ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৫ | নুসরাতের সত্যি কথা ও ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি

সাজ্জাদ নুসরাতের কাছে ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি দেয়, কিন্তু নুসরাত ছিড়ে ফেলে বলে সে তাকে ছাড়বে না। তার আগে সাজ্জাদ শুনেছে নুসরাত তাকে ভালোবাসে এবং সব নাটক করেছে তার ভালোবাসা পরীক্ষার জন্য।

# গল্প – #ডায়েরী_শেষ_পাতা

# পর্ব ০৫

# লেখনীতে – #Sazzad_KR
.
.

অফিসে বসে কাজ করছে সাজ্জাদ,, সম্পূণ মনোযোগ কাজের উপরে অন্যকোন দিকে ভ্রুক্ষেপ নেই। হঠাৎ করে ফোনে কল এলো কলটা এসে মনটা খারাপ করে দিল । ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখে নুসরাতের নাম্বার থেকে কল এসেছে কলটা রিসিভ করতে নুসরাত ওপর পাশ থেকে বলতে লাগল

‘ বাসায় আসবে কখন? ‘

সাজ্জাদ কিছুটা বিরক্তিকর ভাব নিয়ে বলল

‘ প্রতিদিন যে সময় আসি আজকেও সেই সময়ে আসব! ‘

‘ ঠিক আছে সাবধানে আসবে ‘

বলে কলটা কেটে দিল। সাজ্জাদের কাছে নুসরাতের ব্যবহারটা অন্যরকম লাগছে পরশু থেকে খুব ভালভাবে কথা বলছে যেন ওর কাছের একজন মানুষ৷ ততক্ষণে লাঞ্চের সময় হয়ে গেছে৷ সাজ্জাদ ক্যান্টিনে গিয়ে খাবার খেয়ে এসে কাজ করতে শুরু করলো৷ অফিস ছুটির পর পায়ে হেঁটে হেঁটে বাসায় যাচ্ছে সাজ্জাদ,, চারিদিকে সন্ধ্যা নেমে আসছে তখন রাস্তার একটা রিক্সা দেখে সে থমকে গেল। আজ অনেকবছর নম্রতাকে এভাবে দেখবে সে ভাবতে পারেনি। রিক্সায় করে নম্রতা কোথায় যেন যাচ্ছে তার চেহারা আগের মতো নেই অনেকটা পরিরর্তন হয়ে গেছে আগের মতো মায়াটা মুখে নেই৷ মনের ভেতর থেকে চাইলো একবার ডাক দিতে কিন্তু সে দিল না সে তার রাস্তা ধরে হেঁটে যেতে লাগল৷ নম্রতাকে আজ এতবছর পর দেখবে সেটা কখনো চিন্তা করেনি হয়তো সংসারের চিন্তা করে করে চেহারা থেকে সকল মায়া চলে গেলে। নম্রতার চেহারা আগে দেখলে যে ভালো লাগতো আজকে সেটা লাগল না৷ এতক্ষণে বাসায় সামনে চলে এসেছে। সাজ্জাদের রুমের বারান্দার দিকে তাকাতে দেখল নুসরাত দাড়িয়ে আছে,, সাজ্জাদকে আসতে দেখে রুমের ভেতর চলে গেল। সাজ্জাদ বাসার কলিংবেল বাজালো সাথে সাথে দরজা খুলে গেল,, ভেতরে প্রবেশ করে দেখে নুসরাত দরজার কাছে দাড়িয়ে আছে৷ নুসরাত অফিসের ব্যাগটা হাতে নিয়ে রুমে যেতে যেতে বলল

‘ তুমি গিয়ে ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে থাকো। আমি তোমার খাবার নিয়ে আসছি ‘

নুসরাতের এমন ব্যবহার সাজ্জাদকে অনেকটা অবাক করে তুলছে। বুঝতে পারছে না এত ভালো ব্যবহার করার কারণগুলো কি হতে পারে৷ প্রশ্নের উওর তার যেভাবে হোক জানতে হবে৷ সাজ্জাদ ফ্রেশ হয়ে খাটের উপর বসে ছিল নুসরাত হাতে খাবারের প্লেট নিয়ে রুমে এলো৷ খাবার গুলো খাওয়ার পর নুসরাত প্লেট নিয়ে চলে গেল। সাজ্জাদ বিছানা থেকে নেমে বারান্দায় চেয়ারে গিয়ে বসে পড়ল। বসে বসে বাইরের ব্যস্ত শহর ও আকাশ দেখছিল এমন সময় নুসরাত রাবান্দায় এসে আরেকটা চেয়ারে বসে বলতে লাগল

‘ একা একা বসে কি করছো? ‘

সাজ্জাদ আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল

‘ ভাবছি কি করব? ‘

‘ আমার সাথে গল্প করো ‘

‘ তোমার সাথে গল্প করার ইচ্ছে আমার নেই ‘

‘ ঠিক আছে গল্প না করলে অন্তত কথা বলো নাকি সেটাও বলবে না? ‘

‘ কথা বলার মতোও কোন কিছু নেই ‘

‘ আচ্ছা তুমি এমন কেন? ‘

‘ পরিস্থিতি বানিয়ে দিয়েছে ‘

‘ নিজেকে একটু গুছিয়ে চলবে কেমন৷ আমিতো সারাজীবন থাকবো না তোমার খেয়াল রাখার জন্য ‘

‘ তোমাকে কি আমার খেয়াল রাখতে বলেছি যে তুমি আমার খেয়াল রাখবে? ‘

‘ রাখলে কি হবে ‘

‘ অনেক কিছু হয়ে যাবে৷ তুমি অন্য কাউকে ভালোবাসো অযথা আমাকে নিয়ে চিন্তা করা বাদ দেও এবং এইসব কেন করছো আমি ভালো করে বুঝতে পারছি আমার কাছে থেকে মুক্তি চাইছো। চিন্তা করবে না ডিভোর্স পেপার হাতে পেলেই তোমাকে মুক্ত করে দিব ‘

সাজ্জাদের কাছে থেকে নুসরাত এমন কথা আশা করেনি৷ সে সময় কাটানোর জন্য কথা বলতে চেয়েছিল কিন্তু সাজ্জাদ অন্য কিছু ভেবে ফেলেছে তাই বলল

‘ তুমি ভুল ভাবছো আমি সময় কাটানোর জন্য কথা বলছি ‘

‘ আমিতো তোমাকে বলেছিলাম আমার সাথে কথা বলবে না তোমার সাথে কথা বললে আমি একপ্রকার মায়া জড়িয়ে যায়৷ পরর্বতীতে তুমি যখন ছেড়ে চলে যাবে তখন সহজে ভুলতে পারব না তাই তোমাকে বলছি তুমি আমার সাথে বেশি কথা বলবে না ‘

নুসরাত কিছু না বলে বারান্দা থেকে চলে গেল৷ সাজ্জাদ কথাগুলো শুনে অনেক খারাপ লেগেছে কিন্তু সাজ্জাদের কিছু করার নেই নিজে বাঁচতে চাইলে এমনটা করতে হবে। সাজ্জাদ অপেক্ষা করছে কখন ডিভোর্স পেপার হাতে পাবে তারপর নুসরাতকে ডিভোর্স দিয়ে দিবে তার সাথে ওর প্রিয় মানুষটার হাতে ওকে তুলে দিবে৷ রাত ৯ টার দিকে রুমে প্রবেশ করে দেখে নুসরাত বিছানায় শুয়ে আছে সাজ্জাদ সেদিকে বেশি মনোযোগ না দিয়ে ডায়েরীটা নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিয়ে বসে পড়লো৷ ঠিক করেছিল ডায়েরীটা আর লিখবে না কিন্তু অতীতের মানুষটার সাথে বার বার দেখা হওয়ার কারণে আবার লিখতে হবে৷ স্হতিগুলো সুন্দর করে লিখে রাখতে চায় এই ডায়েরীতে৷ এবার নিজের প্রথম পাতায় না লিখে শেষ পাতায় লিখল

‘ আমি আজো একটা মেয়েকে প্রচুর ভালোবাসি কিন্তু সেটার উপরে হাজার রাগ অভিমান পড়ে আছে ‘

লাইনটুকু নম্রতাকে উদ্দেশ্য করে লিখে রেখে দিল৷ তারপর মাঝ পৃষ্ঠা এসে আজকের তারিখ দিয়ে লিখে রাখল

‘ নম্রতার সাথে দেখা হবে কোনদিন ভাবতে পারেনি…………. ‘

আরো কিছুটা লাইন লিখতে গিয়েও লিখল না এই পযন্তু সমাপ্ত রেখে ডায়েরীটা রেখে সোফায় শুয়ে পড়লো৷ শুয়ে শুয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছে তখন নুসরাত ডেকে বলল

‘ খাটের উপরে এসে ঘুমাও,, এভাবে কতদিন সোফায় ঘুমাবে? ‘

‘ যতদিন আপনাকে ডিভোর্স দিয়ে বিদায় না করতে পারছি ততদিন খাটে ঘুমাবো না ‘

‘ আমি কি তোমার কাছে বড় সমস্যা হয়ে গেছি ‘

‘ সমস্যা না হলে কি অন্য গালফ্রেন্ডকে আমি দেখাশুনা করছি ‘

‘ আমি যদি তোমাকে মেনে নিতাম তাহলে কি তুমি আমার সাথে এমন করতে? ‘

‘ তখন এমনটা করতাম না তোমাকে নিজের ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখতাম। কিন্তু তুমি যেহেতু অন্য একজনকে ভালোবাসো তাই সেটা আর করব না ‘

নুসরাত কিছু বলল না৷ বিছানায় শুয়ে থাকলো এদিকে সাজ্জাদ শুয়ে শুয়ে থাকতে থাকতে কখন ঘুমিয়ে গেছে সেটা নিজেও বলতে পারলো না। পরেরদিন সকালে ওঠে প্রতিদিনের মতো অফিসে চলে গেল এভাবে তার দিন কাটতে লাগল

__________________ ৬ মাস পর ___________________

এই ৬ মাসে নুসরাতের সাথে কিছুটা ভালো সম্পর্ক হয়ে গেছে। একদিন রাতে নুসরাত সাজ্জাদকে বলেছিল তার বয়ফ্রেন্ড নাকি দেশে ফিরে এসেছে৷ সাজ্জাদ ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে চেয়েছিল কিন্তু নুসরাত দেখা করাই নি৷
.
অফিস শেষ করে বাসার দিকে যাচ্ছিল সাজ্জাদ এমন সময় তার ফোনটা বেজে ওঠলো। পকেট থেকে ফোনটা বের করে হাতে নিয়ে দেখে উকিল ফোন করেছে। ফোনটা রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে উকিল সাহেব বলতে লাগল

‘ আপনার ডিভোর্স পেপার আমার কাছে এসেছে আপনি এসে সেটা নিয়ে যাবেন ‘

‘ কখন আসব? ‘

‘ আপনার যখন সময় হবে তখনি চলে আসেন ‘

‘ এখন গেলে কি হবে? ‘

‘ হ্যাঁ হবে আসুন এসে নিয়ে যান? ‘

সাজ্জাদ কলটা কেটে দিয়ে উকিলের কাছে যেতে লাগল। অবশেষে সেই সময় চলে এলো এবার নুসরাতে ডিভোর্স দিয়ে দিবে৷ তার সে চলে যাবে তার ভালোবাসার মানুষের কাছে এবং আমি থেকে যাব অবহেলায়। ডিভোর্স পেপারটা হাতে নিয়ে বাসার কলিংবেল বাজালাম। একটু পর অবণি দরজা খুলে দিল অন্যান্য দিন নুসরাত দরজা খুলে দেয় কিন্তু আজকে নেই। বাসার ভেতর প্রবেশ করে নিজের রুমের দিকে যেতে লাগল সাজ্জাদ। রুমের দরজার কাছে এসে শুনতে পেল ভেতরে নুসরাত কার সাথে যেন কথা বলছে তাই সে রুমের ভেতরে প্রবেশ না করে কান পেতে কথাগুলো শুনতে লাগল৷ নুসরাতের বলা কথাগুলো ছিল

‘ সাজ্জাদকে অনেক কষ্ট দিয়ে ফেলেছি আর না এর থেকে বেশি কষ্ট দিলে আমি ওকে হারিয়ে ফেলব যেটা আমি চায় না ‘

তখন ফোনের ওপাশ থেকে কি যেন বলছিল সেটা সাজ্জাদ শুনতে পায়নি৷ নুসরাত আবার বলতে লাগল

‘ আরে আমিতো অন্য কাউকে ভালোবাসি না আমি শুধু সাজ্জাদকে ভালোবাসি। এতদিন ওর সাথে এমন ব্যবহার করেছিলাম তার একটা কারণ ছিল আমি জানতে পেরেছিলাম তার একটা গালফ্রেন্ড ছিল ওর নাম ছিল নম্রতা সে সাজ্জাদকে ধোকা দিয়ে চলে যায়৷ ‘

বলে থেমে গেল বোধয় ফোনের ওপাশ থেকে কেউ কিছু বলছে। সাজ্জাদ কথাগুলো যত শুনছে তত অবাক হচ্ছে তার সাথে খুশিও হচ্ছে একটু পর নুসরাত আবার বলতে লাগল

‘ এইসব আমি ওর ডায়েরী থেকে জানতে পেরেছিলাম৷ বিয়ের দিন রাতে ওর ডায়েরীটা আমি একবার পড়েছিলাম অনেক কষ্টে পেয়েছিলাম সেগুলো পড়ে তখন ভেবেছিলাম তার ভালোবাসাটা পরীক্ষা করে দেখি সে কেমন ভালোবাসে তাই এই এতূিন তাকে বলেছি আমার বয়ফ্রেন্ড আছে৷ তাই সে আমার প্রতি কোন প্রকার জোর দেখায়নি তবে এটা বুঝতে পেরেছি তার মনের ভেতর এখনো ভালোবাসা বেঁচে আছে সেটা নিজের করে নিতে পারলে কোন সমস্যা থাকবে না৷ এখন তাহলে থাক পরে কথা হবে ‘

তারপর নুসরাত আর কিছু বলল না৷ এদিকে সাজ্জাদ এইসব কথা শুনে কি ভাববে কিছু বুঝতে পারলো না৷ সে ভাবতে লাগল এর জন্য তাহলে নুসরাত ভালো ব্যবহার করলো। নুসরাত যেহেতু তাকে এভাবে কষ্ট দিয়েছে তাই সেও এখন নুসরাতকে কষ্ট দিবে তাই মনে মনে একটা প্ল্যান বানিয়ে রুমে প্রবেশ করলো। । সাজ্জাদকে রুমে দেখে নুসরাত অবাক হয়ে বলল

‘ তুমি কখন এলে ‘

সাজ্জাদ নুসরাতের হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিয়ে বলল

‘ নাও এটা আমাদের ডিভোর্স লেটার আমি স্বাক্ষর করে দিয়েছি এবার তুমি স্বাক্ষর করে দাও ‘

সাজ্জাদের মুখে এমন কথা শুনে নুসরাত কি বলবে সেটা ভেবে পেল না। অবশেষে কেঁদে দিয়ে বলল

‘ আমি সত্যি সত্যি আমাকে ডিভোর্স দিবে? ‘

‘ হুম তুমিতো অন্য একজনকে ভালোবাসো। বিয়ের রাতেই তো বলেছিলে আমাকে তোর পছন্দ না আমাকে তোমার স্বামী হিসেবে মানতে পারবে না ‘

‘ সেটা আমি…………. ‘

সাজ্জাদ নুসরাতকে কিছু বলতে না দিয়ে নিজে বলল

‘ এত কথা শুনতে চায় না তুমি লেটারটা স্বাক্ষর করে নিজের বাসায় চলে যাও ‘

নুসরাত ডিভোর্স লেটারটা ছিড়ে ফেলে বলল

‘ আমি কোনদিনও তোমাকে ডিভোর্স দিব না আমি তোমার ছিলাম তোমার আছি ‘

‘ কিন্তু আমি তোমাকে দিয়েছি তাই তোমার এই বাসায় থাকার কোন অধিকার নেই তুমি এখান থেকে চলে যাও ‘

নুসরাত কান্না করতে করতে বলল

‘ ঠিক আছে চলে যাচ্ছি যাওয়ার আগে একটা কথা বলে রাখি তুমি যখনি আমাকে তোমার করে পেতে চাইবে তখনি পেয়ে যাবে। আমি সবসময় তোমার হওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি ‘

বলে নুসরাত নিজের জামাকাপড় ব্যাগ নিয়ে ওর বাসায় চলে গেল৷ সাজ্জাদ তাকে কোন প্রকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেনি৷ নুসরাতকে চলে যেতে দেখে সাজ্জাদের আম্মু অনেকবার জানতে চেয়েছিল কেন চলে যাচ্ছে তখন সাজ্জাদ বলল ভালো লাগছে না তাই চলে যাচ্ছে কয়েকদিন পর আবার ফিরে আসবে৷ সাজ্জাদ নুসরাতকে বুঝাতে চায় কাউকে কষ্ট দিলে কেমন লাগে৷ সাজ্জাদ যদি আগে জানতো নুসরাত তার সাথে নাটক করছে তাহলে অনেক আগেই নুসরাতকে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করতো নুসরাতের ছিড়ে ফেলা কাগজটা মেঝেতে পড়ে আছে সাজ্জাদ সেটা তুলে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিল৷

ছিঁড়ে ফেলা কাগজটা সাধারণ একটা কাগজ ছিল আসল ডিভোর্স পেপারটা সাজ্জাদ নিজের কাছে রেখে দিয়েছে নুসরাতের কথা শুনে সে বুঝতে পেরেছে নুসরাত তাকে ডিভোর্স দিবে না৷ তাইতো ডিভোর্সের কথা বললে সে মন খারাপ করতো।

#চলবে……………

( লেখকের নাম ছাড়া কপি করলে সেটা কপি হিসেবে গণ্য করা হবে যেটি একটি জঘণ্য কাজ৷ তাই কেউ গল্পটি কপি করলে অবশ্যই লেখকের নাম মুছবেন না। গল্পটি কেমন হলো জানাবেন এবং কোথাও ভুল হলে ক্ষমা করবেন ও ভুলটা ধরিয়ে দিবেন ধন্যবাদ,, গল্পটি শেষ পর্ব পযন্তু পড়ার অনুরোধ রইলো ভালো রেন্সপন্স আশা করি সকলের কাছে থেকে )

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।