ট্যাগ অতীতের ছায়া

কনফিউশন | পর্ব ৩৭ | যাদিদের রাগ ও তিরার অতীতের চিঠি

যাদিদ তিরার অতীতের চিঠি ও ছবি দেখে রাগে ফুঁসছে। তিরা মিথ্যে লুকানোর জন্য ক্ষমা চায়, কিন্তু যাদিদ বিশ্বাস হারায়। তিরা চিঠি পড়ে নিজের ভুল উপলব্ধি করে এবং বুঝতে পারে, তার অতীত তার বর্তমানকে ধ্বংস করছে।

কনফিউশন | পর্ব ৩৫ | আরশির অতীতের কথা ও যাদিদের সারপ্রাইজ ফিরে আসা

আরশি কাব্যকে বাবা-মায়ের মৃত্যুর ট্রমার কথা জানায়, যেখানে বাজারে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সে হাসতে পারত না, কাঁদতে পারত না—জীবনটা ছিল অন্ধকার। কাব্য তাকে সান্ত্বনা দেয় এবং আজীবন পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। এদিকে তিরার শাশুড়িবাড়িতে যাদিদ হঠাৎ আসে, সারপ্রাইজ দেখে তিরা অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

কনফিউশন | পর্ব ২০ | কাব্যর বাড়ি ফেরা ও মায়ের অভিযোগ

কাব্য আচমকা বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে শোনে তনিকার বিয়ের কথা। মা তাকে তীব্র অভিযোগ করেন তনিকার জীবন নষ্ট করার জন্য। কাব্য স্বীকার করে ক্ষতি করেছে, কিন্তু প্রশ্ন তোলে তনিকার নিজের ভূমিকা নিয়ে। আরশি তার মেসেজে দুঃখ প্রকাশ করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২১+২২ | ইয়াদের প্রেমের প্রতিজ্ঞা ও দুআর বিশ্বাস

ইয়াদ ও দুআর মধ্যে গভীর ভালোবাসার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়। ইয়াদ তার অতীত নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে আত্মঘাতী আচরণ করে, কিন্তু দুআ তাকে বিশ্বাস দেখিয়ে শান্ত করে। তাদের মধ্যে প্রেমের চূড়ান্ত প্রতিজ্ঞা হয়, যেখানে ইয়াদ ঘোষণা করে দুআকে কখনো ছাড়বে না।

#আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১ | দুআর চুরি আম আর গোপন জাল টাকা

দুআ ফারাবী, গ্রামের জমিদারের মেয়ে, বন্ধুদের সাথে মিলে আম চুরি করতে গাছে উঠেছে। জুবিন কাকা ধরা দেওয়ার পর সে জাল টাকা দিয়ে কৌশলে প্রাণে বাঁচে। কলেজে প্রথম দিন, তার অদ্ভুত পোশাক ও ত্বকের রোগ নিয়ে জেরিনের উপহাস, কিন্তু বন্ধুরা তাকে বাঁচায়। অন্যদিকে, ক্রিকেটার ইয়াদ থাইল্যান্ডে অতীতের প্রেমিকাকে নির্মমভাবে প্রত্যাখ্যান করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৫ | রুহির বিশ্বাসের প্রশ্ন ও শুভের মানসিক সংগ্রাম

রুহি রায়ীনের অতীত নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং ভালোবাসার বিষয়ে সরাসরি জানতে চায়। রায়ীন স্প্যানিশ গার্লফ্রেন্ডের কথা স্বীকার করে, কিন্তু ভালোবাসা না থাকার কথা বলে। শুভ ঢাকায় যেতে চায়, কিন্তু শিখা আটকায়। রুহি ও রায়ীনের মধ্যে বিশ্বাসের টানাপোড়েন চরমে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২ | রুহির মানসিক সংগ্রাম ও রায়ীনের প্রত্যাবর্তন

রুহি রায়ীনের প্রস্তাবে বিচলিত হয়ে বাসায় ফিরে মানসিক সংগ্রামে জর্জরিত। মা দিলারা তার অবস্থা লক্ষ্য করেন। শুভের সাথে কথা বলতে গিয়ে রুহি ফাঁস করে দেয় যে রায়ীন ফিরে এসেছে। শুভ বিস্মিত হয়ে যায়। রাত বারোটা বাজে, একটি নতুন দিন শুরু হয় অনিশ্চয়তার মধ্যে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১ | রুহির কফিশপ দেখা ও রায়ীনের অপ্রত্যাশিত প্রস্তাব

রুহি গুলশানের টেরাকোটা কফিশপে পৌঁছে দেখা হয় রায়ীনের সাথে, যাকে সে পাঁচ বছর ধরে ভুলে থাকার চেষ্টা করছিল। রায়ীন অপ্রত্যাশিতভাবে তাকে ফিরে পেতে চায়, আর সেই কথা শুনে রুহির কফি ছিটকে পড়ে তার মুখে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৬ | চৈত্রিকার অজানা অতীত, সাফারাতের প্রতিশোধ ও সিনথিয়ার সত্য

চৈত্রিকা জানতে চায় সাফারাতের সাথে সিনথিয়ার অতীতের সত্য। সাফারাত মুখ খুলে বলে, আট বছর আগে বদ্ধ কক্ষে তাদের বন্দী হওয়ার ঘটনায় মিথ্যা অপবাদ লাগে তার মায়ের উপর। সমাজের চাপে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়, কিন্তু তা হয়নি। চৈত্রিকার কারণে তার মা অপমানিত হয়েছিল—এই কথা শুনে চৈত্রিকা মাটিতে ঢলে পড়ে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৫ | চৈত্রিকার অফিস প্রবেশ, তনয়ের সাক্ষাৎ ও সিনথিয়ার সারপ্রাইজ আগমন

চৈত্রিকা অফিসে কাজ শুরু করে মোনার কঠোর আচরণের মুখোমুখি হয়। ক্যান্টিনে তার ভার্সিটির প্রেমাসক্ত সিনিয়র তনয়ের সাথে দেখা হয়, যা সাফারাতের চোখে পড়ে। সন্ধ্যায় সাফারাত তাকে নিয়ে যায় গ্রামের চিলেকোঠায়, যেখানে চোখ খুলতেই সে দেখে সিনথিয়াকে—তার অতীতের বিশ্বাসঘাতিনী বন্ধু।

সুখের নেশায় | পর্ব ৩ | চৈত্রিকার রহস্যময় ফুল, সাফারাতের আবির্ভাব ও বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত

চৈত্রিকা রহস্যময়ভাবে জারবেরা ফুল পায়, যা তার অতীতের স্মৃতি জাগায়। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাসস্ট্যান্ডে হঠাৎ সাফারাতের আবির্ভাব হয়, যার হিম স্পর্শ ও উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে চমকে ওঠে সে। এদিকে সাফারাত পরিবারের সাথে তিক্ততা ও বাবার ফোন এড়ায়, আর চৈত্রিকার বাবা তাকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে চলেছেন।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ৯ | জুলির ভার্সিটি যাত্রা ও অতীতের ছায়া

জুলি জ্বর সারার পর ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য রওনা হয়। পথে তার অতীতের হবু বর তাদের আটকায় এবং হুমকি দেয়। আরফিন তাকে মারধর করে বাঁচায়, কিন্তু নিজের হাত কেটে ফেলে। জুলি তার জন্য যত্ন নেয়, আরফিন ভাবে—কেন এত গভীরে জড়িয়ে যাচ্ছে সে?