ট্যাগ কলেজ লাইফ

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ১৭+১৮ | আরোহির বৃষ্টিতে ভেজা রাত, আয়ানের গোপন পর্যবেক্ষণ ও মেসেজে ভালোবাসার ইঙ্গিত

আরোহি বৃষ্টিতে ভিজে ছাদে গান গায়, আয়ান গাড়িতে দাঁড়িয়ে তাকে গোপনে দেখে। রাতে আয়ান মেসেজ পাঠায়, আরোহি ভাবে কে পাঠিয়েছে। পরদিন কলেজে চোখাচোখি, সাজি-জান্নাত সন্দেহ করে। আয়ান আরোহিকে নতুন পোশাকে দেখে মুগ্ধ হয়।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৭+৮ | আরোহির অসুস্থতা, আয়ানের রাগ ও রায়ার আগমন

আরোহি অসুস্থ হয়ে কলেজে আসতে না পারায় আয়ান মন খারাপ করে। আরোহি ফিরে এলে আয়ান তাকে শাস্তি দিতে চায়, কিন্তু রাগের মাথায় কঠোর কথা বলে আরোহি কাঁদে। এদিকে আয়ানের বন্ধু রায়া হঠাৎ আসে, যা দেখে আরোহি রাগে জ্বলে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৫+৬ | আরোহির হাসপাতাল থেকে ফিরে আসা ও আয়ানের প্রথম ক্লাস

আরোহি হাসপাতাল থেকে ফিরে আসে। আয়ান তাকে কোলে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কলেজে ফিরে সবাই তাকে ঘিরে থাকে। আয়ানের প্রথম ইংরেজি ক্লাসে আরোহি দেরি করে আসে, শাস্তি পায়। কিন্তু পড়ায় তার দক্ষতা দেখে আয়ান মুগ্ধ হয়।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ৩+৪ | আরোহির কলেজ লাইফ ও আয়ান স্যারের প্রথম ক্লাস

আরোহি আফরিন কলেজে ফিরেছে নতুন ইংরেজি শিক্ষক আয়ান চৌধুরির সাথে প্রথম দেখা নিয়ে। ক্লাসে তাদের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন, আরোহির মাথা ঘোরা ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। আয়ান তাকে কোলে তুলে নিয়ে যায়, আবেগের শুরু হয়েছে।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ১+২ | আরোহির প্রথম দেখা ও আয়ানের আগমন

আরোহি আফরিন তার দুষ্টুমি দিয়ে সকাল শুরু করে, কিন্তু ফুটবলের এক লাথিতে তার জীবনে ঢুকে আসে আয়ান চৌধুরি। রাস্তায় ঝগড়া, কলেজে আবার দেখা, আর আয়ান যখন জয়েন করে ইংরেজি টিচার হিসেবে—সবই শুরু হয় এক অপ্রত্যাশিত সারপ্রাইজ থেকে।

বাতাসী বউ | পর্ব ১ | সুপ্তির ব্যস্ত সকাল ও রাজের সাথে দেখা

সুপ্তি অনার্স ফাইনাল বর্ষের ছাত্রী এবং মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করে। এক ব্যস্ত সকালে ঘুম থেকে উঠে সে অফিসের পথে রাজের সাথে দেখা হয়, যে তাকে ড্রপ করে দেওয়ার অনুরোধ করে। সুপ্তি তাকে এড়াতে চায়, কিন্তু রাজের জেদে রাজি হয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৭ | নিলীমার রাতের আমন্ত্রণ ও ছাদের গোপন মুহূর্ত

নিলীমা রাতে ঘুম না আসায় হুমকে ছাদে ঘুরতে ডাকে। হুম তাকে কোলে করে নিয়ে যায়। আগের দিনের ঘটনা মনে করে হাসে মেডামের সাথে সাক্ষাতের পর। প্রেম, মিষ্টি তর্ক ও ঘনিষ্ঠতায় ভরপুর এই পর্বে আবেগ আরও গভীর হয়।

সেলফিশ | পর্ব ১০ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও কাব্যর প্রতিক্রিয়া

মিরা কালো শাড়ি পরে কাব্যকে মুগ্ধ করে, আর তার সামনে স্বীকার করে তাকে ভালোবাসে। কাব্য প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও শেষে মিরাকে জড়িয়ে নেয়। স্বর্না তাদের দেখে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়। অফিসে ম্যাম কাব্যকে জানায়, তাকে পার্কে তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা গেছে।

সেলফিশ | পর্ব ৫ | মিরার অজানা ভালোবাসা ও কাব্যর জ্বর

মিরা কাব্যকে বন্ধুত্বের ছলে প্রেমে ফেলতে চায়, কিন্তু সময়ের সাথে নিজেই তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। কাব্য জ্বরে ভুগছে, মিরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। বান্ধবীরা মিরার আচরণ দেখে বুঝতে পারে সে কাব্যকে ভালোবাসছে। রাতে মিরা নিজেকে প্রশ্ন করে—আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাসি?

সেলফিশ | পর্ব ৪ | মিরার বাজি ও কাব্যর প্রতি অদ্ভুত আচরণ

মিরা বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে কাব্যকে প্রেমে ফেলার চ্যালেঞ্জ নেয়। ক্লাসে তাকে তাকিয়ে হাসে, তারপর জোর করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। কাব্য বিভ্রান্ত, মিরার আচরণে ভয় পায়। মিরা ঘরে ফিরে বান্ধবীদের বলে—ওকে দুর্বল করার প্লান চলছে, কিন্তু সে নিজেই পড়বে না।

সেলফিশ | পর্ব ৩ | কাব্যর নতুন চাকরি ও কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ

কাব্য একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং আশার আলো দেখতে শুরু করে। বাড়িওয়ালার মেয়ের জন্য ঘর ছাড়তে হয়, কিন্তু আন্টির যত্নে সকালের খাবার পায়। কলেজে প্রথম দিনেই মিরা তাকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গ করে, আর স্যার তাকে অবহেলা করেন। ক্লাসে সবাই তার পোশাক দেখে হাসে, আর মন ভারী হয়।

সেলফিশ | পর্ব ২ | কাব্যর হাসপাতালের ঘটনা ও কলেজে ভর্তি

কাব্য রাস্তায় রক্তাক্ত প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, পুলিশের সন্দেহ এড়ায়। প্রিন্সিপাল কাব্যের মনের কষ্ট বুঝে তাকে নিজের কলেজে ভর্তির সুযোগ দেয়। পরদিন কলেজে প্রবেশের সময় এক সুন্দরী মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে চড় মারে।