ট্যাগ প্রেমের মুহূর্ত

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ২০ | ইয়াদের যত্ন ও দুআর লাজুক মুহূর্ত

ইয়াদ দুআর কানের দুল খুলে রক্ত মুছে দেয় এবং খাওয়ার জন্যে আদেশ দেয়, যা দুআকে অভিভূত করে। পরে গ্রামের ধানক্ষেতে ভ্রমণে ইয়াদ দুআর পায়ের কাঁটা বের করে দেয় এবং তাকে সান্ত্বনা দেয়, যেখানে তাদের মধ্যে ভালোবাসার গভীর আবেগ ফুটে ওঠে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৯ | ইয়াদের মন জুড়ানো ভালোবাসা

ইয়াদ ও দুআ পুনরায় মিলিত হয় হবু শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠানে। ইয়াদ দুআকে সাজসজ্জায় দেখে মুগ্ধ হয় এবং নির্জনে তাকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়। দুআ তার আবেগে ভেঙে পড়ে, কিন্তু লজ্জায় সরাসরি সাড়া দিতে পারে না। ইয়াদ তাকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৪ | ইয়াদের ভালোবাসা ও দুআর ভয়

ইয়াদ দুআকে ভালোবাসে জানালেও তার রাগের মুখ দেখে ভীত হয় দুআ। মাইক্রোফোন লাগানোর ঘটনায় ক্রুদ্ধ ইয়াদ কটেজের স্টাফকে ধমক দেয়, আর দুআ তার কঠিন রূপ দেখে আতঙ্কিত হয়। তাদের মধ্যে অদৃশ্য টান আরও গভীর হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১৩ | বৃষ্টিতে ভেজা মুহূর্ত ও ইয়াদের মুগ্ধতা

বৃষ্টিতে আটকে যাওয়া দুআ ও ইয়াদের মধ্যে গড়ে ওঠে অদ্ভুত আবেগের সম্পর্ক। টঙের দোকানে চোখাচোখি, নামার পথে ইয়াদের কাঁধে হাত রাখা দুআর অনুভূতিকে নাড়া দেয়। ইয়াদ তাকে মুগ্ধ হয়ে বলে, "তোমার বিহেভিয়ার, আই রিয়েলি লাইক ইট"। দুআ প্রশ্ন করে, এটা কি সত্যি নাকি স্বপ্ন?

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ১২ | ইয়াদের চট্টগ্রাম যাত্রা ও দুআর সাথে পুনর্মিলন

ইয়াদ চট্টগ্রামের রত্নাপুর গ্রামে তিতলি কটেজে উঠে দুআর সন্ধানে অপেক্ষা করছে। রামিসার মাধ্যমে তার সাথে যোগাযোগ করে দেখা স্থির করে। পাহাড়ের টংয়ে চা খেতে খেতে দুআকে দেখে ইয়াদ মুগ্ধ হয়ে যায়। দুই প্রাণের মধ্যে অদৃশ্য সম্পর্ক গভীর হতে শুরু হয়।

আমার চন্দ্রাবতী | পর্ব ৯+১০ | ইয়াদের অস্থির মন ও দুআর বিদায়

ইয়াদ দুআর প্রতি অজানা আকর্ষণে মুগ্ধ হয়ে পড়ে, আর দুআ তাসনিমের কটূক্তিতে মন ভেঙে পড়ে। ছাদে কথোপকথনে ইয়াদের মনে গভীর ছাপ পড়ে। দুআর বিদায়ের পর ইয়াদ বুঝতে পারে, সে তাকে হারাতে পারবে না। তার মনে জাগে অপ্রতিরোধ্য ভালোবাসার অনুভূতি।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৩ | রুহি-রায়ীনের আবেগঘন মুহূর্ত ও শুভের ভাঙন

রুহি ও রায়ীনের মধ্যে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়, কিন্তু রুহির মনে জাগে প্রশ্ন। শুভ তাদের ঘনিষ্ঠতা দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ঘরের জিনিসপত্র ভাঙে। শিখা শুভের ভালোবাসা বুঝতে পারে এবং চালাকির পরিকল্পনা ভাবতে শুরু করে।

হৃদমাঝারে | পর্ব ১০ | আয়ানের বিয়ে প্রত্যাখ্যান ও জিয়ার চমক

আয়ান আরুশির বিয়ে প্রত্যাখ্যান করে বাড়ি ফিরে মৌন হয়ে থাকে। মা বাসন্তীদেবী হতাশ হয়ে কাঁদেন। অন্যদিকে, জিয়া বন্ধুদের সাথে পার্টিতে ব্যস্ত থাকায় ফোন মিস করে। বাড়ি ফিরে জিয়া আরুশির ডায়েরিতে আয়ানের নাম দেখে চমকে যায়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৫ | জিয়ার এক্সিবিশন ও আয়ানের মেসেজ

জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে ব্ল্যাক কফির প্রেমের কথা শুনে হেসে উঠে। তারপর তার ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনে নির্বাচিত হওয়ার খবরে আনন্দিত হয়। রাতে আয়ান মেসেজ করে বাড়ি পৌঁছানোর খোঁজ নেয়। কয়েকদিন পর এক্সিবিশনে জিয়া সেরা ফটোগ্রাফারের পুরস্কার পায়, আর আয়ান তার স্কুটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়।

হৃদমাঝারে | পর্ব ৪ | জিয়ার স্কুটিতে আয়ান ও ক্যাফের চা

জিয়া ও অংশুমান শিলিগুড়ির কলেজে সফটওয়্যার সমস্যা সমাধানে যায়। সেখানে হঠাৎ জিয়ার স্কুটির সামনে আয়ান এসে পড়ে। পরিচয় হয় পৌলমীর, যে ঈর্ষায় ভাঙা মন নিয়ে ক্লাসে ফিরে। জিয়া আয়ানকে ক্যাফেতে নিয়ে যায়, সেখানে তাদের মধ্যে গভীর আলোচনা হয়। পরের সাক্ষাতের জন্য চুক্তি হয় আগামী সানডে বিকেল ৫টায়।

স্নিগ্ধ চাহনি | পর্ব ৬ | মুগ্ধর নাম মৃন্ময় ও আফনানের ফোন

মুগ্ধ জিসানকে জানায় যে মৃন্ময়ী তার হাফ স্ত্রী, আর তার নাম আসলে মৃন্ময়। মৃন্ময়ী চমকে যায়। পরে মুগ্ধ তাকে আবেগী ভাষায় বলে যে তার চোখ তাকে বশে এনেছে। হঠাৎ আফনানের ফোন আসে, মৃন্ময়ীর মন আবার নাড়া খায়।

সারপ্রাইজ লাভার | পর্ব ১৫+১৬ | আরোহির বিল্লি উদ্ধার, আয়ানের ছবি তোলা ও কুকুরের ভয়

আরোহি রাস্তায় একটি বিল্লি ছানাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আয়ানের গাড়ির সামনে দাঁড়ায়। আয়ান তাকে বাঁচায় এবং গোপনে ছবি তোলে। কুকুরের প্রতি তার ভয় বুঝে আয়ান তাকে ড্রপ করে দেয়। বাড়িতে ফিরে আরোহি আয়ানের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কথা ভাবে, আর আয়ান তার ছবি দেখে মুগ্ধ হয়।