ট্যাগ পারিবারিক দ্বন্দ্ব

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৪ | রুহির গোপন সন্দেহ ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি শশুরকে খাওয়ানোর দায়িত্ব নেয় এবং ঝিলিকের সাথে আন্তরিক কথোপকথনে সম্পর্ক জোরদার হয়। রায়ীনের সাথে গাড়িতে যাওয়াকালীন ঝিলিকের সাথে তার অতীত নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। বাড়িতে ফিরে রুহি শুভের অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি দেখে চমকে যায়, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৩ | রুহির কৌতূহল ও শশুরবাড়ির গোপন

রুহি শশুরবাড়ির পারিবারিক ছবি না থাকায় কৌতূহল প্রকাশ করে, যা নিয়ে সবাই অস্বস্তিতে পড়ে। শিখা ও রোজী তাকে সতর্ক করে, আর রায়ীন রূঢ়ভাবে মাঝপথে কথা কাটে। বাবার চাপ, শুভের কষ্ট এবং শশুরের ক্যান্সারের কথা নিয়ে রুহি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের গোপন রহস্য উঁকি দেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১২ | রুহির বাড়ির গোপন রহস্য ও রেনুর আবেগ

রুহি বাড়ির ছাদে একটি তালাবদ্ধ ঘর দেখে কৌতূহলী হয়। মর্জিনা জানায়, সবাইকে সেখানে যেতে মানা। ঝিলিক রুহির চায়ে সুগার না দিতে বলে, তার স্বামী রায়ীনের অভ্যাসের কথা উল্লেখ করে। রেনু রাতে রুহির ঘরে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলে, সে অনেকদিন পর নিজের মানুষ পেয়েছে। রায়ীন হঠাৎ ঢুকে পড়ে তাদের কথোপকথন বাধা দেয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১১ | রুহির সংঘাত ও রায়ীনের গোপন কারণ

রুহি রায়ীনের অসুস্থ বাবার অবস্থা জেনে বিচলিত হয়। রায়ীন স্পষ্ট করে যে বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণের জন্যই তাকে ফিরিয়ে এনেছে। রুহি প্রস্তাব দেয় ডিভোর্সের, কিন্তু রায়ীন আবেগ দিয়ে ভাঙে। রুহি জানতে চায়, সে কি কারণে দেশ ছাড়লেন, কিন্তু রায়ীন চুপ করে থাকে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৭ | রুহির বিচ্ছেদ ও শুভের আক্ষেপ

রুহি শুভের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার ইচ্ছায় শশুরবাড়ি ফিরতে রাজি হয়। শুভ ভেঙে পড়ে, রুহি মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত। বিদায়ের মুহূর্তে রায়ীনের গাড়িতে উঠে রুহি নীরবে কাঁদে। পথিমধ্যে মাথা ঘোরা ও বমির ঘটনায় রায়ীনের গায়ে বমি পড়ে।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৫ | রনকের ভয় ও রুহানির বদলে যাওয়া মন

রনক রুহানির বাড়িতে পা রাখে ভয়ে ভয়ে, অস্বস্তিতে কাবু। রুহানি মজা নেয়, কিন্তু পরে তাকে সাজায় সার্ভেন্ট। ফালাক পার্টিতে রুহানিকে নতুন রূপে দেখে মুগ্ধ হয়, কিন্তু নিজেকে বাজে ভাবনা থেকে সামলায়। রুহানি ফালাকের প্রতি ক্রমশ আকৃষ্ট হয়, আর তায়েফকে চড় মারে যখন জানে এক মেয়েকে গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে।

মা’ওয়া | পর্ব ৫ ও শেষ পর্ব | ইশারার সিদ্ধান্ত ও বিয়ের প্রস্তুতি

বিচারের রাতে ইমামপত্নী নাবিলার চরিত্র ও ইঞ্জিমামের ধর্মীয় যুক্তি সবাইকে স্তব্ধ করে। ইশারা ছোটমাকে নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে এবং ইনজিমামের সাথে বিয়েতে রাজি হয়। পাঁচদিন পর ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়, কিন্তু কনে কলেজে ফিরতে চায়। ইনজিমাম তাকে আটকায়, আবেগের মুহূর্তে শেষ হয় গল্প।

মা’ওয়া | পর্ব ৪ | চাচির প্রস্তাব ও ইনজামের অস্বস্তি

ইশারার সাথে চাচি রাহিমা বাড়ির চারপাশে হাঁটছেন এবং সাহেদের চেম্বারে পৌঁছান। চাচি ইশারাকে সাহেদের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ইশারা লজ্জায় লাল হয়ে যায়। পরে ইনজামের সাথে দেখা হয়, যে তাকে এড়িয়ে চলে এবং ধর্মীয় কারণে একা দেখলে সমস্যা হওয়ার কথা বলে।

মা’ওয়া | পর্ব ৩ | ময়না বিবির বিষণ্নতা ও সালিশের প্রস্তুতি

ইশারা ময়না বিবিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। রুমানা সম্পত্তি নিয়ে না-দাবি নামা সই নেয়। ইশারা জানতে পারে রাতে সালিশ হবে, যেখানে ইমামের স্ত্রীর চারিত্রিক অসঙ্গতি নিয়ে বিচার হবে। সে উপস্থিত থাকতে চায়।

মা’ওয়া | পর্ব ১ | ইশারার শেষ দেখা ও পরিবারের সংঘাত

বাবার মৃত্যুর পর ইশারা গোরস্থানে পৌঁছায় দেরিতে, শেষ দেখা মিস করে। বাড়িতে ভাইবোনদের কপট শোকে বিরক্ত আখতারুজ্জামান। ময়না বিবি ভয়ে ভয়ে সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়ার আশঙ্কা করেন। ইশারা পালিয়ে যায় হাকিম মোল্লার বাড়িতে, যেখানে অপরিচিত এক পালোয়ানের সাথে তার দেখা হয়।

প্রিয় অভিমান | পর্ব ৩ | রুহানির বাজিমাত ও রনকের স্বপ্ন

রুহানি ফালাকের নাম্বার ছড়ানোর পরিকল্পনা করে, কিন্তু ভুল নাম্বারে ফাঁদে পড়ে। স্যার তাকে রনকের সাথে বসায়। গ্রামের ছেলে রনকের বাবার স্বপ্নের কথা শুনে রুহানির মন নরম হয়। ফালাক দূর থেকে সব দেখে।

অনুভবে আজো তুমি | পর্ব ২৪ | মিহুর বিয়ে ও মেহেরের বাবার ক্ষোভ

মিহুর বিয়ে নিয়ে মেহেরের বাবা ফায়াজকে দোষ দেয়, কিন্তু মেহের সব দায় নিজের ঘাড়ে নেয়। বাবা মেহেরকে ক্ষমা করবেন না বলে ফোন রাখেন। মেহের ছাদে বৃষ্টিতে ভিজছে, ফায়াজ তাকে খুঁজে পায়। গভীর আবেগের মুহূর্তে ভাঙছে হৃদয়।