ক্যাটাগরি প্রেমের গল্প

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৬ | আদির রাগ, সামান্তার কষ্ট ও এনগেজমেন্টের রাতে আবেগের বন্যা

আদি সামান্তাকে শপিংয়ে অন্য ছেলের সাথে দেখে রাগে ফেটে পড়ে। সামান্তা ক্ষুব্ধ হয় যখন আদি তাকে কাজিন বলে পরিচয় দেয়। নিশির এনগেজমেন্টে সামান্তা সুন্দর সাজে, আদি মুগ্ধ হয়। রাজের সাথে ডান্সে জ্বলে আদি, রুমে ঢুকে সামান্তাকে কোমড়ে চেপে ধরে এবং গালে চুমু দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৫ | সাইকেল দুর্ঘটনা ও শপিংয়ের গোপন দৃষ্টি

সামান্তা নিশির সাজানো সাইকেলে ঘুরছে, আদি দেখে হা করে যায়। দুজনে পড়ে যায়, সামান্তার হাতে ক্ষত। আদি তাকে কোলে তুলে নেয়, মেডিসিন লাগায়। পরে হলুদ পোশাকে আদি সামান্তাকে রাগায়। শপিংয়ে রাহুলের সাথে সামান্তাকে দেখে আদি রাগে ফুঁসে ওঠে, বাড়িতে শোধ নেওয়ার হুমকি দেয়।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ৪ | সামান্তার ওড়না ও আদির রাতের ফোন

আদি সামান্তাকে সরিষা ক্ষেতের কথা শুনে হেসে উড়িয়ে দেয়। ছাদে ভয় দেখানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। সকালে অনুপযুক্ত পোশাকে বের হওয়ায় আদি রাগে ফোঁস করে, গার্ডদের হুমকি দেয়। রাতে অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন করে আদি, সামান্তা তাকে থাপ্পড়ের হুমকি দেয়। আদি নিজেকে হাসব্যান্ড বলে দাবি করে, সামান্তা বিস্মিত হয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ২৩ | চৈত্রিকার ইন্টারভিউ, সাফারাতের রাগ ও নোসপিনের গোপন চিহ্ন

চৈত্রিকা সাফারাতের অফিসে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে আসে। মিহিতার সাথে দেখা, সাফারাতের উপস্থিতি ও অন্য ইন্টারভিউয়ারদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। ইন্টারভিউতে চৈত্রিকা নিজেকে আনম্যারিড বলে উল্লেখ করে, যা সাফারাতকে ক্রুদ্ধ করে তোলে। লিফটে তাদের গোপন মুহূর্ত, আবেগঘন আলিঙ্গন ও নোসপিন পরানো হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে টিউশনি ছাড়ার নির্দেশ দেয়, পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২২ | চৈত্রিকার লজ্জা, সাফারাতের আবেগ ও অফিসে উপহাস

চৈত্রিকা সাফারাতের রুমে আটকা পড়ে তার অদ্ভুত আচরণে বিভ্রান্ত হয়। সাফারাত তাকে জ্যাকেট ফেলে দেয়, ওড়না দিয়ে মুখ মোছে, আর ঘুমাতে বলে। পরদিন অফিসে শাড়ি পরে আসা চৈত্রিকাকে উপহাস করা হয়, আর সাফারাতের নির্বিকারতা তাকে ভেঙে দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ২১ | চৈত্রিকার বিয়ে ও তাহাফের আগমন

চৈত্রিকার সাফারাতের সাথে সাদামাটা বিয়ে সম্পন্ন হয়, কিন্তু তাহাফ পরিবার নিয়ে হাজির হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। সাফারাত রাগে ফেটে পড়ে তাহাফকে মারধর করে, চৈত্রিকা কাঁদতে থাকে। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই দেখা দেয় নতুন সংঘাত।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৮ | চৈত্রিকার নিঃশব্দ যন্ত্রণা ও সাফারাতের ভালোবাসা

চৈত্রিকার বাবার মৃত্যুর পর সে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে, কাঁদে না কিন্তু মনে মনে জ্বলে। সাফারাত তাকে জোর করে কাঁদায়, আর তখনই ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা। তাহাফের চাপানো রাগ, সাফারাতের আবেগঘন যত্ন, এবং চৈত্রিকার জ্ঞান হারানো—সব মিলিয়ে পর্বটি মানসিক যন্ত্রণা ও গভীর ভালোবাসার চমৎকার চিত্র।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৬ | চৈত্রিকার আংটি, সাফারাতের রাগ ও তাহাফের হুমকি

চৈত্রিকার আঙ্গুলে সাফারাতের দেওয়া আংটি দেখে তার বাগদত্তা হওয়ার কথা জানতে পারে সাফারাত, রাগে আগুন হয়ে ওঠে সে। চৈত্রিকাকে ফিরে পেতে চায় সে। বাড়ি ফেরার পথে তাহাফ তাকে ছাদে নিয়ে যায়, হুমকি দেয়। চৈত্রিকা প্রতিরোধ করে, তাহাফকে আঘাত করে। মিম সন্দেহ করে তাহাফই গোপন প্রেমিক, কিন্তু চৈত্রিকা তা অস্বীকার করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৪ | চৈত্রিকার চা ও জেরিনের হুমকি

চৈত্রিকা সাফারাতের বাড়িতে চা নিয়ে আসে, মিহিতার সন্দেহ বাড়ে। সাফারাত চৈত্রিকাকে প্রতিদিন চা বানানোর আবেদন জানায়। গাড়িতে তার গালে আঘাতের ভ্রম হয়। জেরিন তাকে থাপ্পড় মারতে চায়, চৈত্রিকা প্রতিবাদ করে। জেরিন মিথ্যে বিয়ের কথা বলে সাফারাতের দাদিকে ফোন করে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১২ | মিমের রোদে হাঁটা, দিহানের লিফট ও চৈত্রিকার গেইটে অপেক্ষা

রোদে হাঁটা মিমকে দেখে দিহান গাড়ি ঘুরিয়ে লিফট দেয়, তার রাগ-ভাবনা আর অস্বস্তি নিয়ে। বাড়ি ফিরে চৈত্রিকা দেখে অপরিচিত মেয়েকে ঢুকতে নিষেধ করা হচ্ছে, আর সাফারাত তাকে নীরবে ডাকেন বারান্দা থেকে। উত্তেজনা আর প্রশ্ন ঘিরে থাকে চৈত্রিকাকে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১১ | চৈত্রিকার বিয়ের চাপ, তাহাফের আগমন ও জারবেরার রহস্য

চৈত্রিকার মায়ের চাপে তাহাফের সাথে বিয়ের প্রস্তাব এগিয়ে যায়। আংটি পড়ানো হয়, কিন্তু চৈত্রিকা মনে মনে সাফারাতকে ভালোবাসে। তাহাফের আত্মবিশ্বাস ও রূঢ়তা চৈত্রিকাকে ভীত করে, আর শুকনো জারবেরা ফুল দেখে সে আশঙ্কা করে তাহাফই হতে পারে তার গোপন প্রেমিক।

সুখের নেশায় | পর্ব ১০ | চৈত্রিকার রাতের যাত্রা, সাফারাতের জ্বরের ঘোর ও বিয়ের প্রস্তাবের চাপ

চৈত্রিকা রাতের শীতে সাফারাতের সাথে রিকশায় যাত্রা করে, যেখানে জ্বরে জ্বলছে সাফারাত। স্বপ্নে তাকে দেখার কথা বলে তাকে নিয়ে যায় নদীর পাড়ে। কাঁদে চৈত্রিকা তার বুকে, আর দুই দিন পর মিম জানায়—বিয়ের প্রস্তাব এসেছে।