ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১২ | রাজের ব্ল্যাকমেইল, সামান্তার বিপদ ও আদির রোমাঞ্চকর উদ্ধার

রাজ নিশির চেঞ্জিং ভিডিও দিয়ে সামান্তাকে ব্ল্যাকমেইল করে গোপন জায়গায় নিয়ে যায়। সামান্তা গোপনে রেকর্ডিং চালিয়ে রাখে। আদি লোকেশন ট্র্যাক করে ছুটে আসে, রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তাকে থাপ্পড় মারে, কিন্তু পরে সব শুনে ভেঙে পড়ে। রাজকে শাস্তি দেওয়ার জন্য আদি বেরোয়, কিন্তু সামান্তা আটকায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১০ | হানিমুনের পর আদি-সামুর নতুন দিন ও রাস্তায় অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা

আদি-সামু হানিমুন থেকে ফিরছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সামু আদির যত্ন দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু আদির কিউট আচরণে রাগ-ভালোবাসা মিশে যায়। রাস্তায় গাড়ি দুর্ঘটনায় আদি আহত হয়। সামু রেগে আগুন হয়ে দুষ্টু ড্রাইভারকে মারতে ছোটে। আদি বুঝতে পারে, সামু তাকে ভালোবাসে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৬ | আদির রাগ, সামান্তার কষ্ট ও এনগেজমেন্টের রাতে আবেগের বন্যা

আদি সামান্তাকে শপিংয়ে অন্য ছেলের সাথে দেখে রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তা ক্ষুব্ধ হয় যখন আদি তাকে কাজিন বলে পরিচয় দেয়। নিশির এনগেজমেন্টে সামান্তা সুন্দর সাজে, আদি মুগ্ধ হয়। রাজের সাথে ডান্সে জ্বলে আদি, রুমে ঢুকে সামান্তাকে কোমড়ে চেপে ধরে এবং গালে চুমু দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৪ | সামান্তার ওড়না ও আদির রাতের ফোন

আদি সামান্তাকে সরিষা ক্ষেতের কথা শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়। ছাদে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সকালে অনুপযুক্ত পোশাকে বের হওয়ায় আদি রাগে ফোঁস করে, গার্ডদের হুমকি দেয়। রাতে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে আদি, সামান্তা তাকে থাপ্পড়ের হুমকি দেয়। আদি নিজেকে হাসব্যান্ড বলে দাবি করে, সামান্তা বিস্মিত হয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৩ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদির বোকা বনানো

সামান্তা আদির বদনাম করার প্রতিশোধ নেয় গাড়িতে বসেই। আদি রাগে স্পিড বাড়ায়, কিন্তু সামান্তা ভয় পায় না। সন্ধ্যায় লুডুর গুটি ছড়িয়ে পড়লে আদিকে গুগল করতে বাধ্য করে সে। আদি বোকা বনে যায়, আর সামান্তা হাসে জয়ী হয়ে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ১ ও ২ | সামান্তার প্রতিশোধ ও আদিলের অজানা অনুভূতি

সামান্তা বিয়ের পরপরই আদিলের ঘরে ঢুকতে অস্বীকার করে প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা করে। আদিল তাকে অবহেলা করলেও সামান্তা নিজেকে লুকিয়ে রাখে। দুই মাস পর, আদিল তাকে ছাদে দেখে রাগে ফেটে যায়। সামান্তাকে ভার্সিটি ড্রপ করতে গাড়ি চালানোর সময় সে বুঝতে পারে, সামান্তা তাকে চিনছে না—এবং তার স্বামীকে লাফাঙ্গা বলছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৫ | চৈত্রিকার অফিস প্রবেশ, তনয়ের সাক্ষাৎ ও সিনথিয়ার সারপ্রাইজ আগমন

চৈত্রিকা অফিসে কাজ শুরু করে মোনার কঠোর আচরণের মুখোমুখি হয়। ক্যান্টিনে তার ভার্সিটির প্রেমাসক্ত সিনিয়র তনয়ের সাথে দেখা হয়, যা সাফারাতের চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সাফারাত তাকে নিয়ে যায় গ্রামের চিলেকোঠায়, যেখানে চোখ খুলতেই সে দেখে সিনথিয়াকে—তার অতীতের বিশ্বাসঘাতিনী বন্ধু।

সুখের নেশায় | পর্ব ২২ | চৈত্রিকার লজ্জা, সাফারাতের আবেগ ও অফিসে উপহাস

চৈত্রিকা সাফারাতের রুমে আটকা পড়ে তার অদ্ভুত আচরণে বিভ্রান্ত হয়। সাফারাত তাকে জ্যাকেট ফেলে দেয়, ওড়না দিয়ে মুখ মোছে, আর ঘুমাতে বলে। পরদিন অফিসে শাড়ি পরে আসা চৈত্রিকাকে উপহাস করা হয়, আর সাফারাতের নির্বিকারতা তাকে ভেঙে দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ২০ | চৈত্রিকার দায়িত্ববোধ ও সাফারাতের জরুরি বিয়ের আদেশ

চৈত্রিকা পরিবারের দায়িত্বের কথা ভেবে বিয়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় সাফারাত রাগান্বিত হয়। সে তাকে জোর করে বিয়ে করার আদেশ দেয়, কিন্তু চৈত্রিকা চাকরি ও পরিবার স্থিতিশীল করার পর বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সাফারাত এক মাসের সময় দেয়, আর শেষে জারবেরা ফুলের ইঙ্গিত ও চুমুতে ভালোবাসা প্রকাশ করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৬ | চৈত্রিকার আংটি, সাফারাতের রাগ ও তাহাফের হুমকি

চৈত্রিকার আঙ্গুলে সাফারাতের দেওয়া আংটি দেখে তার বাগদত্তা হওয়ার কথা জানতে পারে সাফারাত, রাগে আগুন হয়ে ওঠে সে। চৈত্রিকাকে ফিরে পেতে চায় সে। বাড়ি ফেরার পথে তাহাফ তাকে ছাদে নিয়ে যায়, হুমকি দেয়। চৈত্রিকা প্রতিরোধ করে, তাহাফকে আঘাত করে। মিম সন্দেহ করে তাহাফই গোপন প্রেমিক, কিন্তু চৈত্রিকা তা অস্বীকার করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৫ | সাফারাতের রাগের আগুন ও চৈত্রিকার কান্না

জেরিন চৈত্রিকাকে অপমান করতে রেস্টুরেন্টে আসে, কিন্তু সাফারাত তাকে থাপ্পড় মেরে তাড়ায়। চৈত্রিকা মিহিতার বাসায় কাঁদছিল, আর সাফারাত তাকে নিচে ডাকে। গাড়ির পাশে তাকে জড়িয়ে ধরে সাফারাত জানতে চায় কেন কাঁদছে। চৈত্রিকা স্বীকার করে সে তার বিয়ের খবরে ভেঙে পড়েছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৩ | চৈত্রিকার সংকোচ, সাফারাতের রহস্যময় প্রশ্ন ও মিনার ফাঁস করা সত্য

চৈত্রিকা সাফারাতের ঘরে ঢুকতেই তার বুকে হাত পড়ে যায়, লজ্জায় লাল হয়ে যায় সে। সাফারাত রহস্যময়ভাবে প্রশ্ন করে—"আমি কি আপনার প্রেমিক?" চৈত্রিকা বিভ্রান্ত। কিচেনে মিনা ফাঁস করে দেয় সাফারাতের মায়ের মৃত্যুর গোপন কথা। হঠাৎ মিহিতা আসে বাড়িতে, চৈত্রিকা সন্দেহে পড়ে।