ক্যাটাগরি থ্রিলার গল্প

সেলফিশ | পর্ব ১১ | কাব্যর মিরাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত ও ম্যামের রহস্যময় সারপ্রাইজ

কাব্য ম্যামকে সব সত্য বলে, মিরাকে ভালোবাসে না বলে মন ভাঙায়। মিরা কাঁদে, কিন্তু কাব্য নিজেকে খারাপ বানিয়ে সম্পর্ক ছেদ করে। পরদিন অফিসের ম্যাম তার ঘরে হাজির হয় এক রহস্যময় সারপ্রাইজ নিয়ে।

সেলফিশ | পর্ব ৯ | কাব্যর নতুন চাকরি ও মিরার রহস্যময় ডাক

কাব্য নতুন অফিসে চাকরি পায় এবং ম্যামের প্রশংসা পায়, কিন্তু ম্যাম মেয়েদের সাথে কথা বললে রাগ করেন। কলেজে স্বর্না তাকে বিরক্ত করে, আর মিরা রাগ করে পার্কে ডাকে। মিরার কালো শাড়িতে মুগ্ধ হয় কাব্য, কিন্তু মনে মনে ভাবে স্বর্নাকে দূর করতে মিরার সাথে মিথ্যা প্রেমের অভিনয় করার পরিকল্পনা।

সেলফিশ | পর্ব ৮ | স্বর্নার ফিরে আসা ও কাব্যর চাকরি হারানোর চাঞ্চল্য

স্বর্না হঠাৎ কাব্যের সামনে হাজির হয় এবং তাকে ভালোবাসার কথা ঘোষণা করে, কিন্তু কাব্য তাকে চেনে না। মিরা ও স্বর্নার মধ্যে তীব্র তর্ক শুরু হয়। কাব্য মানসিকভাবে বিপাকে পড়ে। পরদিন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন কোম্পানিতে দ্বিগুণ বেতনের অফার আসে। নতুন বস বোরকাধারী এক রহস্যময় মহিলা, যার কণ্ঠস্বর পরিচিত লাগে কাব্যের।

সেলফিশ | পর্ব ৭ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও স্বর্নার অপ্রত্যাশিত ফিরে আসা

মিরা বান্ধবীদের কাছে স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাকে প্রপোজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তার আগেই কাব্যকে জড়িয়ে ধরে স্বর্না, যে ভেবেছিল সে হারিয়ে গেছে। মিরা স্বর্নাকে চড় মারে, আর কাব্য দেখে তার অতীতের বেদনা ফিরে আসে। চাঞ্চল্যকর মুহূর্তে গল্প থামে।

সেলফিশ | পর্ব ৬ | কাব্যর রহস্যময় জ্বর ও মিরার ভয়াবহ স্বপ্ন

কাব্য জ্বরে ভুগছে, ঘুম থেকে উঠে মুখে লিপস্টিকের দাগ দেখে বিস্মিত হয়। মিরা ভয়ানক স্বপ্ন দেখে, যেখানে তাকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়। স্বপ্নের প্রভাবে সে সবার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মিরা স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে, কিন্তু বান্ধবীরা বিশ্বাস করে না।

সেলফিশ | পর্ব ২ | কাব্যর হাসপাতালের ঘটনা ও কলেজে ভর্তি

কাব্য রাস্তায় রক্তাক্ত প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখে হাসপাতালে নিয়ে যায়, পুলিশের সন্দেহ এড়ায়। প্রিন্সিপাল কাব্যের মনের কষ্ট বুঝে তাকে নিজের কলেজে ভর্তির সুযোগ দেয়। পরদিন কলেজে প্রবেশের সময় এক সুন্দরী মেয়ের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে চড় মারে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১২ | আদিবার সংকট ও নেহালের এক্সিডেন্টের খবর

বিয়ের মঞ্চে আদিবার ফোন বাজে—নেহাল-মিতির বাস এক্সিডেন্টের খবর। সায়ানের মা তাকে জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। মিতি আদিবাকে জড়িয়ে ধরে, আর সায়ানের মা মিতির সাথে সায়ানের বিয়ের পরিকল্পনা করে। নেহাল ক্রিটিক্যাল, আদিবা মানসিক সংকটে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৫ | আদিবার আত্মহত্যার চেষ্টা ও নেহালের রক্তদান

আদিবা ছুরি দিয়ে নিজেকে আঘাত করে, নেহাল রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বাঁচাতে ডাক্তার ডাকে। চার ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়, নেহাল নিজের রক্ত দিতে বাধ্য করে ডাক্তারকে। জ্ঞান ফেরার পর আদিবা নেহালকে ঘৃণা জানায়, আর মিতি জানায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৩-৪ | আদিবার বিয়ে বাতিল ও নেহালের আবেগের বন্দি

বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে আসা আদিবাকে নেহাল জোর করে নিজের কাছে রাখে। আদিবার বাবা-মায়ের অপমানে সায়ান ভেঙে পড়ে। নেহাল আদিবাকে খাওয়াতে জোর করে, শারীরিক ক্ষত হয়। আদিবা আত্মহত্যার চেষ্টা করে, ছুরি নিজের পেটে ঢোকায়।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ১-২ | বিয়ের আসরে পালানো আদিবা ও নেহালের আবেগের দ্বন্দ্ব

বিয়ের দিন আদিবা নেহালের কাছে পালিয়ে আসে, কিন্তু নেহাল তাকে ছাড়তে নারাজ। চাবি খুঁজতে গিয়ে ফুলদানি ভাঙে, রাগে আদিবাকে ধরে তোলে নেহাল। কপাল কেটে যাওয়ায় নেহালের রাগ পরিণত হয় অনুশোচনায়। আদিবা তাকে নিচ বলে, কিন্তু নেহাল জানায়—তাকে ছাড়া তার জীবন অসম্পূর্ণ।

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ১৮-১৯ | মেঘের সত্যি পরিচয় ও উমার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি

উমা আর বৃষ্টি জানতে পারে মেঘ আসলে অয়ন নয়, আসল অয়নকে হত্যা করেছে ইমান ও সৈকত। মেঘের স্মৃতি ফিরিয়ে প্রমাণ জমা দেওয়া হয়। বৃষ্টি-মেঘের বিয়ে হয়, আর উমাকে ভালোবাসার কথা বলে আসিফ। গল্পের শেষে মেঘ বলে, তাদের গল্প শেষ হয়নি।

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ১৬-১৭ | মেঘের প্রতি বৃষ্টির আবেগ ও রাহাতের স্বীকারোক্তি

বৃষ্টি অয়নকে মেঘ ভেবে আবেগের মাঝে জড়িয়ে পড়ে, কিন্তু অর্ক ও তিশা সত্য জানায়। রাহাতের কাছ থেকে মেঘের গাড়ি দুর্ঘটনার স্বীকারোক্তি নেয় বৃষ্টি। এনগেজমেন্টে মেঘ ছাড়া বৃষ্টির বিচ্ছিন্নতা ফুটে ওঠে, আর উমা জানতে পারে অয়ন আসলে মেঘ।