৈনাক অপর্ণার ফ্ল্যাটে এসে তার ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চায়। অপর্ণার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করে বসু ভিলায় ফিরে আসে। এক বছর পর অপর্ণা গর্ভবতী হয়, আর তীর্থ বেকসুর খালাস পায়। সত্যেন ঘটক ও তার ছেলে দোষী সাব্যস্ত হয়। প্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের জয়ে গল্পের শেষ।