ক্যাটাগরি থ্রিলার গল্প

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৬ | ম্যাডামের শপিং মলে হামলা ও রমিওর উদ্ধার

রমিও ক্লাসে মেয়েদের আগ্রাসনে বিরক্ত হয়। বাড়িতে আঙ্কেলের সাথে কথা বলে মন খুলে। ম্যাডাম তাকে শপিং মলে নিয়ে যায়, যেখানে তার উপর ছুরিকাঘাতের চেষ্টা হয়। রমিও তাকে বাঁচাতে নিজে আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং কোলে তুলে নিয়ে পালায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৫ | ভয়ংকর জায়গা ও কাননের আগ্রাসন

রমিও পিকনিক স্পটের ভয়ংকর ইতিহাস জানিয়ে রাতে থাকা থেকে বিরত রাখতে চায়। কানন তাকে জোর করে সামনের সিটে বসতে চায় এবং আগ্রাসন চালায়। রমিও প্রতিরোধ করে, আন্টি হস্তক্ষেপ করেন। ম্যাডাম হাসতে হাসতে পিছনে শুয়ে পড়েন, রমিও ভাবে—এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নেই।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৪ | ক্লাসের কানন ও ম্যাডামের বডিগার্ড

রমিও ভার্সিটি ক্লাসে জুলি ও কাননের বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। মেয়েদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, কিন্তু কাননের আগ্রাসন ও ম্যাডামের ক্রাশ তাকে চাপে ফেলে। শেষে আন্টি তাকে জানায়—সে আসলে দুজনেরই বডিগার্ড।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ৩ | ভার্সিটির হয়রানি ও কাননের চ্যালেঞ্জ

রমিও জুলির ভার্সিটিতে প্রথম দিনেই তাকে হয়রানি করা ছেলেদের হাত থেকে বাঁচায়। কানন তাকে চ্যালেঞ্জ করে গাড়িতে উঠতে, আর রমিও মানসিকভাবে চাপে থাকে। পরদিন সে প্রিন্সিপালের সাথে কথা বলে জুলির ক্লাসে উপস্থিত থাকার অনুমতি পায়।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ২ | রমিওর প্রথম দিন ও জুলির রাগ

রমিও নতুন চাকরিতে যোগ দেয় এবং জুলি নামের রাগী মেয়েটির বডিগার্ড হিসেবে নিযুক্ত হয়। প্রথম দিনেই জুলির কাছ থেকে ঠাসা খায়, খাওয়ার টেবিলে তার উপর তাকানো কাননের সাথে তর্ক হয়। সকালে রুমে ঢুকে কানন তাকে বিরক্ত করে, রমিও বুঝতে পারে এই চাকরি সহজ হবে না।

বডিগার্ড থেকে বর | পর্ব ১ | আরফিনের নতুন চাকরি ও রহস্যময় পরিবার

আরফিন সুমন নামের এক যুবক মামার সাহায্যে এক ধনী পরিবারের মেয়ের বডিগার্ড হিসেবে চাকরি পায়। বাড়িটি দেখে মুগ্ধ হয় সে, কিন্তু জানতে পারে না কার পাহারায় রাখা হবে। মামা জানায়, পরিবারটি বড় ব্যবসায়ী, প্রায় সব সময় বিদেশে থাকে। আরফিন বিকালে যোগদানের জন্য প্রস্তুত হয়, অজানা ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে।

আমার একটাই তুমি | পর্ব ৯ | জুলির ভার্সিটি যাত্রা ও অতীতের ছায়া

জুলি জ্বর সারার পর ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য রওনা হয়। পথে তার অতীতের হবু বর তাদের আটকায় এবং হুমকি দেয়। আরফিন তাকে মারধর করে বাঁচায়, কিন্তু নিজের হাত কেটে ফেলে। জুলি তার জন্য যত্ন নেয়, আরফিন ভাবে—কেন এত গভীরে জড়িয়ে যাচ্ছে সে?

বাতাসী বউ | পর্ব ১০-১২ | আবিরের প্রতিশোধ, সুপ্তির আঘাত ও বিয়ের প্রস্তাব

আবির সুপ্তিকে মাফ চাওয়ার পরিবর্তে নিলার সঙ্গে এংগেজমেন্টের নাটক করে। সুপ্তি ভেঙে পড়ে, কাচে হাত কেটে রক্তাক্ত হয়। আবিরের বাবা তাকে হাসপাতালে নেয়। সুপ্তি সিদ্ধান্ত নেয়—আবিরের বিয়ের দিনই নিজের বিয়ে হবে।

বাতাসী বউ | পর্ব ৪-৬ | আবিরের প্রেম, ঈর্ষা ও ভাঙা বিয়ের আসর

আবির সুপ্তিকে বোরকা পরার নির্দেশ দেয় এবং অন্য ছেলের সাথে তার ঘনিষ্ঠতায় রাগে ফেটে পড়ে। সুপ্তির বিয়ের আসরে হাজির হয় রাজ, কিন্তু আবির তাকে ঠেকিয়ে দেয়। সুপ্তির রুমে ঢুকে আবির তাকে জোর করে আলিঙ্গন করে, শাড়ি ছিড়ে ফেলে এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করে।

চুক্তির বিয়ের সংসার | পর্ব ৭ | মৌয়ের বিশ্বাসঘাতকতা ও রাজের চোখ খোলা

মৌ রাজের কাছে ছয় লাখ টাকা চাইল গর্ভের সন্তান নষ্ট করার বিনিময়ে। রাজ মাকে বলল মৌ অবৈধ সন্তান নিয়েছে। মা তাকে তাড়ালেন। রাজ সুমাইয়াকে নিয়ে খুশি হলেও তাকে ধোঁকা দেখে চোখ খুলল। মৌ একা রাস্তায়, হামলার মুখে পড়ে গাড়ির ধাক্কায় রক্তাক্ত হলো।

সেলফিশ | পর্ব ১৪ ও শেষ | নীলার পতন ও কাব্যের দুই বউয়ের সুখের সমাপ্তি

নীলা (নীশা) কাব্যকে জোর করে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, মিরা ও স্বর্নাকে হত্যার হুমকি দেয়। কাব্য মিরার আত্মঘাতের হুমকি দেখে ভেঙে পড়ে। রিয়া পুলিশ নিয়ে এসে নীলাকে গ্রেফতার করে। স্বর্না বেঁচে যায় কিন্তু ভ্রূণ হারায়। কাব্য মিরা ও স্বর্নাকে একসাথে বিয়ে করে, পরিবারের কোলাহলে শুরু হয় নতুন জীবন।

সেলফিশ | পর্ব ১৩ | নীলার প্রতিশোধ ও মিরা-স্বর্নার মৃত্যুর মুখোমুখি

নীলা মিরা ও স্বর্নাকে পুরান গোডাউনে আটকে রেখে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়, ঘোষণা করে সে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাদের কারণে তার ভালোবাসা হারায়। মিরা ও স্বর্না শোনে যে নীলা আসলে নীশা, যে প্লাস্টিক সার্জারি করে তাদের চেহারা নেয়। নীলা দুজনকে গুলি করার জন্য রিভলবার তোলে।