ক্যাটাগরি প্রেমের গল্প

চুক্তির বিয়ের সংসার | পর্ব ৩ | মৌয়ের গর্ভবতী হওয়া ও রাজের ক্রোধ

মৌ হাসপাতালে জানে সে গর্ভবতী, কিন্তু রাজ তাকে রক্ষিতা বলে চড় মারে। সুমাইয়া এসে মৌকে অপমান করে। রাজের বালিশে লুকানো রিপোর্টে গর্ভাবস্থা ধরা পড়ে, রাগে মৌকে থাপ্পর মারে রাজ। মৌ আল্লাহর কাছে সাক্ষী রেখে বলে—সন্তানটি তারই।

চুক্তির বিয়ের সংসার | পর্ব ২ | মৌয়ের চোখের পানি ও রাজের অস্বীকৃতি

মৌ রাজের জন্য নামাযে দোয়া করে, কিন্তু রাজ তাকে চড় মারে। সুমাইয়ার ফেরতে রাজের আচরণ বদলায়। রাতে মদের নেশায় মৌকে জড়িয়ে ধরে রাজ, কিন্তু সকালে অস্বীকার করে। মৌ হাসপাতালে জানে—সে মা হতে চলেছে।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ১১ | নিলীমার গোপন সারপ্রাইজ ও বাবা হওয়ার খবর

নিলীমা হুমের জন্মদিনে গোপনে গর্ভবতী হওয়ার খবর দেয়, পেটে হাত রেখে সারপ্রাইজ উন্মোচন করে। হুম আনন্দে অবাক হয়ে তাকে কোলে তুলে নেয়। পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে সবাই নিলীমাকে আদর করে। নিলীমা ভয় প্রকাশ করে, হুম তাকে চুপ করিয়ে দেয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ১০ | নিলীমার বাবু চাওয়া ও অভিমানের মুহূর্ত

নিলীমা রাতে লেখকের বুকে ঘুমায়, ছাদে বসে বাচ্চা চায়, কিন্তু লেখক বুঝায় এখন সময় নয়। কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। পরে হারানো বইয়ের জন্য বকা শুনে নিলীমা ব্যাগ নিয়ে চলে যাওয়ার ছল করে, কিন্তু শেষে তাকে জড়িয়ে ধরে।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৮ | ছাদের আদর ও বন্ধুদের সামনে সম্পর্কের স্বীকারোক্তি

নিলীমা আর লেখক ছাদে বসে চাঁদের নিচে আদর করে। ঠোট চুম্বনে ভরপুর মুহূর্তের পর নিলীমা বন্ধুদের সামনে হুমকে স্বামী হিসেবে ঘোষণা করে। সবাই অবাক, প্রশ্ন উঠে—কবে বিয়ে হলো? চলবে...

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৭ | নিলীমার রাতের আমন্ত্রণ ও ছাদের গোপন মুহূর্ত

নিলীমা রাতে ঘুম না আসায় হুমকে ছাদে ঘুরতে ডাকে। হুম তাকে কোলে করে নিয়ে যায়। আগের দিনের ঘটনা মনে করে হাসে মেডামের সাথে সাক্ষাতের পর। প্রেম, মিষ্টি তর্ক ও ঘনিষ্ঠতায় ভরপুর এই পর্বে আবেগ আরও গভীর হয়।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৫ | নিলীমার অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত ও বাসরের প্রস্তুতি

নিলীমা হঠাৎ ঘোষণা করে রাতেই বাসর করবে, কারণ হাসাহাসির জন্য সে ঈর্ষান্বিত হয়। হুম প্রথমে অবাক হলেও ফুল কিনে আনে। আবেগ, ঈর্ষা ও প্রেমের মিশ্রণে প্রস্তুতি শুরু হয় এক অপ্রত্যাশিত রাতের জন্য।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৪ | নিলীমার পরীক্ষা ও ঢাকায় নতুন জীবন

নিলীমার অপরিচিত নাম্বার থেকে কল, পরিচয় পরীক্ষার মাধ্যমে ভালোবাসার প্রমাণ। এসএসসি পাসের পর ঢাকায় ভর্তি, রান্নার দক্ষতা ও প্রতিদিনের সান্নিধ্যে গভীর হয় ঘনিষ্ঠতা। প্রতিদিন কলেজে যাওয়া-আসা, রাতে পড়াশোনা—নতুন জীবনের সূচনা।

চাচাত বোন যখন আদূরে বউ | পর্ব ৩ | নিলীমার কান্না ও ঢাকায় বিদায়

নিলীমা আর লেখকের ঘনিষ্ঠতা আরও গভীর হয়। পরিবার তাদের বিয়ে দেয়। নিলীমা স্কুলে এক ছেলের প্রেমের প্রস্তাব নাকচ করে। লেখক ঢাকার ভার্সিটিতে ভর্তি হয়, কিন্তু নিলীমা তাকে ছাড়া থাকতে পারে না। বিদায়ের মুহূর্তে সে কাঁদে, আর ঢাকায় পৌঁছে এক অপরিচিত নাম্বার থেকে রহস্যময় কল আসে।

সেলফিশ | পর্ব ১৩ | নীলার প্রতিশোধ ও মিরা-স্বর্নার মৃত্যুর মুখোমুখি

নীলা মিরা ও স্বর্নাকে পুরান গোডাউনে আটকে রেখে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়, ঘোষণা করে সে কাব্যকে ভালোবাসে এবং তাদের কারণে তার ভালোবাসা হারায়। মিরা ও স্বর্না শোনে যে নীলা আসলে নীশা, যে প্লাস্টিক সার্জারি করে তাদের চেহারা নেয়। নীলা দুজনকে গুলি করার জন্য রিভলবার তোলে।

সেলফিশ | পর্ব ১২ | মিরার সাথে রাত ও স্বর্নার গর্ভবতী হওয়ার চাঞ্চল্য

মিরা কাব্যের ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় আসে এবং তাকে নিজের করে নেওয়ার কথা বলে। পরদিন স্বর্না হাজির হয়ে ঘোষণা করে সে কাব্যের সন্তান নিয়ে গর্ভবতী। কাব্য অস্বীকার করলেও স্বর্না স্মরণ করায় জ্বরের রাতের ঘটনা। মিরা শুনে চড় মারে কাব্যকে এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

সেলফিশ | পর্ব ১০ | মিরার ভালোবাসার স্বীকারোক্তি ও কাব্যর প্রতিক্রিয়া

মিরা কালো শাড়ি পরে কাব্যকে মুগ্ধ করে, আর তার সামনে স্বীকার করে তাকে ভালোবাসে। কাব্য প্রথমে বিভ্রান্ত হলেও শেষে মিরাকে জড়িয়ে নেয়। স্বর্না তাদের দেখে কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়। অফিসে ম্যাম কাব্যকে জানায়, তাকে পার্কে তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে দেখা গেছে।