ক্যাটাগরি প্রেমের গল্প

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | শেষ পর্ব | মৈনাক-অপর্ণার পুনর্মিলন ও সুখের সমাপ্তি

মৈনাক অপর্ণার ফ্ল্যাটে এসে তার ভুল স্বীকার করে এবং ক্ষমা চায়। অপর্ণার প্রতি তার ভালোবাসা প্রকাশ করে বসু ভিলায় ফিরে আসে। এক বছর পর অপর্ণা গর্ভবতী হয়, আর তীর্থ বেকসুর খালাস পায়। সত্যেন ঘটক ও তার ছেলে দোষী সাব্যস্ত হয়। প্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের জয়ে গল্পের শেষ।

#যদি প্রেম দিলে না প্রাণে | পর্ব ১ | মৈনাক-অপর্ণার আদালতের যুদ্ধ

মৈনাক বসু, কলকাতার নামকরা ব্যারিস্টার, আদালতে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী অপর্ণার কাছে পরাজিত হয়ে হতবাক। অপর্ণা নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছে, আর মৈনাক নিজের পেশার সাথে নিজেরই যুদ্ধে জড়িয়েছে। অতীতের বিষ এখন আদালতের মঞ্চে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৭ | শুভের ঢাকায় ফেরা ও ঝিলিকের সাহসী সিদ্ধান্ত

শুভ ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, নতুন চাকরির অফার নিয়ে বাবার সমর্থন পায়। ঝিলিক সৌরভকে স্পষ্ট জানায় তাকে ছাড়তে চলেছে, ডিভোর্সের কথা ঘোষণা করে এবং প্যারিসে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের কোর্সে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। শিখার ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩৬ | রায়ীনের ফিরে আসা ও আশরাফের অনুশোচনা

রায়ীন ফিরে এলে পরিবারে ফিরে আসে আনন্দ, রুহি ছেলেকে জড়িয়ে কাঁদে। আশরাফ সবার সামনে শিখার হিংসার তীব্র নিন্দা করে অনুশোচনা করে, আফজাল-শিখাকে নাসিরাবাদে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। ঝিলিকের কারণে রায়ীন ফিরে এসেছে জেনে আশরাফ তাকে ঋণী বলে স্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৯ | ঝিলিকের গোপন সত্য ও সৌরভের আগুন

ঝিলিক সৌরভকে জানায় গর্ভপাতের সত্য, অত্যাচারের প্রতিশোধ হিসেবে সন্তান নষ্ট করার কথা স্বীকার করে। সৌরভ আগুনের মতো রাগে জ্বলে, কিন্তু হাত তুলতে পারে না। শিখা রায়ীনের জন্য শিপিং ব্যবসায় ৫১% মালিকানা জেনে প্রতিশোধের পরিকল্পনা করে। রুহি গোপন কথা শুনে ভয়ে সিড়ি থেকে পড়ে যায়, প্রাণপণে চিৎকার করে বাচ্চাকে বাঁচানোর চেষ্টা করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৬ | ঝিলিকের সাহসী সিদ্ধান্ত ও রুহি-রায়ীনের রান্নাঘরের মুহূর্ত

ঝিলিক সৌরভের নির্যাতন থেকে মুক্তি চায়, মায়ের কাছে চলে যায় এবং আর ফিরবে না বলে সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, ঢাকার ফ্ল্যাটে রুহি-রায়ীনের মধ্যে গড়ে ওঠে আন্তরিক মুহূর্ত, যখন রায়ীন রান্না করে রুহিকে খাওয়ায় এবং তার সাথে সহজ কথোপকথন হয়।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ২৪ | রুহির জন্য শশুরের উপহার ও শুভের বিষোদ্গার

রুহিকে শশুরবাড়ির গয়না ও হীরের হার দেয় রোজী, আশরাফের চোখে জল। শেষ ইচ্ছে পূরণের আহ্বান আসে বংশধরের জন্য। ঝিলিক সৌরভের কাছ থেকে মুক্তির ঘোষণা দেয়। শুভ রুহির মনে সন্দেহ বুনতে থাকে রায়ীন নিয়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৮ | রুহির কক্সবাজার যাত্রা ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি রায়ীনের সাথে কক্সবাজারে যায় এবং হোটেলে নামে। সমুদ্রের পাশে একা হাঁটতে গিয়ে সে শুভের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা পায়, যে তার পিছু নিয়ে এসেছে। রুহি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে তিরস্কার করে এবং বিশ্বাসঘাতক বলে ঘৃণা প্রকাশ করে। শুভ তাকে রায়ীনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে, কিন্তু রুহি তার কথা শুনতে অস্বীকার করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৫ | রুহির হাসপাতালে জ্ঞান ফেরা ও রায়ীনের যত্ন

রুহি হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে পায়, কপালে তিনটি স্টিচ ও হাতে স্যালাইন নিয়ে। রায়ীন তাকে যত্ন করে, মাথা টিপে দেয় আর পানি খাওয়ায়। রুহি নিয়াজের কথা জানতে চায়, কিন্তু ক্লান্তিতে আবার ঘুমিয়ে পড়ে। এদিকে শুভ মায়ের সাথে কথা বলে রায়ীনের ফিরে আসার বিষয়ে বিদ্বেষ পোষণ করে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ১৪ | রুহির গোপন সন্দেহ ও শুভের অপ্রত্যাশিত আগমন

রুহি শশুরকে খাওয়ানোর দায়িত্ব নেয় এবং ঝিলিকের সাথে আন্তরিক কথোপকথনে সম্পর্ক জোরদার হয়। রায়ীনের সাথে গাড়িতে যাওয়াকালীন ঝিলিকের সাথে তার অতীত নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। বাড়িতে ফিরে রুহি শুভের অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি দেখে চমকে যায়, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৭ | রুহির বিচ্ছেদ ও শুভের আক্ষেপ

রুহি শুভের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বাবার ইচ্ছায় শশুরবাড়ি ফিরতে রাজি হয়। শুভ ভেঙে পড়ে, রুহি মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত। বিদায়ের মুহূর্তে রায়ীনের গাড়িতে উঠে রুহি নীরবে কাঁদে। পথিমধ্যে মাথা ঘোরা ও বমির ঘটনায় রায়ীনের গায়ে বমি পড়ে।

#না চাহিলে যারে পাওয়া যায় | পর্ব ৩ | রায়ীনের চা-এর আমন্ত্রণ ও রুহির প্রতিরোধ

রায়ীন রুহিকে খুঁজে পেয়ে তাকে চা খাওয়ার জন্য অনুনয় করে। রুহি প্রাথমিকভাবে প্রত্যাখ্যান করলেও শেষপর্যন্ত পাঁচ মিনিটের জন্য রাজি হয়। রায়ীন জানায়, সে তাকে ডিভোর্স করতে নিতে এসেছে, নতুন করে বিয়ে করতে নয়। রুহি চমকে যায় এই সত্য শুনে।