লেখক অন্না

বাতাসী বউ | পর্ব ১ | সুপ্তির ব্যস্ত সকাল ও রাজের সাথে দেখা

সুপ্তি অনার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্রী এবং মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করে। এক ব্যস্ত সকালে ঘুম থেকে উঠে সে অফিসের পথে রাজের সাথে দেখা হয়, যে তাকে ড্রপ করে দেওয়ার অনুরোধ করে। সুপ্তি তাকে এড়াতে চায়, কিন্তু রাজের জেদে রাজি হয়।

বাতাসী বউ | পর্ব ৪-৬ | আবিরের প্রেম, ঈর্ষা ও ভাঙা বিয়ের আসর

আবির সুপ্তিকে বোরকা পরার নির্দেশ দেয় এবং অন্য ছেলের সাথে তার ঘনিষ্ঠতায় রাগে ফেটে পড়ে। সুপ্তির বিয়ের আসরে হাজির হয় রাজ, কিন্তু আবির তাকে ঠেকিয়ে দেয়। সুপ্তির রুমে ঢুকে আবির তাকে জোর করে আলিঙ্গন করে, শাড়ি ছিড়ে ফেলে এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করে।

বাতাসী বউ | পর্ব ৭-৯ | আবিরের সত্য উন্মোচন, সুপ্তির আত্মহত্যা ও প্রেমের প্রস্তাব

আবির জানতে পারে মা সুপ্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল। সত্য জেনে ভেঙে পড়ে সে, সুপ্তির বাসায় ছুটে যায়। সুপ্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করে, আবির তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সুস্থ হওয়ার পর আবির সুপ্তিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।

বাতাসী বউ | পর্ব ১০-১২ | আবিরের প্রতিশোধ, সুপ্তির আঘাত ও বিয়ের প্রস্তাব

আবির সুপ্তিকে মাফ চাওয়ার পরিবর্তে নিলার সঙ্গে এংগেজমেন্টের নাটক করে। সুপ্তি ভেঙে পড়ে, কাচে হাত কেটে রক্তাক্ত হয়। আবিরের বাবা তাকে হাসপাতালে নেয়। সুপ্তি সিদ্ধান্ত নেয়—আবিরের বিয়ের দিনই নিজের বিয়ে হবে।

বাতাসী বউ | পর্ব ১৩-১৫ | সুপ্তির বিয়ে ও আবিরের হারানো ভালোবাসা

আবির সুপ্তিকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, কিন্তু ঈর্ষায় ফেটে পড়ে। সুপ্তি রাজের সাথে বিয়ে ঠিক করে, আবির ভেঙে পড়ে। শেষ মুহূর্তে আবির সুপ্তির বিয়ে আটকাতে ছোটে, কিন্তু দেখে সব শেষ। তার ভালোবাসা চিরতরে হারিয়ে যায়।

বাতাসী বউ | পর্ব ১৬-১৮ | সুপ্তির প্রতিশোধ, আবিরের রাগ ও বিয়ের পরের ঝগড়া

সুপ্তি আবিরকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করায়, কিন্তু আবির রাগে ফেটে পড়ে। ঘরে খাবার ছড়িয়ে সুপ্তিকে জোর করে খাওয়ায়, আবিরের মা কাঁদেন। সুপ্তি হাত কেটে যায়, আবির নিজে চিকিৎসা দেয়। সুপ্তি আবিরের মায়ের কাছে শান্তি দেয়, কিন্তু আবির তাকে সোফায় ঘুমাতে বাধ্য করে। সকালে সুপ্তি চলে যায়, আবির আতঙ্কিত হয়।

বাতাসী বউ | পর্ব ১৯-২১ | সুপ্তির পালানো, আবিরের আকুতি ও ভালোবাসার পুনর্মিলন

সুপ্তি আবিরকে নীলার সাথে দেখে হতাশ হয়ে পালাতে চায়, কিন্তু আবির তাকে বাসস্টপে ধরে ফেলে। রাগে থাপ্পর মারে, কিন্তু রাতে তার হাতের বাঁধন খুলে চুমু খায়। পরদিন সুপ্তি জানে নীলা আবিরের ভাইঝি, আর আবির তাকে ভালোবাসে। দুজনে মাফ চায়, পরিবারের দোয়া নেয় এবং ভালোবাসায় হারিয়ে যায়।