ক্যাটাগরি প্রেমের গল্প

সেলফিশ | পর্ব ৮ | স্বর্নার ফিরে আসা ও কাব্যর চাকরি হারানোর চাঞ্চল্য

স্বর্না হঠাৎ কাব্যের সামনে হাজির হয় এবং তাকে ভালোবাসার কথা ঘোষণা করে, কিন্তু কাব্য তাকে চেনে না। মিরা ও স্বর্নার মধ্যে তীব্র তর্ক শুরু হয়। কাব্য মানসিকভাবে বিপাকে পড়ে। পরদিন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়, কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন কোম্পানিতে দ্বিগুণ বেতনের অফার আসে। নতুন বস বোরকাধারী এক রহস্যময় মহিলা, যার কণ্ঠস্বর পরিচিত লাগে কাব্যের।

সেলফিশ | পর্ব ৭ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও স্বর্নার অপ্রত্যাশিত ফিরে আসা

মিরা বান্ধবীদের কাছে স্বীকার করে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাকে প্রপোজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তার আগেই কাব্যকে জড়িয়ে ধরে স্বর্না, যে ভেবেছিল সে হারিয়ে গেছে। মিরা স্বর্নাকে চড় মারে, আর কাব্য দেখে তার অতীতের বেদনা ফিরে আসে। চাঞ্চল্যকর মুহূর্তে গল্প থামে।

সেলফিশ | পর্ব ৪ | মিরার বাজি ও কাব্যর প্রতি অদ্ভুত আচরণ

মিরা বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে কাব্যকে প্রেমে ফেলার চ্যালেঞ্জ নেয়। ক্লাসে তাকে তাকিয়ে হাসে, তারপর জোর করে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায়। কাব্য বিভ্রান্ত, মিরার আচরণে ভয় পায়। মিরা ঘরে ফিরে বান্ধবীদের বলে—ওকে দুর্বল করার প্লান চলছে, কিন্তু সে নিজেই পড়বে না।

সেলফিশ | পর্ব ৩ | কাব্যর নতুন চাকরি ও কলেজ জীবনের চ্যালেঞ্জ

কাব্য একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি পায় এবং আশার আলো দেখতে শুরু করে। বাড়িওয়ালার মেয়ের জন্য ঘর ছাড়তে হয়, কিন্তু আন্টির যত্নে সকালের খাবার পায়। কলেজে প্রথম দিনেই মিরা তাকে লক্ষ্য করে ব্যঙ্গ করে, আর স্যার তাকে অবহেলা করেন। ক্লাসে সবাই তার পোশাক দেখে হাসে, আর মন ভারী হয়।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৯-১০ | আদিবার বিশ্বাসঘাতকতা ও সায়ানের ভালোবাসার প্রস্তাব

নেহাল আদিবাকে ছলনার অপরাধ দেখায় এবং তাকে ধাক্কা দেয়, আবির চৌধুরী রেগে নেহালকে মারধর করে। সায়ান আদিবাকে ভালোবাসার কথা বলে এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয়। নেহাল আদিবার কাছে আসে, সায়ানের সাথে তার দ্বন্দ্ব হয়, মিতি হস্তক্ষেপ করে শান্ত করে।

তোমাকে খোঁজে | পর্ব ৬-৮ | আদিবার ছলনা ও বিয়ের রেজিস্ট্রি প্রকাশ

নেহাল আদিবাকে রক্ত দিয়ে বাঁচায়, কিন্তু আদিবা তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে। মিতির বিয়ের প্রস্তাব হয় সায়ানের সাথে। পুলিশ আদিবার বন্ধুদের কাছ থেকে সত্য জানে। শেষে মিতি বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপার দেখায়—আদিবা নেহালের স্ত্রী!

মেঘবৃষ্টির গল্পকথা | পর্ব ১৩ | বিয়ের আগে মেঘের বিপদ

বিয়ের আগে মেঘ বৃষ্টিকে মিস করে হঠাৎ আসে, গান দিয়ে শান্ত করে। কিন্তু বিয়ের দিন রাহাতের ষড়যন্ত্রে মেঘের গাড়িতে হামলা হয়, গাড়ি বিস্ফোরিত হয়। মেঘ নিখোঁজ, বৃষ্টি আঘাতপ্রাপ্ত। মেঘের বাবা ঘোষণা করেন অর্কের সাথে বৃষ্টির বিয়ে হবে।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৫ | নুসরাতের সত্যি কথা ও ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি

সাজ্জাদ নুসরাতের কাছে ডিভোর্সের মিথ্যা চিঠি দেয়, কিন্তু নুসরাত ছিড়ে ফেলে বলে সে তাকে ছাড়বে না। তার আগে সাজ্জাদ শুনেছে নুসরাত তাকে ভালোবাসে এবং সব নাটক করেছে তার ভালোবাসা পরীক্ষার জন্য।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ৪ | নুসরাতের ফোন কল ও সাজ্জাদের ডায়েরীতে শেষ লেখা

সাজ্জাদ নুসরাতের ভালোবাসার মানুষের সাথে ফোনে কথা শুনে মন খারাপ করে। রাতে ডায়েরীতে লেখে নিজের আবেগ, নম্রতার স্মৃতি ও নুসরাতকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত। অফিসে নুসরাতের কলে সাজ্জাদ বিপাকে পড়ে। সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে।

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ২ | নুসরাতের সাথে প্রথম দেখা ও বিয়ের প্রস্তাব

সাজ্জাদ নতুন চাকরিতে ঢুকে পড়েছে, কিন্তু নম্রতার স্মৃতি তাকে ছাড়ছে না। আম্মুর চাপে মেয়ে দেখতে যায় এবং সেখানে প্রথমবার নুসরাতের সাথে দেখা হয়। তাদের পারস্পরিক পছন্দের মুহূর্তে বিয়ের দিন ঠিক হয়ে যায়। সাজ্জাদ নতুন জীবনের দিকে এগোচ্ছে, কিন্তু অতীত কি তাকে ছাড়বে?

ডায়েরী শেষ পাতা | পর্ব ১ | চাকরির আগে বিয়ের কার্ড

সাজ্জাদ চাকরির সারপ্রাইজ নিয়ে নম্রতাকে দেখতে যায়, কিন্তু নম্রতা তাকে বিয়ের কার্ড দিয়ে বিদায় জানায়। চাকরি হওয়ার পরও সে তাকে ফিরে পায় না, বরং দেখে নম্রতা অন্যের সাথে শপিং করছে। ভাঙা ভালোবাসার গল্প শুরু হয় হতাশায়।

গ্রামের ছেলেটি | পর্ব ১৬ | নিলিমার ঈর্ষা ও তামান্নার আগমন

নিলিমার মা শিমুলের সম্পর্কে জানতে চায়, তামান্না শিমুলকে ভালোবাসে বলে মা জানায়। নিলিমা ঈর্ষায় জ্বলে, শিমুলকে কিস করে। তামান্না শিমুলের রুমে ঢুকে ফোনে নিলিমার সাথে কথা বলে, নিলিমা রাগে ফোন কাটে।