ক্যাটাগরি করুণ কাহিনী

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২৭ | আদিবার প্রথম স্কুল দিন, আদির মা-বাবার অসুস্থতা ও গোপন মেয়ের প্রকাশ

আদিবা প্রথমবার স্কুলে যায়, পড়ে গেলেও সামু তাকে নিজে উঠতে শেখায়। আদি মেয়েকে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা। হঠাৎ আদির বাবার হার্ট অ্যাটাকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। আদি ও সামু আদিবাসহ ঢাকায় যায়। আদি সামুকে জোর করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরিবার জানে—আদিবা তাদের নাতনী।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২৪ | কক্সবাজারে আদি-সামুর অপ্রত্যাশিত দেখা ও ভাঙা হৃদয়

আদি পাঁচ বছর পর বাড়ি ফিরেছে। কক্সবাজারে সূর্যাস্ত দেখতে গিয়ে সে আকস্মিক দেখা পায় সামুর সাথে। সামুর হাতে তার মেয়ে আদিবা। আদি ভেঙে পড়ে, কিন্তু সামুর চোখে প্রশ্ন—কেন এলো? আদি বুঝতে পারে, সামু ভালো আছে, কিন্তু সে নিজে আর ভুলতে পারেনি।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২৩ | সামুর গোপন মা হওয়া, আদির একাকী ভালোবাসা ও বাবার আহ্বান

সামু গোপনে মা হতে চলেছে এবং আদির কাছ থেকে সন্তানকে লুকিয়ে রাখতে চায়। ৫ বছর পার হয়ে গেছে বিচ্ছেদের, আদি সিডনিতে একাকী ভালোবাসা জানায় ফোনে। হঠাৎ নিশির ফোন: বাবা আবার হার্ট অ্যাটাকে আছেন। আদি সিদ্ধান্ত নেয়—ফিরবে তার শহরে।

তোর শহরে ভালোবাসা | পর্ব ২২ | ডিভোর্স পেপার, সামুর চলে যাওয়া ও গোপন গর্ভাবস্থা

আদি সামুকে ডিভোর্স পেপার পাঠায় ঘৃণার চিঠি সহ, সামু শোকে ভেঙে পড়ে এবং শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যায়। এক সপ্তাহ পর নামাজের পর নতুন জীবনের সিদ্ধান্ত নেয়। শারীরিক অসুস্থতায় ভার্সিটিতে চেকআপে জানা যায় সে গর্ভবতী, আর আদি সিডনিতে নেশায় ডুবে থাকে।

সুখের নেশায় | পর্ব ২২ | চৈত্রিকার লজ্জা, সাফারাতের আবেগ ও অফিসে উপহাস

চৈত্রিকা সাফারাতের রুমে আটকা পড়ে তার অদ্ভুত আচরণে বিভ্রান্ত হয়। সাফারাত তাকে জ্যাকেট ফেলে দেয়, ওড়না দিয়ে মুখ মোছে, আর ঘুমাতে বলে। পরদিন অফিসে শাড়ি পরে আসা চৈত্রিকাকে উপহাস করা হয়, আর সাফারাতের নির্বিকারতা তাকে ভেঙে দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৯ | চৈত্রিকার বাবার কবর, সাফারাতের আবেগ ও মিমের ফাঁস

চৈত্রিকা বাবার কবর দেখতে চায়, সাফারাত নিয়ে যায়। কবরস্থানে চৈত্রিকার প্রশ্নে সাফারাত রাগান্বিত হয়। পরে তাকে কপালে চুমু দিয়ে বলে, 'আমরা এক হবো'। বাড়িতে ফিরে মিম সাফারাতকে সব ফাঁস করে দেয়। চৈত্রিকা ভয়ে আতঙ্কিত হয়, সাফারাত আসছে জেনে।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৮ | চৈত্রিকার নিঃশব্দ যন্ত্রণা ও সাফারাতের ভালোবাসা

চৈত্রিকার বাবার মৃত্যুর পর সে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে, কাঁদে না কিন্তু মনে মনে জ্বলে। সাফারাত তাকে জোর করে কাঁদায়, আর তখনই ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা। তাহাফের চাপানো রাগ, সাফারাতের আবেগঘন যত্ন, এবং চৈত্রিকার জ্ঞান হারানো—সব মিলিয়ে পর্বটি মানসিক যন্ত্রণা ও গভীর ভালোবাসার চমৎকার চিত্র।

সুখের নেশায় | পর্ব ১৭ | সাফারাতের দৃঢ়তা ও চৈত্রিকার বাবার অবস্থা

সাফারাত চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে চাচা-চাচীর আবেদন উপেক্ষা করে। চৈত্রিকার বাবার অবস্থা অবনতি হয়, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সাফারাত চৈত্রিকাকে ফোন করে কিন্তু বাবার মৃত্যুর খবর শুনে হতবাক হয়। অতীতের স্মৃতি ও বর্তমানের চাপে দুজনের মন ভারাক্রান্ত।

সুখের নেশায় | পর্ব ৯ | চৈত্রিকার তৃষ্ণা, অজানা ভাইয়ের উপহার ও রাতের অপেক্ষা

গরমে কাতর চৈত্রিকা পথে হাঁটতে হাঁটতে এক বাচ্চাকে পাঁচ টাকা দেয়, যার জবাবে অজানা ভাইয়ের মাধ্যমে পায় পানি ও ভর্তা। বাসায় ফিরে জানে বাড়িওয়ালার হুমকির কথা। রাতে হঠাৎ ফোন আসে সাফারাতের, যে তাকে চা নিয়ে আসতে বলে গেটের বাইরে অপেক্ষা করছে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৮ | চৈত্রিকার জ্বর, সাফারাতের কোলে ভর, নার্সের প্রশ্ন ও মিমের রাগ

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে কাঁপছে, সাফারাত তাকে কোলে তুলে হাসপাতালে নিয়ে আসে। নার্স জিজ্ঞাসা করে সাফারাত কি তার স্বামী, চৈত্রিকা লজ্জায় বলে সে বেস্ট ফ্রেন্ড। মিম দিহানকে দেখে ক্ষুব্ধ হয়, আর সাফারাত রাতভর নিচে দাঁড়িয়ে তাকে আশ্বাস দেয়।

সুখের নেশায় | পর্ব ৫ | চৈত্রিকার বাবার অপারেশন, অজানা সাহায্যকারী ও মেহুলের স্মৃতি

চৈত্রিকার বাবার গাড়ি দুর্ঘটনার পর অপারেশনের টাকা অজানা এক ব্যক্তি জমা দেয়, যাকে দেখে চৈত্রিকার মনে সাফারাতের কথা ভাসে। হাসপাতালে মিমের প্রশ্নে ভেঙে পড়ে চৈত্রিকা, আর মেহুলের মৃত্যুর দায় নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়। এদিকে সাফারাত পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, দিহানের চাচাত ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে।

সুখের নেশায় | পর্ব ৪ | চৈত্রিকার অপমান, সাফারাতের রহস্যময় কথা ও বাবার দুর্ঘটনা

চৈত্রিকা বৃষ্টিতে ভিজে সাফারাতের কাছ থেকে জ্যাকেট নেয়, যার ঘ্রাণে অতীতের স্মৃতি ফিরে আসে। সাফারাত রহস্যময় ভাবে বলে, 'অপমান আঁকড়ে ধরে রাখলে সুখ পালিয়ে যাবে'। চৈত্রিকা চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু বাড়ির দারোয়ান জানায় তার বাবাকে গাড়ি চাপা দিয়েছে। এদিকে সাফারাত রেগে পৃথককে মারতে থাকে।