ট্যাগ পারিবারিক দ্বন্দ্ব

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২৩ | মিহুর প্রেম ও ফায়াজের সাজে মেহের

মিহুর প্রেমের বিষয়ে ফায়াজ মেহেরের বাবার সাথে কথা বলে, কিন্তু তার প্রতিক্রিয়া সন্তোষজনক নয়। মেহের আহিলের পরিবারের সম্মতি নেয় এবং গোপনে বিয়ের পরিকল্পনা করে। ফায়াজ মেহেরকে সাজতে দেখে মুগ্ধ হয় এবং তার কপালে তিলে চুমু দেয়, যা মেহেরের হৃদয় নাড়িয়ে দেয়।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২০ | মেহেরের বোনের প্রেম ও ফায়াজের ভুল বুঝাবুঝি

মেহের বোন মিহুর প্রেমের কথা জানতে পেরে তাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেয়। ফায়াজ মিহুর কথা শুনে মেহেরের প্রতি গভীর অনুভূতি টের পায়। পরে ভুল বুঝে ফায়াজ মেহেরের হাত চেপে আঘাত করে, কিন্তু সত্য জেনে ক্ষমা চায়।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ৪৮ | বিদ্যার গোপন চিহ্ন, অভির কঠোর সতর্কতা ও শশুড়ের অপ্রত্যাশিত সমর্থন

বিদ্যা অভির বাবার কাছে জুলিয়ার নৃশংসতা উন্মোচন করে। আশিষ ওকে সমর্থন করেন এবং অভির সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। অভি বিদ্যাকে চেনার জন্য জোরপূর্বক পরিচয় উদ্ঘাটন করে, তারপর কঠোরভাবে সতর্ক করে যায়। বিদ্যা অভির ভালোবাসার আবেগ অনুভব করে।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ২০ | অভির ইশক, বিদ্যার কষ্ট ও বৃষ্টিতে ফুসকার মুহূর্ত

অভি বিদ্যাকে জড়িয়ে বলে, 'আমি তোমাকে ইশক করি, নো মহব্বত'। বৃষ্টিতে ফুসকা খাওয়ার মুহূর্তে ঝালে জ্বলে যায় বিদ্যার ঠোট, আর অভি চুমু দিয়ে নেয় তার বেদনা। বাড়িতে ফিরে শর্মিষ্ঠার কটূক্তি ভেঙে দেয় বিদ্যার মন, আর সাজিতের উপর সাধনা দেবীর কঠিন নির্দেশ উঠে আসে পরিবারের গভীর বিভেদ।

সিঁদুরশুদ্ধি | পর্ব ১ | কেদারনাথের পথে বিপর্যয় ও বালিকাবিবাহের চাপ

কেদারনাথ যাত্রায় অপুর সাক্ষাৎ হয় ৬ বছরের বিদ্যার সাথে। বাবা রঘুনাথ চ্যাটার্জী ছেলেকে জোর করে বিদ্যার সঙ্গে বিয়ে দেন। অপু ভেঙে পড়ে, অনুরাধাকে হারানোর বেদনায়। বাড়িতে ফেরার পর রাঘব বিদ্যাকে হত্যার হুমকি দেয়, উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৭ | সামান্তার আঘাত, আদির উদ্বেগ ও রাজের অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব

সামান্তাকে ফুপ্পি আয়েশা খান থাপ্পড় মারে ফোন ভাঙার অজুহাতে। আদি গালের দাগ দেখে রাগে ফুঁসে ওঠে এবং পরিবারকে জিজ্ঞাসা করে। রাজ কানাডার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সামান্তার জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠায়। আদি পার্টিতে সামান্তাকে সতর্ক করে ফোনে, রাজ থেকে দূরে থাকতে বলে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২১ | চৈত্রিকার বিয়ে ও তাহাফের আগমন

চৈত্রিকার সাফারাতের সাথে সাদামাটা বিয়ে সম্পন্ন হয়, কিন্তু তাহাফ পরিবার নিয়ে হাজির হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। সাফারাত রাগে ফেটে পড়ে তাহাফকে মারধর করে, চৈত্রিকা কাঁদতে থাকে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই দেখা দেয় নতুন সংঘাত।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৭ | সাফারাতের দৃঢ়তা ও চৈত্রিকার বাবার অবস্থা

সাফারাত চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে চাচা-চাচীর আবেদন উপেক্ষা করে। চৈত্রিকার বাবার অবস্থা অবনতি হয়, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে ফোন করে কিন্তু বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হতবাক হয়। অতীতের স্মৃতি ও বর্তমানের চাপে দুজনের মন ভারাক্রান্ত।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৩ | চৈত্রিকার সংকোচ, সাফারাতের রহস্যময় প্রশ্ন ও মিনার ফাঁস করা সত্য

চৈত্রিকা সাফারাতের ঘরে ঢুকতেই তার বুকে হাত পড়ে যায়, লজ্জায় লাল হয়ে যায় সে। সাফারাত রহস্যময়ভাবে প্রশ্ন করে—"আমি কি আপনার প্রেমিক?" চৈত্রিকা বিভ্রান্ত। কিচেনে মিনা ফাঁস করে দেয় সাফারাতের মায়ের মৃত্যুর গোপন কথা। হঠাৎ মিহিতা আসে বাড়িতে, চৈত্রিকা সন্দেহে পড়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৯ | চৈত্রিকার তৃষ্ণা, অজানা ভাইয়ের উপহার ও রাতের অপেক্ষা

গরমে কাতর চৈত্রিকা পথে হাঁটতে হাঁটতে এক বাচ্চাকে পাঁচ টাকা দেয়, যার জবাবে অজানা ভাইয়ের মাধ্যমে পায় পানি ও ভর্তা। বাসায় ফিরে জানে বাড়িওয়ালার হুমকির কথা। রাতে হঠাৎ ফোন আসে সাফারাতের, যে তাকে চা নিয়ে আসতে বলে গেটের বাইরে অপেক্ষা করছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৩ | চৈত্রিকার রহস্যময় ফুল, সাফারাতের আবির্ভাব ও বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত

চৈত্রিকা রহস্যময়ভাবে জারবেরা ফুল পায়, যা তার অতীতের স্মৃতি জাগায়। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাসস্ট্যান্ডে হঠাৎ সাফারাতের আবির্ভাব হয়, যার হিম স্পর্শ ও উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে চমকে ওঠে সে। এদিকে সাফারাত পরিবারের সাথে তিক্ততা ও বাবার ফোন এড়ায়, আর চৈত্রিকার বাবা তাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে চলেছেন।

তোমাতেই পূর্ণ আমি | পর্ব ২৬ | শ্রেয়ার বিয়ের পরের সকাল, তূর্যর মায়ের আগমন ও চিরকুটের আবেগঘন স্বীকারোক্তি

বিয়ের পরের সকালে শ্রেয়াকে নিয়ে তূর্য আনন্দে মাতোয়ারা। হঠাৎ তার মায়ের আগমনে বাড়িতে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তূর্য তাকে স্পষ্ট জানায় তাকে মা হিসেবে মানে না। রাতে চিরকুটে তূর্যর আবেগঘন ভালোবাসা পড়ে শ্রেয়া মুগ্ধ হয় এবং প্রথমবার তার কপালে চুমু খায়।