ট্যাগ সম্পর্কের টানাপোড়েন

তোমার প্রেমে পড়েছি | পর্ব ২১ | নমনীর সন্দেহ ও নেত্রের রাতের আয়োজন

নমনী নেত্রের সাথে নৌরার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সন্দেহ করে। নেত্র রাত কাটানোর কথা শুনে সে নৌরার বাসায় হাজির হয়। নেত্রের শান্ত প্রতিক্রিয়ায় নমনী বিস্মিত হয়। প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা ও মানসিক চাপের মধ্যে ভরপুর পর্বটি সম্পর্কের নতুন সংকট তৈরি করে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৫৮ | সৌভিকের কিডন্যাপিং ও রাজের গোপন পরিকল্পনা

সৌভিক কোয়েলকে কিডন্যাপ করতে চায়, কিন্তু রাজ হস্তক্ষেপ করে তাকে উদ্ধার করে। রাজ সৌভিককে নির্মমভাবে মারে, আদিত্য ঘটনাস্থলে আসে। পরে রাজ কোয়েলকে বোঝায় যে টিনাকে জড়িয়ে ধরা ছিল গোপন পরিকল্পনার অংশ, যাতে সৌভিকের ষড়যন্ত্র ফাঁদে পড়ে। কোয়েল অপরাধবোধে কাঁদে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৪১ | মাথার ব্যথা ও বাইকের স্টার্ট

মৌমিতা আদিত্যের মাথার ব্যথার খেয়াল রাখে এবং কেক খাওয়ায়, আদিত্য আবেগে ভারাক্রান্ত হয়। পরে মৌমিতা ও কোয়েল বাইক চালানোর সাহস দেখায়, আদিত্য ও রাজ অবাক হয়। কোয়েল রাজের অবিশ্বাসে ব্যথিত হয়, রাজ চোখের জল লুকায়। সম্পর্কের টানাপোড়েন চলমান।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ১৭ | মৌমিতার কৃতজ্ঞতা ও জিয়ার চাপ

মৌমিতা আদিত্যর জন্য কৃতজ্ঞ হয়েও ভালোবাসা অস্বীকার করে। কোয়েলের কাছে সে জানায় আদিত্যকে কখনো ভালোবাসবে না, তবু তার প্রতি আবেগ লুকিয়ে রাখতে পারে না। জিয়া মৌমিতাকে তাড়া করে, কিন্তু অঙ্কিত হস্তক্ষেপ করে তাকে বাঁচায়। আদিত্য অনুপস্থিত থাকায় তার নির্দেশে অঙ্কিত মৌমিতার সুরক্ষা নেয়।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ১৫ | আদিত্যের জ্বর ও মৌমিতার উদ্বেগ

আদিত্যের মৌমিতার জন্য অস্বাভাবিক আচরণ ও গভীর মনোভাব প্রকাশ পায়। মৌমিতা চলে যাওয়ার পর তার জ্বর আসে। মৌমিতা ও কোয়েল তার বাড়িতে গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত অবস্থায় তাকে দেখে। জ্বরের ঘোরে আদিত্য মৌমিতার নাম ধরে ডাকে, যা মৌমিতাকে আবেগপ্রবণ করে তোলে।

একদিন তুমিও ভালোবাসবে | পর্ব ৯ | নাচের প্রতিযোগিতা ও আদিত্যের বিভ্রান্তি

মৌমিতা জানতে পারে কোয়েল তাকে নাচের প্রতিযোগিতায় মনোনয়ন দিয়েছে। আদিত্য তার খোঁজ করছেন, কিন্তু মৌমিতা এড়িয়ে চলে। আদিত্য মানসিকভাবে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। জিয়া মৌমিতাকে চ্যালেঞ্জ করে। সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও জটিল হয়ে ওঠে।

বাতাসী বউ | পর্ব ১৬-১৮ | সুপ্তির প্রতিশোধ, আবিরের রাগ ও বিয়ের পরের ঝগড়া

সুপ্তি আবিরকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করায়, কিন্তু আবির রাগে ফেটে পড়ে। ঘরে খাবার ছড়িয়ে সুপ্তিকে জোর করে খাওয়ায়, আবিরের মা কাঁদেন। সুপ্তি হাত কেটে যায়, আবির নিজে চিকিৎসা দেয়। সুপ্তি আবিরের মায়ের কাছে শান্তি দেয়, কিন্তু আবির তাকে সোফায় ঘুমাতে বাধ্য করে। সকালে সুপ্তি চলে যায়, আবির আতঙ্কিত হয়।

সেলফিশ | পর্ব ১১ | কাব্যর মিরাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ও ম্যামের রহস্যময় সারপ্রাইজ

কাব্য ম্যামকে সব সত্য বলে, মিরাকে ভালোবাসে না বলে মন ভাঙায়। মিরা কাঁদে, কিন্তু কাব্য নিজেকে খারাপ বানিয়ে সম্পর্ক ছেদ করে। পরদিন অফিসের ম্যাম তার ঘরে হাজির হয় এক রহস্যময় সারপ্রাইজ নিয়ে।

সেলফিশ | পর্ব ৯ | কাব্যর নতুন চাকরি ও মিরার রহস্যময় ডাক

কাব্য নতুন অফিসে চাকরি পায় এবং ম্যামের প্রশংসা পায়, কিন্তু ম্যাম মেয়েদের সাথে কথা বললে রাগ করেন। কলেজে স্বর্না তাকে বিরক্ত করে, আর মিরা রাগ করে পার্কে ডাকে। মিরার কালো শাড়িতে মুগ্ধ হয় কাব্য, কিন্তু মনে মনে ভাবে স্বর্নাকে দূর করতে মিরার সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় করার পরিকল্পনা।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৬ | নুসরাতের ফিরে আসা ও সাজ্জাদের সারপ্রাইজ

সাজ্জাদ ২ মাস পর নুসরাতের বাসায় হাজির হয় সারপ্রাইজ দিতে। নুসরাতের রুমে ছড়ানো তার ছবি দেখে অবাক হয়। নুসরাত তাকে জড়িয়ে ধরে, কষ্টের দিন শেষে দুজনের মন জুড়িয়ে যায়। গল্পের শেষে তারা সুখে একসাথে ঘুমিয়ে পড়ে।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৫ | নুসরাতের সত্যি কথা ও ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি

সাজ্জাদ নুসরাতের কাছে ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি দেয়, কিন্তু নুসরাত ছিড়ে ফেলে বলে সে তাকে ছাড়বে না। তার আগে সাজ্জাদ শুনেছে নুসরাত তাকে ভালোবাসে এবং সব নাটক করেছে তার ভালোবাসা পরীক্ষার জন্য।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৪ | নুসরাতের ফোন কল ও সাজ্জাদের ডায়েরীতে শেষ লেখা

সাজ্জাদ নুসরাতের ভালোবাসার মানুষের সাথে ফোনে কথা শুনে মন খারাপ করে। রাতে ডায়েরীতে লেখে নিজের আবেগ, নম্রতার স্মৃতি ও নুসরাতকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত। অফিসে নুসরাতের কলে সাজ্জাদ বিপাকে পড়ে। সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে।