ক্যাটাগরি ডার্ক রোমান্টিক

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১০ | হানিমুনের পর আদি-সামুর নতুন দিন ও রাস্তায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা

আদি-সামু হানিমুন থেকে ফিরছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সামু আদির যত্ন দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু আদির কিউট আচরণে রাগ-ভালোবাসা মিশে যায়। রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনায় আদি আহত হয়। সামু রেগে আগুন হয়ে দুষ্টু ড্রাইভারকে মারতে ছোটে। আদি বুঝতে পারে, সামু তাকে ভালোবাসে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৯ | কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে আসা সামান্তার আতঙ্ক ও আদির রোমান্টিক জোরজবরদস্তি

আদি সামান্তাকে কিডন্যাপ করে হানিমুনে নিয়ে যায়। সামান্তা প্রথমে ভয় পেলেও আদির আবেগঘন আচরণে বিভ্রান্ত হয়। রাতে আদি তাকে জোরে চুমু দেয় এবং ভালোবাসার স্বীকারোক্তি করে। সামান্তা অন্য রুমে ঘুমাতে চাইলে আদি সব দরজা লক করে দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৩ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদির বোকা বনানো

সামান্তা আদির বদনাম করার প্রতিশোধ নেয় গাড়িতে বসেই। আদি রাগে স্পিড বাড়ায়, কিন্তু সামান্তা ভয় পায় না। সন্ধ্যায় লুডুর গুটি ছড়িয়ে পড়লে আদিকে গুগল করতে বাধ্য করে সে। আদি বোকা বনে যায়, আর সামান্তা হাসে জয়ী হয়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৭ | চৈত্রিকার সত্য উন্মোচন, সাফারাতের ভালোবাসা ও সিনথিয়ার রহস্য ফাঁস

চৈত্রিকা সচেতন হয়ে উঠে সিনথিয়াকে দেখে বিচলিত হয়। সাফারাতের কাছে ক্ষমা চায়, কিন্তু সাফারাত তাকে জানায় তার প্রতি গভীর ভালোবাসা। সিনথিয়া ফাঁস করে দেয় সে কখনও সাফারাতের বউ ছিল না, বরং আয়ানের স্ত্রী। অতীতের সব রহস্য উন্মোচিত হয়, আর চৈত্রিকা বুঝতে পারে সে সত্যিকারের ভাগ্যবতী।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১ ও ২ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদিলের অজানা অনুভূতি

সামান্তা বিয়ের পরপরই আদিলের ঘরে ঢুকতে অস্বীকার করে প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা করে। আদিল তাকে অবহেলা করলেও সামান্তা নিজেকে লুকিয়ে রাখে। দুই মাস পর, আদিল তাকে ছাদে দেখে রাগে ফেটে যায়। সামান্তাকে ভার্সিটি ড্রপ করতে গাড়ি চালানোর সময় সে বুঝতে পারে, সামান্তা তাকে চিনছে না—এবং তার স্বামীকে লাফাঙ্গা বলছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২০ | চৈত্রিকার দায়িত্ববোধ ও সাফারাতের জরুরি বিয়ের আদেশ

চৈত্রিকা পরিবারের দায়িত্বের কথা ভেবে বিয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় সাফারাত রাগান্বিত হয়। সে তাকে জোর করে বিয়ে করার আদেশ দেয়, কিন্তু চৈত্রিকা চাকরি ও পরিবার স্থিতিশীল করার পর বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সাফারাত এক মাসের সময় দেয়, আর শেষে জারবেরা ফুলের ইঙ্গিত ও চুমুতে ভালোবাসা প্রকাশ করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৫ | সাফারাতের রাগের আগুন ও চৈত্রিকার কান্না

জেরিন চৈত্রিকাকে অপমান করতে রেস্টুরেন্টে আসে, কিন্তু সাফারাত তাকে থাপ্পড় মেরে তাড়ায়। চৈত্রিকা মিহিতার বাসায় কাঁদছিল, আর সাফারাত তাকে নিচে ডাকে। গাড়ির পাশে তাকে জড়িয়ে ধরে সাফারাত জানতে চায় কেন কাঁদছে। চৈত্রিকা স্বীকার করে সে তার বিয়ের খবরে ভেঙে পড়েছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৪ | চৈত্রিকার চা ও জেরিনের হুমকি

চৈত্রিকা সাফারাতের বাড়িতে চা নিয়ে আসে, মিহিতার সন্দেহ বাড়ে। সাফারাত চৈত্রিকাকে প্রতিদিন চা বানানোর আবেদন জানায়। গাড়িতে তার গালে আঘাতের ভ্রম হয়। জেরিন তাকে থাপ্পড় মারতে চায়, চৈত্রিকা প্রতিবাদ করে। জেরিন মিথ্যে বিয়ের কথা বলে সাফারাতের দাদিকে ফোন করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৬ | সাফারাতের গোপন শত্রু, পৃথকের অপরাধ ও চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনা

সাফারাত জানতে পারে চৈত্রিকার বাবার দুর্ঘটনার পিছনে তার চাচাতো ভাই পৃথকের হাত আছে। পুলিশের কাছে প্রমাণ জমা দেয় সে। চৈত্রিকা বাবার ওষুধ কিনতে ফার্মেসীতে যায়, হঠাৎ শরীরে তীব্র ব্যথা অনুভব করে। সাফারাতের মনের গভীর ব্যথা ও প্রতিশোধের আগুন উন্মোচিত হয়।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৯ | শ্রেয়ার স্বপ্নের ভয়, তূর্যর প্রেমের কবিতা ও সিনথিয়ার গ্রেফতার

শ্রেয়া ভয়াবহ স্বপ্নে তূর্যর মৃত্যু দেখে কাঁদতে কাঁদতে জেগে উঠে। তূর্য তাকে শান্ত করে বেলকনিতে নিয়ে যায় এবং ভালোবাসার কবিতা শোনায়। সিনথিয়া ড্রাগস মামলায় গ্রেফতার হয়। প্রিয়ুর গায়েহলুদে তূর্য-শ্রেয়ার মজার ঝগড়া ও প্রেমের মুহূর্ত উপভোগ করে। গল্পের শেষে তূর্য শ্রেয়াকে চিরকুট লেখক হিসেবে স্বীকার করে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৮ | শ্রেয়ার মা হওয়ার ইচ্ছা ও তূর্যর আগ্রাসন, প্রিয়ুর হলুদে আতঙ্ক

শ্রেয়া তূর্যকে মা হতে চাওয়ার কথা বলে, কিন্তু তূর্য ভয়ে বিচলিত হয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়। প্রিয়ুর গায়েহলুদে এক অচেনা ছেলে শ্রেয়াকে হয়রানি করতে চায়, তূর্য তাকে নির্মমভাবে শাস্তি দেয়। শ্রেয়া ভয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তূর্যর আবেগ, আগ্রাসন ও অতিরিক্ত সুরক্ষার মধ্যে দিয়ে প্রেমের গভীরতা ফুটে ওঠে।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৫ | শ্রেয়ার ক্ষমা ও রাতের বিয়ে, তূর্যর কোমার সত্য ও বাসর রাতের হুমকি

শ্রেয়া জানতে পারে তূর্য তিন মাস পনেরো দিন কোমায় ছিলেন এবং তার বাবার মৃত্যুর পর তাকে হারানোর বেদনা সহ্য করেছেন। আরিয়ানা আপুর কাছে সত্য শুনে ভেঙে পড়ে শ্রেয়া, তূর্যর কাছে ছুটে যায় এবং ভালোবাসা স্বীকার করে। রাতের আঁধারে গোপনে বিয়ে হয়, আর বাসর রাতে তূর্য শ্রেয়াকে ভাই ডাকার অপরাধে কান ধরে দাঁড়ানোর হুমকি দেন।