ক্যাটাগরি ডার্ক রোমান্টিক

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১৩ | অভির আঘাত, বিদ্যার রাগ ও বাসের বিপদ

অভির পায়ে আঘাত পেলেও সে বিদ্যার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে। বিদ্যা রেগে রিয়াকে থাপ্পড় মারে। পরে বাসে বিদ্যার নিরাপত্তার জন্য অভি হস্তক্ষেপ করে যাত্রীদের মধ্যে বিপদ ঠেলে দেয়। বিদ্যা অভির পিছু ছাড়া দেখে বিরক্ত হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১২ | অভির প্রেম ঘোষণা ও বিদ্যার প্রতিরোধ

অভি বিদ্যার স্পর্শে তার গলার নিচে জ্বলন্ত চক্র দেখে নিশ্চিত হয় যে সে তার আসল বিদ্যা। শর্মিষ্ঠার সন্দেহ এড়িয়ে অভি বিদ্যাকে বাঁচায়। পরে রিয়াকে নির্দেশ দেয় বিদ্যাকে তার কাছে আনতে। বিদ্যা রান্নার সময় অভি তাকে জ্বালায়, আর বিদ্যা প্রতিশোধ নেয় গরম ছান্তা ও কাঁচ দিয়ে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১১ | অভির ভালোবাসা, বিদ্যার রাগ ও ট্যাটুর রহস্য

অভি বিদ্যাকে রসগোল্লা বলে ডাকে, বিদ্যা রাগ করে। অভি বাংলাদেশে তার হারানো বউয়ের খোঁজে এসেছে বলে দাবি করে। বিদ্যার ঘরে নতুন ফোন, অভির রাতের যত্ন, আর তার বুকের ট্যাটুতে লেখা 'অভির বিদ্যা'—সব মিলিয়ে বিদ্যার মনে জাগে প্রশ্ন।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১০ | অভির আগমন, বিদ্যার সন্দেহ ও রসগোল্লার ডাক

বিদ্যার বাড়িতে হাজির হয় অভি, যার চেহারা তাকে অপুর কথা মনে করিয়ে দেয়। বিদ্যার মায়ের সন্দেহ জাগে তার রক্তের পিপাসা নিয়ে। রাতে এক রহস্যময় অবয়ক তাকে ডাকে। রাস্তায় বাইক চালকের ধাক্কায় বিদ্যা বাঁচে। অভি তাকে রসগোল্লা বলে ডাকতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৮ | বৃন্দার বলি, বিদ্যার শক্তি ও শংকরের পতন

বৃন্দা পবিত্র জলে পুড়ে ভস্ম হয়ে যায় এবং বিদ্যার শরীরে প্রবেশ করে। শংকর বিদ্যাকে বলি দেওয়ার আগে গালিব ইবনে জাব্বারের নেতৃত্বে জিন আসে। আযানের শব্দে শংকর ধ্বংস হয়। অপু মারা যায়, বিদ্যাকে শিশুবিধবা করা হয়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৭ | বিদ্যার দ্বিতীয় সত্ত্বা, বৃন্দার আবির্ভাব ও অঘোরীদের বিনাশ

বিদ্যার চারপাশে আগুনের মধ্যে বসে থাকা অবস্থায় তান্ত্রিক আক্রান্ত হয়, আর রক্তচোষা মহিলা বৃন্দা তাকে ধ্বংস করে। বৃন্দা প্রকাশ্যে আসে এবং অপুকে জানায় সে বিদ্যার আসল মা। বিদ্যার দ্বিতীয় সত্ত্বা অনুরাধাকে কাদায় ফেলে, আর বৃন্দা লালপ্রভাকে পায়ে কেটে তাড়ায়। পরদিন অঘোরীরা আক্রমণ করলে বৃন্দা তাদের মোকাবিলা করে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১ | কেদারনাথের পথে বিপর্যয় ও বালিকাবিবাহের চাপ

কেদারনাথ যাত্রায় অপুর সাক্ষাৎ হয় ৬ বছরের বিদ্যার সাথে। বাবা রঘুনাথ চ্যাটার্জী ছেলেকে জোর করে বিদ্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অপু ভেঙে পড়ে, অনুরাধাকে হারানোর বেদনায়। বাড়িতে ফেরার পর রাঘব বিদ্যাকে হত্যার হুমকি দেয়, উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২১ | সামুর বিপদ, আদির উদ্ধার ও ভাঙনের শুরু

সামু বাবার বাড়িতে অতিরিক্ত সময় কাটানোয় আদি রাগান্বিত হয়। পরে জানভির সাথে ক্লাবে গিয়ে বিপদে পড়ে সামু, আদি তাকে উদ্ধার করে। কিন্তু আদির অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ও পড়াশোনা বন্ধের চাপে সামু ভেঙে পড়ে, শেষে আদি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১৫ | হলুদ অনুষ্ঠানে আদি-সামুর রোমাঞ্চ, রাজের পরিবারের আগমন ও জয়ের সাহসী সিদ্ধান্ত

হলুদ অনুষ্ঠানে আদি সামান্তাকে হলুদ ছুঁয়ে রোমান্টিক মুহূর্ত তৈরি করে, কিন্তু সামু প্রথমে রাগ করে। আদির মেসেজে সে মুচকি হাসে। রাজের বাবা এসে কেস তুলে নেওয়ার অনুরোধ করে, কিন্তু নিশি ও আদি তা নাকচ করে। জয় রাজের বিরুদ্ধে পুলিশ কেসের সিদ্ধান্ত নেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১২ | রাজের ব্ল্যাকমেইল, সামান্তার বিপদ ও আদির রোমাঞ্চকর উদ্ধার

রাজ নিশির চেঞ্জিং ভিডিও দিয়ে সামান্তাকে ব্ল্যাকমেইল করে গোপন জায়গায় নিয়ে যায়। সামান্তা গোপনে রেকর্ডিং চালিয়ে রাখে। আদি লোকেশন ট্র্যাক করে ছুটে আসে, রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তাকে থাপ্পড় মারে, কিন্তু পরে সব শুনে ভেঙে পড়ে। রাজকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আদি বেরোয়, কিন্তু সামান্তা আটকায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১১ | মেহেদী অনুষ্ঠান, আদির রোমান্টিক উত্তেজনা ও রাজের ভিডিও ব্ল্যাকমেইল

মেহেদী অনুষ্ঠানে আদি সামান্তাকে ডার্ক বেগুনি শাড়ি পরায়, রোমান্টিক উত্তেজনা ছড়ায়। আদি সামুর পিঠ চুলকায়, কিস করে বিভ্রান্ত করে। হঠাৎ রাজের কল, ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের হুমকি। সামান্তা ভয়ে কাঁপে, লাল গাড়িতে উঠে বসে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই নতুন সংকটের আভাস।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১০ | হানিমুনের পর আদি-সামুর নতুন দিন ও রাস্তায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা

আদি-সামু হানিমুন থেকে ফিরছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সামু আদির যত্ন দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু আদির কিউট আচরণে রাগ-ভালোবাসা মিশে যায়। রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনায় আদি আহত হয়। সামু রেগে আগুন হয়ে দুষ্টু ড্রাইভারকে মারতে ছোটে। আদি বুঝতে পারে, সামু তাকে ভালোবাসে।