ট্যাগ প্রেমের দ্বন্দ্ব

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২৫ | ইয়াদের ফোন ও দুআর ভাঙা মন

দুআ ইয়াদের ফোন পায় পাঁচ মাস পর, কিন্তু তার কঠোর কথায় ভেঙে পড়ে। রাগ-অভিমানের মধ্যেও ইয়াদের ভালোবাসা ফিরে আসে মৃদু হাসি আর আবেগে। ঢাকায় এসে দুআ তার ঘরে ঘরে ইয়াদকে অনুভব করে, আর মারিয়ার মাধ্যমে আবার তার সাথে কথা বলে, কাঁদতে কাঁদতে ডাকে, 'আসুন না ইয়াদ'।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২০ | ইয়াদের যত্ন ও দুআর লাজুক মুহূর্ত

ইয়াদ দুআর কানের দুল খুলে রক্ত মুছে দেয় এবং খাওয়ার জন্যে আদেশ দেয়, যা দুআকে অভিভূত করে। পরে গ্রামের ধানক্ষেতে ভ্রমণে ইয়াদ দুআর পায়ের কাঁটা বের করে দেয় এবং তাকে সান্ত্বনা দেয়, যেখানে তাদের মধ্যে ভালোবাসার গভীর আবেগ ফুটে ওঠে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৬+১৭ | ইয়াদের প্রেম নিবেদন ও দুআর মুহূর্ত

ইয়াদ দুআকে ফোন করে সরাসরি প্রেম নিবেদন করে, তার দাগসহ সবকিছুতেই মুগ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করে। দুআ অবিশ্বাস ও আবেগে মূর্ছা যায়। ইয়াদ জিয়ার বিয়ের হুমকি ও বন্ধু ইয়াসিরের মানসিক অবস্থার মধ্যেও দুআকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১১ | দুআর যন্ত্রণা ও ইয়াদের ব্যাকুলতা

দুআ পরীক্ষা শেষে বন্ধুদের সাথে রেস্টুরেন্টে যায়, কিন্তু ইশফাকের কাছ থেকে যৌন হয়রানির শিকার হয়। আতঙ্কিত দুআ নীরব থাকে, কিন্তু রামিসা ঘটনার ভিডিও ইয়াদের কাছে পাঠায়। ইয়াদ ভিডিও দেখে বিচলিত হয় এবং রাতেই চট্টগ্রাম যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দুআর কষ্ট ও ইয়াদের ব্যাকুল ভালোবাসার মুখোমুখি হওয়া এই পর্বের মূল খান।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৪ | ইয়াদের হুমকি ও দুআর অজ্ঞান

ইয়াদ জামালকে ফোন করে কঠিন হুমকি দেয় এবং রেকর্ডিং সংরক্ষণ করে। বন্ধুদের সাথে বাইক ট্যুরে বেরিয়ে সে ঢাকার রাস্তায় দুআকে ধাক্কা দেয়। দুআ কুকুরছানা বাঁচাতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। ইয়াদ তাকে চেনে না, কিন্তু তার মা থেকে শুনে দুআর কথা এবং মনে অদ্ভুত আকর্ষণ অনুভব করে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৪ | অপর্ণার পড়াশোনা ও মৈনাকের অপরাধবোধ

অপর্ণা আলিপুরদুয়ারে সুপ্রতীক ও ইন্দ্রানীর সান্নিধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সুস্থ হতে শুরু করে এবং আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মৈনাক তার বাবার কাছ থেকে সব সত্য জেনে অপরাধবোধে ভুগতে থাকে। অপর্ণার বাবার মৃত্যুতে মৈনাক গ্রামে যায় এবং তার মনে প্রশ্ন জাগে তার নিজের আচরণ নিয়ে।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ৩ | অপর্ণার লড়াই ও মৈনাকের বিবেকের দ্বন্দ্ব

অপর্ণা ননদ-নন্দর সাহায্যে তীর্থের জামিনের জন্য লড়াই শুরু করে। মৈনাক বসু বিবেকের দ্বন্দ্বে ভোগে, কারণ তাকে ধর্ষণকারীর পক্ষে মামলা লড়তে হচ্ছে। অপর্ণা মৈনাককে ভালোবাসে জেনে ইন্দ্রানী নাড়া খায়। পারিবারিক সমর্থন ও আইনি যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে চলছে প্রেম, বিশ্বাস ও ন্যায়ের লড়াই।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩২ | সৌরভের গোপন প্রতিশোধ ও শুভের মানসিক সংগ্রাম

সৌরভ নুরীর মৃত্যুর পর ঝিলিকের কাছে তার প্রতিশোধের সত্য উন্মোচন করে, আর ঝিলিক বিয়ের কারণ জানতে চায়। শুভ রুহির জন্য ভাঙছে, আর শিখা তাকে রুহি ভুলতে বলে। শিখার রহস্যময় কথায় শুভ ভীত হয়ে ওঠে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩১ | নুরীর মৃত্যু ও রুহির প্রসবের আগের ব্যথা

শিখা নুরীর মৃত্যুর খবর নিয়ে আশরাফের সামনে আসে এবং তাকে অভিশাপ দেয়। ঝিলিক সৌরভের বিরুদ্ধে স্থির হয়। রুহি মা হওয়ার আবেগ অনুভব করে, কিন্তু রায়ীনের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। হঠাৎ প্রবল পেটের ব্যথায় সে চিৎকার করে ওঠে, প্রসবের আগের লক্ষণ শুরু হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২২ | রুহির মনের পরিবর্তন ও শুভের বিপদগ্রস্ত মন

রুহি রায়ীনের প্রতি আন্তরিক হতে শুরু করে, তার যত্ন নেয় এবং মনে মনে তাকে নতুন করে দেখে। শুভ আবেগপ্রবণ হয়ে রুহির সামনে হাজির হয়, নিজের হাতের ক্ষত নিয়ে আত্মশাস্তির কথা বলে। ঝিলিকের গায়ের কালো দাগ ও রাজের প্রতি তার অনুভূতি নিয়ে রুহি সন্দেহ পোষণ করে। পরিবারের গোপন রহস্য আরও গভীর হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৮ | রুহির কক্সবাজার যাত্রা ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি রায়ীনের সাথে কক্সবাজারে যায় এবং হোটেলে নামে। সমুদ্রের পাশে একা হাঁটতে গিয়ে সে শুভের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়, যে তার পিছু নিয়ে এসেছে। রুহি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে তিরস্কার করে এবং বিশ্বাসঘাতক বলে ঘৃণা প্রকাশ করে। শুভ তাকে রায়ীনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, কিন্তু রুহি তার কথা শুনতে অস্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৭ | শুভের সত্য ও রুহির বিশ্বাসভঙ্গ

রুহি জানতে পারে শুভই নিয়াজ, যে পাঁচ বছর ধরে মিথ্যা পরিচয়ে তার সাথে সম্পর্ক গড়েছে। আবেগে ভেঙে পড়ে রুহি, আর শুভের প্রতি ঘৃণা ও বিতৃষ্ণা প্রকাশ করে। এদিকে শিখা ও আফজাল রাজের ব্যবসায় বাড়াবাড়ির নেপথ্য ষড়যন্ত্র নিয়ে আলোচনা করে।