ট্যাগ প্রথম দেখা

#তোকে চাই | পর্ব ১৪ | রোদেলার কামড় ও শুভ্রের হাতে পড়া বুঝানো

রোদেলা ঘুমন্ত শুভ্রের ঠোঁটে কামড় দিয়ে পালায়, কিন্তু তাকে ধরে দেয়ালে চেপে রাখে রাগী শুভ্র। মামু-মামানির সামনে হাতের কালো দাগ দেখিয়ে নাটক করে রোদেলা। রাতে শুভ্র তাকে পড়া বুঝায়, আর আইসক্রিম খাওয়ার জন্য তাকে জোর করে বাইরে নিয়ে যায়। প্রেমের টানাপোড়েন চরমে।

কনফিউশন | পর্ব ২৯ | রাতের অতিথি আরশি ও হিমুর বই

পরীক্ষার চাপে থাকা আরশি হঠাৎ কাব্যকে মিস করে রাত আটটায় তার বাসায় হাজির হয়। চা ভাগ করে নেওয়া থেকে শুরু করে হিমুর বই নির্বাচন পর্যন্ত তাদের মধ্যে গভীর আন্তরিকতা ফুটে ওঠে। কাব্যের প্রস্তাবে লজ্জা পায় আরশি, আর চলে যাওয়ার সময় বইটি ইচ্ছাকৃত ভুলে রেখে যায়।

কনফিউশন | পর্ব ২ | তিরার চা ও বইয়ের প্রেম

তিরা কাব্যর সাথে পরিচিত হতে আরশির সাথে তার ফ্ল্যাটে যায়। কাব্য চা বানায়, তিরা তার চায়ে মুগ্ধ হয়। আরশি কাব্যর বইয়ের আলমারি থেকে 'ফ্রিডম এট মিডনাইট' ধার নেয়। কাব্য-তিরার মধ্যে আলাপ জমে, কিন্তু আরশি নীরব থাকে। তিরা কাব্যকে ফেসবুক আইডি দেয়, কিন্তু আরশিরটি জানা হয় না।

কনফিউশন | পর্ব ১ | কাব্যর প্রথম দেখা ও তিরার ক্রাশ

তিরা আরশির বাড়িতে এসেছে বিশ্রাম নিতে। চায়ের দাওয়াতের আগেই সে নিচতলার নতুন ভাড়াটিয়া কাব্যের সাথে ধাক্কা খায়। প্রথম দেখাতেই মুগ্ধ হয় তিরা। কাব্যর চোখ, হাসি, নাম—সব মিলিয়ে তার মন জয় করে নেয়। সে আরশিকে জোর দিয়ে কাব্যর নম্বর চুরি করতে বলে, কিন্তু আরশি প্রত্যাখ্যান করে। তিরার প্রেমের শুরু হয় এক কনফিউশনের মধ্যে দিয়ে।

নাইওরি | পর্ব ৪ | রঞ্জুর পরিচয় ও জেসমিনের প্রথম দেখা

জেসমিন রঞ্জুকে ভীতু বলে চিঠি লেখে, কিন্তু রঞ্জুর আবেগঘন উত্তরে তার মন নরম হয়। কামিনী ফুলের গাছের পানি দেওয়ার আমন্ত্রণে জেসমিন রঞ্জুর সাথে প্রথমবার মুখোমুখি হয়। দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার প্রথম মুহূর্ত, আর মতি হয়ে ওঠে তাদের গোপন যোগাযোগের চাবিকাঠি।

নাইওরি | পর্ব ৩ | রঞ্জুর চিঠি ও জেসমিনের অপেক্ষা

জেসমিন রঞ্জুর চিঠি পায়, যেখানে কামিনী ফুল ও কবিতার মাধ্যমে তার ভালোবাসা জানানো হয়। চিঠির রহস্যময় প্রেরক কে সে নিয়ে জেসমিনের মন ঘোরে। সপ্তাহখানেক পর আবার চিঠি আসে, আর জেসমিন ধীরে ধীরে রঞ্জুর প্রতি আকৃষ্ট হয়।

নাইওরি | পর্ব ২ | জেসমিনের আমভর্তা ও রঞ্জুর প্রথম দেখা

আষাঢ়ের বৃষ্টিভেজা দিনে জেসমিন পুকুরঘাটে আমভর্তা বানাচ্ছিল, আর রঞ্জু ধান বাঁচাতে এসে তাকে প্রথম দেখে মুগ্ধ হয়। বৃষ্টির মধ্যে একসাথে হোগলা তুলতে গিয়ে দুজনের চোখাচোখি, কিন্তু মানিক রঞ্জুকে সতর্ক করে দেয়—জেসমিন চেয়ারম্যানের মেয়ে, স্পর্শ করা নিষিদ্ধ।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৯+১০ | ইয়াদের অস্থির মন ও দুআর বিদায়

ইয়াদ দুআর প্রতি অজানা আকর্ষণে মুগ্ধ হয়ে পড়ে, আর দুআ তাসনিমের কটূক্তিতে মন ভেঙে পড়ে। ছাদে কথোপকথনে ইয়াদের মনে গভীর ছাপ পড়ে। দুআর বিদায়ের পর ইয়াদ বুঝতে পারে, সে তাকে হারাতে পারবে না। তার মনে জাগে অপ্রতিরোধ্য ভালোবাসার অনুভূতি।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৮ | ইয়াদের অস্থির মন ও দুআর কাছাকাছি আসা

ইয়াদ দুআকে নিজের ঘরে দেখে মনে মনে আকৃষ্ট হয়। তাদের চোখাচোখি হতেই ইয়াদের হৃদয় দ্রুত স্পন্দিত হয়। জিয়ার সাথে তর্কের পর দুআর সামনে ইয়াদের রাগের মুখ দেখে সে বিভ্রান্ত হয়। পরে দুইজন একা হয়ে বাইক দুর্ঘটনার কথা নিয়ে কথা বলে এবং ইয়াদ দুআর হাসিতে মুগ্ধ হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৬+৭ | দুআর ঢাকা ভ্রমণ ও ইয়াদের মনের তাপ

দুআ ও রামিসা ঢাকায় পাড়ি জমায়, কিন্তু তাসনিমের উপস্থিতিতে দুআ ভীত। ইয়াদের বাসায় পৌঁছে সে ইয়াদের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়। ইয়াদ মুগ্ধ হয় তার পবিত্র চেহারায়, আর দুআ অনুভব করে নতুন আবেগ। দুজনের মনেই জাগে অজানা তাপ।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৫ | দুআর প্রাণরক্ষা ও ইয়াদের অজানা সত্য

দুআ মোটরবাইক দুর্ঘটনায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে, কিন্তু ইয়াদের সতর্ক ব্রেকে বেঁচে যায়। পরে ফেসবুকে ইয়াদের ছবি দেখে তাকে চিনতে পারে। ইয়াদ আবার জামালকে হুমকি দেয় জিয়াকে ছাড়ার জন্য। দুআ ও ইয়াদের মধ্যে অদৃশ্য সম্পর্কের শুরু হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৩ | দুআর অভিমান ও ঢাকায় যাওয়ার স্বপ্ন

দুআ মায়ের কাছ থেকে ঢাকায় যাওয়া বারণ শুনে অভিমানে ভেঙে পড়ে। রিজোয়ান ও বন্ধুদের সাহায্যে সে কারখানায় গিয়ে বাবাকে রাজি করায়। অন্যদিকে, ইয়াদ বাড়ি ফিরে জানতে পারে মাইশার হবু শ্বশুরবাড়ি থেকে মেহমান আসছে, যাদের সাথে আছে দুআ। মারিয়া ইয়াদকে দুআর ছবি দেখায়, আর ইয়াদ মনে মনে মুগ্ধ হয়।